সাহারা মরুভূমির রহস্য: সবুজ অতীত থেকে অজানা বিস্ময়!


সাহারা মরুভূমির রহস্য: সবুজ অতীত থেকে অজানা বিস্ময়!

বন্ধুরা, আমি যখন বলব মরুভূমি, আপনার মাথায় কী আসবে? সাহারা মরুভূমির (Sahara Desert) কথা, রাইট? আফ্রিকার একেবারে উত্তর দিকে অবস্থিত এই মরুভূমিটি প্রায় ৯০ লক্ষ স্কয়ার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। সাহারা মরুভূমির পূর্ব দিকের রেড সি (Red Sea), উত্তরে ভূমধ্যসাগর (Mediterranean Sea) এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean) দ্বারা পরিবেষ্টিত। শুধু তাই নয়, এই মরুভূমির ভেতরে দশটা দেশ রয়েছে। কিন্তু এত বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই গরম বালির ভেতরে প্রচুর রহস্য চাপা পড়ে রয়েছে, যেগুলো জানবার জন্য বিজ্ঞানীরা দিনরাত এক করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রযুক্তির অভাবই হোক বা অন্য কোনো কারণ, সাহারা মরুভূমির অনেক রহস্যই আজও আমাদের কাছে রহস্যই হয়ে রয়েছে। তবে এই রহস্যগুলি কখনো কি আমাদের সামনে উন্মোচিত হবে কিনা, সেটা বলা এখনো সম্ভব নয়। তবে আজকে 'অদ্ভুত দশ'-এর এই ভিডিওটিতে এইসব রহস্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। তো চলুন, শুরু করা যাক!

১. সাহারার সবুজ অতীত: এক হারিয়ে যাওয়া বনভূমি

বন্ধুরা, সাহারা মরুভূমির সম্পর্কে সব থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য এটাই যে, সাহারা মরুভূমি কিন্তু আগে এরকম ছিল না। একটা সময় সাহারার চারিদিকে এতটাই সবুজে ঘেরা ছিল যে, বর্তমান সময়ের অ্যামাজন ফরেস্টও সেই সময়কার সাহারার সামনে হার মেনে যেত। এখন আপনারা নিশ্চয়ই ভাবছেন যে, একসময় যে জায়গা চারিদিক সবুজে ঘেরা ছিল, সেই জায়গার এরকম পরিণতি হলো কী করে? এর উত্তর জানবার জন্য আমাদের ৫০০০ থেকে ১১০০০ বছর পেছনে যেতে হবে।

আর এটা সেই সময় ছিল যখন আইস এজের (Ice Age) বরফ ধীরে ধীরে শেষ হচ্ছিল। তার সাথেই শেষ হতে শুরু করেছিল সাহারা মরুভূমির সবুজতা। সাহারার সবুজে ঘেরা বনভূমি তখন শুকিয়ে যেতে শুরু করেছিল। সাহারায় উঁচু উঁচু গাছের পরিবর্তে ছোট ছোট ঘাস জন্মাতে শুরু করেছিল। এছাড়াও কিছু কিছু প্রাণী যেমন হরিণ, হাতি, যাদের জন্য এই ধরনের পরিবেশ উপযুক্ত, তাদের সংখ্যা এখানে বাড়তে শুরু করে। আর প্রায় ৮০০০ বছর পূর্বে এই প্রক্রিয়াটা আরও বেশি দ্রুত হয়ে যায়।

পৃথিবীর টিল্ট (Tilt) অর্থাৎ পৃথিবীর যে কোণে হেলে আছে, সেটা বদলাতে শুরু করে। আর এর কারণে স্বাভাবিকভাবেই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল অনেকাংশে পাল্টে গিয়েছিল। যখন এই পৃথিবীর হেলে থাকার কোণ কিছুটা কমে যায়, তখন দক্ষিণ গোলার্ধের উপর পড়া সোলার রেডিয়েশন (Solar Radiation) আরও বেশি বেড়ে যায়, যার ফলে সেখানে সবুজের সংখ্যা আরও কমে যায়। এই সোলার রেডিয়েশনের কারণে আফ্রিকার ঋতুতেও অনেক পরিবর্তন দেখা দিতে শুরু করেছিল। ভূপৃষ্ঠ এবং সমুদ্রের উপর বয়ে চলা বাতাসের গতিও ধীরে ধীরে পাল্টে যাচ্ছিল। কারণ সাহারা তিনদিক থেকেই সমুদ্রের দ্বারা ঘেরা। এই কারণেই সাহারার উপরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়, যে কারণে সমস্ত আর্দ্রতা কমে যেতে শুরু করে। তবে এই সামুদ্রিক বাতাসের কারণেই সবথেকে বেশি সুবিধা হয় সমুদ্রের ধারে থাকা অ্যামাজন ফরেস্টের। সাহারা মরুভূমির উপর থেকে যখন দ্রুত গতিতে বাতাস সমুদ্রের উপর দিয়ে যেত, তখন নিজের সাথে আর্দ্রতাও বয়ে নিয়ে যেত। আর যেহেতু এই বাতাসে আর্দ্রতা থাকতো, সেই জন্য সেটা জঙ্গলকে প্রসারিত করতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছিল। অ্যামাজন দীর্ঘ সময় ধরে এই সামুদ্রিক বাতাস পেয়েছিল, যার ফলে অ্যামাজন জঙ্গল আরও প্রসারিত হয়েছিল। আর বর্তমানে এই অ্যামাজন কতটা বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে আছে, সেটা তো আপনারা সবাই জানেন। অন্যদিকে, ১১০০০ বছর আগে বরফের যুগ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে সাহারা মরুভূমিতে আর্দ্রতা আগে থেকে কমে গিয়েছিল। আর ৩০০০ বছর পরে পৃথিবীর হেলে থাকার কোণ সাহারাকে আরও শুষ্ক করে তুলেছিল, আর যার ফলেই আজ এটি একটি জনশূন্য মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে।

যাই হোক, সাহারা মরুভূমিতে অতীতে কিন্তু জনবসতি শুরু হয়েছিল। কারণ সাহারা মরুভূমিতে কোনো ঘন জঙ্গল ছিল না, যার ফলে সেখানে ভয়ানক বন্যপ্রাণীর কোনো ভয় ছিল না। বরং সাহারাতে সেই সময় ছোট ছোট ঘাসের মাঠ এবং মরুভূমির উদ্ভিদই দেখতে পাওয়া যেত। সেই জন্য ছাগল এবং মহিষ পালনকারী কিছু মানুষ সাহারাতে থাকতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে এখানে মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে, আর এইভাবেই সাহারার একটি নিজস্ব সভ্যতা (Civilization) তৈরি হয়।

২. সাহারা কি আবার সবুজ হবে?

এখন হয়তো আপনাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে যে, সাহারা কি পুনরায় এখনো আগের মতো সবুজ হতে পারবে? এর উত্তর হলো হ্যাঁ। সাহারা পুনরায় ঘন জঙ্গলে বদলে যেতে পারে। সাহারার মরুভূমিতে এইসব পরিবর্তন দেখা দিয়েছিল পৃথিবীর অরবিটাল পরিবর্তনের কারণে। আর পৃথিবীর এই অরবিটাল চেঞ্জ প্রত্যেক ৩০ হাজার বছর অন্তর পরিবর্তন হয়। এর মানে হলো, এমন একটা সময় আসবে, যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল কিছুটা এমন বদলে যাবে যে, সাহারা পুনরায় সবুজ হয়ে উঠবে। যদিও মানুষের কারণে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের আগে থেকেই অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে, তাই আমরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না যে, নতুন বায়ুমণ্ডল সাহারা মরুভূমির জন্য কতদিনে পারফেক্ট হবে।

৩. সাহারার লুকানো জীবাশ্ম: জলের অতীত

যাই হোক, আপনারা কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে, সাহারা মরুভূমিতে কি কখনো মাছ পাওয়া সম্ভব? আমি জানি যে, এই প্রশ্নটা ভীষণ অদ্ভুত। কারণ জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য জলের প্রয়োজন হয়। আর সাহারা মরুভূমিতে জলের সন্ধান পাওয়াটা ভীষণ কঠিন একটা ব্যাপার। তবে বিজ্ঞানীরা এই জলশূন্য মরুভূমিতে মাছ তো পাননি, তবে মাছের জীবাশ্ম (Fossils) অবশ্যই খুঁজে পেয়েছেন। আর এই জীবাশ্ম আমাদের মানব সভ্যতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই জীবাশ্ম অনেক প্রশ্নের অজানা উত্তর দিয়ে থাকে।

লিবিয়ার দক্ষিণ পশ্চিম অংশে বিজ্ঞানীরা এমন অনেক জীবাশ্ম পেয়েছেন, যা ৫০০০ বছরেরও বেশি পুরনো। আর্কিওলজিস্টরা অনেক পেন্টিংও খুঁজে পেয়েছেন, যেগুলো থেকে জানা যায় যে, গরম পরিবেশের কারণে ধীরে ধীরে কিভাবে সাহারা থেকে প্রাণীর সংখ্যা কমে যেতে শুরু করে। আর এই গরমের কারণে আস্তে আস্তে ভেড়া, মহিষ এবং বাকি গবাদি পশুর সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে। বেলজিয়ামের গবেষকরা ১৭০০০-এর থেকেও বেশি জীবাশ্ম খুঁজে বের করেছিলেন এই সাহারা থেকে। এইসব জীবাশ্ম অনেক প্রাচীন সময়ের ছিল, যা প্রায় ১০ হাজার বছর পুরনো, যখন মানুষ সবে সবে সাহারায় বসবাস শুরু করেছিল। এর মধ্যে ৯০ শতাংশর থেকেও বেশি জীবাশ্ম ছিল প্রাণীদের। কিন্তু যদি তুলনামূলকভাবে আধুনিক জীবাশ্মের কথা বলা হয়, যা প্রায় ৪৬৫০ থেকে ৫৯০০ বছর পুরনো, তাহলে তার মধ্যে জলজ প্রাণীর দেহ শুধুমাত্র ৪০ শতাংশ। এই ডেটা থেকে আপনারা খুব সহজেই অনুমান করতে পারবেন যে, সময়ের সাথে সাথে সাহারা মরুভূমিতে জলজ প্রাণীদের জীবন কতটা খারাপ ভাবে প্রবাহিত হয়েছিল।

৪. সাহারার উল্কাপিণ্ড: পৃথিবীর চেয়েও প্রাচীন!

বর্তমান সময়ে সাহারা মরুভূমিতে আপনারা কেবলমাত্র বালি আর বালি দেখতে পাবেন। কিন্তু কিছু কিছু সময় বিজ্ঞানীরা এখানে অনেক অদ্ভুত জিনিসের সন্ধান পেয়েছেন। একটা সময় আলজেরিয়ার বিজ্ঞানীরা এমন কিছু পেয়েছিলেন, যেটা পৃথিবী থেকেও অনেক বেশি পুরোনো ছিল। আসলে আমি একটি উল্কাপিণ্ডের (Meteorite) কথা বলছি। বিজ্ঞানীদের মতে, এই উল্কাপিণ্ডের বয়স ছিল ৪.৫৬ বিলিয়ন বছর, যেটা আমাদের পৃথিবীর থেকেও বেশি পুরোনো। কারণ আমাদের পৃথিবীর বয়স ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর। আর এই উল্কাটির নাম 'এর্গি চেক ০ ০ ২' (Erg Chech 002)।

আসলে এই উল্কাটি আমাদের গ্যালাক্সির বাইরের কোনো প্রোটো-প্ল্যানেটের (Proto-planet) টুকরো, যা নক্ষত্রের চারিদিকে ঘুরতে থাকা ডিস্কে (Disk) ছিল, যা পরে গিয়ে একটি গ্রহের নির্মাণ করে। আর এইভাবে আমাদের সোলার সিস্টেমের নির্মাণ হয়েছিল। ঠিক যেমন আমাদের সূর্যের চারিপাশে প্রোটো-প্ল্যানেটগুলি সময়ের সাথে সাথে গ্রহের নির্মাণ করে এবং আমাদের সোলার সিস্টেমকে তৈরি করে। এই প্রোটো-প্ল্যানেটেড ডিস্কে পাথর এবং ধুলোর ছোট ছোট পার্টিক্যাল এবং গ্যাস উপস্থিত থাকে, যেগুলি মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে একে অপরের সাথে জুড়ে পাথরের নির্মাণ করে। আর এইভাবেই বড় বড় পাথরগুলি একসাথে হয়ে গ্রহ, চাঁদ এবং উল্কাপিণ্ডের নির্মাণ হয়।

যাইহোক, এই উল্কাপিণ্ডটি যে লাভা দিয়ে তৈরি হয়েছিল, তার তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১২২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর এই লাভাটি ঠাণ্ডা হয়ে পাথরে পরিণত হতে ১০ হাজার বছরের থেকেও বেশি সময় লেগেছিল। আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনো অংশে আমরা 'এর্গি চেক ০ ০ ২'-এর মতন কোনো উল্কাপিণ্ড খুঁজে পাইনি। এর থেকেও বোঝা যায়, আমাদের এই খোঁজটা কতটা বিশেষ এবং দুর্লভ। যে ধরনের পাথরের সাহায্যে এই উল্কাপিণ্ডটি তৈরি হয়েছে, তাকে 'অ্যানর্থোসাইট' (Anorthosite) বলে। আর এই অ্যানর্থোসাইট তখনই পাথরে পরিণত হয়, যখন সময়ের কারণে লাভা ঠান্ডা হয়ে জমাট বেঁধে যায়। পৃথিবীতে এই ধরনের পাথর সাবডাকশন জোনেই (Subduction Zone) কেবলমাত্র পাওয়া যায়। যখন পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেট মুভ করে এবং আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তখন মহাকাশে অ্যানর্থোসাইট পাথরে যাওয়াটা বলতে গেলে অসম্ভব ব্যাপার। তবে প্রশ্ন হলো, এই উল্কাটি তাহলে কী করে আমাদের পৃথিবীতে আসলো? এলিয়েন কি অতীতে আমাদের পৃথিবীতে এসেছিল এবং এই উল্কাপিণ্ডটিকে রেখে গিয়েছিল? আপনার কী মতামত, অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

৫. সাহারার রহস্যময় পাথরের কাঠামো (Mysterious Stone Structures)

আমি নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি যে, আপনারা স্টোনহেঞ্জের (Stonehenge) নামটা শুনেছেন, যেটা পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে একটি। আর শুধু এটি পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যই নয়, এটি আমাদের কাছে একটি রহস্য। ঠিক তেমনই সাহারা মরুভূমিতেও পাথরের তৈরি এমনও স্ট্রাকচার দেখা গেছে, যা ভীষণ রহস্যময়। যদি আপনারা সাহারা মরুভূমিতে উপস্থিত তৈরি এই স্ট্রাকচারগুলোকে দেখেন, তাহলে আপনাদের মনে হবে যে, এগুলো মানুষের দ্বারা সৃষ্ট। আর এমনটা মনে হওয়ার কারণ, এর মধ্যে বেশ কিছু স্ট্রাকচার এত নিখুঁত ডিজাইনে করা হয়েছে যে, আপনাদের মনেই হবে না যে, এগুলো প্রকৃতির সৃষ্টি। তবে এমনটাও হতে পারে যে, এর মধ্যে কোনো স্ট্রাকচার প্রাচীনকালে মানুষের দ্বারাই তৈরি।

আর এখনো পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেননি যে, এই স্ট্রাকচারগুলো কত হাজার বছর পুরোনো। যদি এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারে, তবে নিশ্চয়ই এটা ধারণা করতে পারা যাবে। এই স্ট্রাকচারগুলির মধ্যে বেশিরভাগ স্ট্রাকচারই পশ্চিম সাহারাতে রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কিছু কিছুর গঠন গোলাকার, আবার কিছু কিছু একেবারে স্ট্রেট লাইনের মতো। আবার কিছু স্ট্রাকচার রয়েছে, যেগুলো রেকটাঙ্গেল আকৃতির। কিন্তু কিছু কিছু স্ট্রাকচার তো এই সমস্ত আকৃতির মেলবন্ধন। যেমন, সাহারা মরুভূমিতে ৬৩০ মিটার লম্বা একটি পাথরের স্ট্রাকচারে আপনারা গোলাকার এবং সোজা লাইনে তৈরি পাথর একটি রেকটাঙ্গেল প্ল্যাটফর্মের উপর রাখা অবস্থায় দেখতে পাবেন।

কিছু কিছু স্ট্রাকচার মানুষের দ্বারাই নির্মিত, সেই জায়গায় লোকেশন মার্ক করার জন্য। যদি আজ আমাদের কোনো জায়গা মার্ক করতে হয়, তাহলে আমরা হয়তো এই ধরনের সাইন বোর্ড ব্যবহার করব। কিন্তু আজ থেকে হাজার হাজার বছর পূর্বে মানুষ এই স্ট্রাকচার কোনো রাজার কবর মার্ক করবার জন্য অথবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ জায়গা চিহ্নিত করবার জন্য ব্যবহার করতো। যদিও প্রত্নতাত্ত্বিকেরা আজও এই স্ট্রাকচারের একদম সঠিক মানে বলতে পারেননি। তবে বিজ্ঞানীরা এখনো পর্যন্ত সাহারার মাটি এবং তার ভেতর থাকা খনিজের ওপর গবেষণা করে চলেছেন, কারণ আজও মানুষ বিশ্বাস করে, সাহারা মরুভূমির ভেতরে অনেক রহস্য চাপা পড়ে আছে। হয়তো ভবিষ্যতে আমরা এই সকল রহস্য উন্মোচন করতে সফল হতে পারব।

উপসংহার

আপনাদের কী মতামত, অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আর যদি আপনারা সিনেমার ব্যাখ্যা দেখতে পছন্দ করেন, তাহলে আমাদের নতুন চ্যানেল 'বং মুভি ডায়েরি' চ্যানেলটিতে ভিজিট করতে পারেন।

কীওয়ার্ডস: সাহারা মরুভূমি, সাহারার রহস্য, সবুজ সাহারা, মরুভূমির অতীত, উল্কাপিণ্ড, এর্গি চেক ০ ০ ২, অ্যানর্থোসাইট, পাথরের কাঠামো, স্টোনহেঞ্জ, পৃথিবীর মানচিত্র পরিবর্তন, জিওলজি, টেকটোনিক প্লেট, অজানা রহস্য, প্রাচীন সভ্যতা, প্রাকৃতিক ঘটনা, বিজ্ঞান, গবেষণা, মরুভূমির জীবন, জীবাশ্ম, প্রোটো-প্ল্যানেট।

নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال