থাম লুয়াং গুহা উদ্ধার অভিযান: যে গল্পে কেঁদেছিল গোটা বিশ্ব!
হেই বন্ধুরা, দিনটা ছিল ২০১৮ সালের ২৩শে জুন। থাইল্যান্ডের একটি স্কুলের ফুটবল টিমের ১২ জন খেলোয়াড় এবং তাদের কোচ প্র্যাকটিস করবার পর তাদের একজন বন্ধুর জন্মদিন পালন করবার কথা চিন্তা করে। আর এই জন্মদিন পালন করবার জন্য তারা থাইল্যান্ডের চিয়াং রাই (Chiang Rai) নামের একটি গ্রামে থাকা থাম লুয়াং গুহাকে (Tham Luang Cave) নির্বাচন করে। গ্রামের সুন্দর ফসলে ভরা জমির মাঝখান দিয়ে সব বাচ্চারা ওই গুহার সামনে পৌঁছে যায়। কিছু অ্যাডভেঞ্চার করবার ইচ্ছা এবং প্রকৃতির উপর ভালোবাসা তাদের গুহাতে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে আনে। নতুন কিছু এক্সপ্লোর করবার জেদে ওই বাচ্চাগুলো বুঝতেই পারেনি যে, কখন তারা ওই গুহার ৬ কিলোমিটারেরও বেশি ভেতরে প্রবেশ করে গিয়েছে। বাচ্চাগুলো যত ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিল, ততই চারিদিকে অন্ধকার বেড়ে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, গুহার বাইরের আবহাওয়া হুট করে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছিল এবং দেখতে দেখতে বাইরে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়।
কিন্তু বাইরের আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে তারা যে কোনো বিপদের সম্মুখীন, তাদের নিয়ে বিশ্বব্যাপী সব জায়গায় খবর হয়েছিল। আমি জানি আপনারা এই সম্বন্ধে শুনেছেন, কিন্তু এই বাচ্চাগুলোর সাথে কী হয়েছিল শেষ অব্দি, সেটাই আজকে আপনাদের 'অদ্ভুত দশ'-এর এই ভিডিওটিতে বিস্তারিত জানাবো। তাই চলুন, শুরু করা যাক!
১. গুহার ভেতরে আটকে পড়া: বৃষ্টির জল ও আতঙ্ক
ঘন অন্ধকার এবং অনেকটা সময় কেটে যাওয়ার পর বাচ্চাগুলো মনে করে, এবার তাদের এই গুহা থেকে বেরিয়ে যাওয়া দরকার। কিন্তু যখনই তারা ওই গুহা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আসে, তখন তারা এক দৃশ্য দেখতে পায়, যেটা তারা কল্পনাও করতে পারেনি। আসলে তারা গুহার ভেতর থেকে যে রাস্তা দিয়ে বাইরের দিকে আসছিল, সেই রাস্তায় হঠাৎ করে তাদের সামনে প্রচুর জল চলে আসে, যেটা বাইরে হওয়া প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে এক বিশাল রূপ নিতে চলেছিল। জলের এই বিশাল রূপ দেখে প্রতিটা বাচ্চা খুব আতঙ্কিত হয়ে যায় এবং কাঁদতে শুরু করে দেয়।
এমন ভয়াবহ সময়ে তাদের কোচ নিজের সাহস দেখায় এবং সব বাচ্চাদের 'সব ভালো হবে' - এটা বুঝিয়ে শান্ত করে যে, তারা সবাই খুব তাড়াতাড়ি এই গুহা থেকে বাইরে বেরোনোর রাস্তা বের করে নেবে। কিন্তু এবার সমস্যা এটা ছিল যে, গুহার ভেতর বৃষ্টির কারণে বেড়ে যাওয়া জলের হাত থেকে নিজেদেরকে কিভাবে বাঁচাবে তারা। এটার জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল কিছুটা উঁচু এবং সুরক্ষিত জায়গা, যেখানে বৃষ্টির জল পৌঁছাতে না পারে। ঠিক সেই সময় তারা একটি উঁচু এবং সুরক্ষিত জায়গা খুঁজে পায়, যেখানে থেকে তারা নিজেদেরকে অন্তত কোনো রকম ভাবে কিছুটা সময় সুরক্ষিত রাখতে পারবে। এবার সেখান থেকে তারা গুহার ভেতরে থাকা জলের পরিমাণ কমার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে, যাতে তারা দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। কিন্তু জলের এই পরিমাণ কমার বদলে ধীরে ধীরে বেড়েই যাচ্ছিল। দেখতে দেখতে এই অপেক্ষার সময় দিনে পরিণত হয়ে যাচ্ছিল।
২. নিখোঁজ সংবাদ ও বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ
অন্যদিকে, ওইসব বাচ্চাদের মা-বাবা তাদের বাড়ি না ফেরার কারণে খুঁজতে শুরু করে। কিন্তু বহু খোঁজাখুঁজির পরেও তাদের কোনো রকম খোঁজ পাওয়া যায়নি। কিন্তু সেই সময় হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাগুলোর একটি বন্ধু, যে সৌভাগ্যবশত সেদিন তাদের সঙ্গে যায়নি, সে সবাইকে তাদের ওই পাহাড়ে যাওয়ার প্ল্যানের সম্পর্কে বলে। এই কথা শোনার পরে প্রত্যেকের বাবা-মা সঙ্গে সঙ্গে ওই গুহার সামনে পৌঁছায় এবং গুহার বাইরে থাকা সাইকেলগুলোকে দেখে বুঝে যায় যে, তাদের বাচ্চা ওই গুহার মধ্যে কোথাও আটকে রয়েছে। কিন্তু সেই গুহার মধ্যে থেকে বের হতে না পারার ভয়ে তাদের মনে একটাই ভয় ছিল যে, সময় নষ্ট না করে সেখানকার প্রশাসনকে এই খবরটা সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হয়।
অপরদিকে, বহু সময় কেটে যাওয়ার পর বাচ্চারা খুব ক্ষুধার্ত হয়ে পড়ে এবং মানসিকভাবে হতাশ হতে থাকে। এমন সময় তাদের কোচ আবারো নিজের সাহস দেখায় এবং বাচ্চাদের বলে যে, খাবার ছাড়া মানুষ বহুদিন বেঁচে থাকতে পারে, কিন্তু জল ছাড়া বেশিদিন বাঁচা সম্ভব নয়। আর ভাগ্যবশত তাদের কাছে জলের কোনো কমতি ছিল না। এইভাবেই তাদের কোচ তাদের মনে বারবার সাহস যোগাচ্ছিল এবং বাচ্চাদেরকে মেডিটেড করাচ্ছিল, যাতে অক্সিজেনের অভাব এবং ক্ষুধার্ত থাকার কারণে তাদের ইমিউনিটি শক্তিতে কোনো প্রভাব না পড়ে। দেখতে দেখতে ঘণ্টা দিনে এবং দিন সপ্তাহে পরিণত হয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু ওখান থেকে বাইরে বেরোনোর কোনো আশা তারা পাচ্ছিল না।
এদিকে, পুরো পৃথিবীতে এই খবর ছড়িয়ে গিয়েছিল। এমন সময় ওই বাচ্চাগুলোকে সাহায্য করবার জন্য নানান দেশ থেকে যেমন আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইজরায়েলের মতন দেশের স্কুবা ড্রাইভারদের এক্সপার্ট টিম থাইল্যান্ডে চলে এসেছিল। অন্যদিকে, প্রশাসনও কয়েক লক্ষ লিটার জল মেশিনের মাধ্যমে গুহা থেকে বাইরে বের করে ফেলেছিল, যাতে ভেতরে যাওয়ার জন্য কোনো রাস্তা বানানো যেতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কোনো রাস্তা বের করা যায়নি, কারণ জলের গতিবেগ অনেক বেশি ছিল এবং মাটিও খুব কাদা কাদা হয়ে গিয়েছিল, যে কারণে ড্রাইভাররা ভেতরে পৌঁছাতে পারছিল না। তবুও তারা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছিল ভেতরে পৌঁছানোর জন্য। অন্যদিকে, জলের গতিবেগ কমানোর জন্য ভূ-বৈজ্ঞানিকদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছিল। এবং এই সহযোগিতার কারণে খোঁজ নেওয়া হয় গুহার ভেতরে জল যাওয়ার কতগুলো রাস্তা রয়েছে। তারপর সেগুলোকে তাড়াতাড়ি খুঁজে বার করে সেই জল প্রবেশ করার রাস্তাগুলোর সামনে ছোট ছোট বাঁধ নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কারণ যদি এমনটা না করা হয়, তবে গুহার ভেতরে জলের পরিমাণ এরকম ভাবেই দিন দিন বেড়ে যেত, যার ফলে ভেতরে আটকে থাকা বাচ্চাগুলোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের খুঁজতে যাওয়া স্কুবা ড্রাইভারদেরও জীবনের ঝুঁকি ছিল।
৩. উদ্ধার অভিযান: আশা ও চ্যালেঞ্জ
তাদের এই সিদ্ধান্ত শেষমেষ সফল হয়। তারা বাঁধ নির্মাণ করতে সক্ষম হয় এবং এইভাবে ধীরে ধীরে গুহার ভেতরে জলের স্তর কমতে শুরু করে। এদিকে, স্কুবা ড্রাইভাররা নানান অসুবিধার সম্মুখীন হয়েও সামনের দিকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল। কিছুটা দূর এগিয়ে যাওয়ার পর একজন ব্রিটিশ স্কুবা ড্রাইভার হঠাৎ করে মানুষের গন্ধের আভাস পায়। এবার স্কুবা ড্রাইভারদের মনেও একটু আশার আলো জাগে যে, হয়তো বাচ্চারা এর আশেপাশেই আছে। ঠিক তার খোঁজাখুঁজি করার পরেই ওই তেরো জন লোককে স্কুবা ড্রাইভারদের টিম প্রায় ৯ দিন পর একটি উঁচু পাথরের উপর মেডিটেড করা অবস্থায় খুঁজে পায়। আর এই জায়গাটি ছিল গুহার প্রবেশপথ থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার ভেতরে।
বাচ্চাগুলো ড্রাইভারদের দেখে এত খুশি হয়েছিল যে, তাদের খুশির কোনো কিনারা ছিল না। সর্বপ্রথমে তাদেরকে খাদ্যের জন্য কিছু দেওয়া হয়, কারণ প্রায় ৯ দিন তারা শুধু জল খেয়ে খুবই ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। এবার যেহেতু গুহার ভেতর ওই বাচ্চাগুলো ছাড়াও আরও অনেক স্কুবা ড্রাইভার সেখানে ছিল, সে কারণে সেখানে অক্সিজেন লেভেল আরও কমে যায়। এই কারণে অক্সিজেনের মাত্রা বজায় রাখবার জন্য দ্রুত গুহার বাইরে থেকে পাইপের মাধ্যমে ২০০ অক্সিজেনের সিলিন্ডারের মাধ্যমে অক্সিজেনকে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়, যাতে সবাই পর্যাপ্ত অক্সিজেন পেতে পারে। এবং বাচ্চাদের কাছে ইমার্জেন্সির জন্য একজন ডাক্তারকেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু এবার উদ্ধারকারীরা সব থেকে কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হয় যে, এই বাচ্চাগুলোকে কী করে বাইরে বের করা হবে? এর জন্য তারা তিনটি অপশনকে ধার্য করে। প্রথম অপশনটি ছিল বাচ্চাদেরকে স্কুবা গিয়ারের মাধ্যমে সাঁতার কাটা শেখানো হবে, যেটা কোনোভাবেই সেই সময় সম্ভব ছিল না। কারণ বাচ্চাদের শরীরে অত এনার্জি ছিল না যে, তারা ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত সাঁতার কাটতে পারবে। এই কারণের জন্য এই অপশনটাকে বাতিল করা হয়। দ্বিতীয় বিকল্পটি ছিল যে, বাচ্চাদেরকে ড্রাইভারদের মাধ্যমে টেনে বার করা হবে। কিন্তু একজন একা ড্রাইভারের পক্ষে ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত কাউকে টেনে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। এবং এটা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ একটি কাজ ছিল। তাই এটাকেও বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। আর তৃতীয় বিকল্পটি ছিল যে, বাচ্চাদেরকে ওখানে তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসের মাধ্যমে রেখে দেওয়া হবে, যতক্ষণ না আবহাওয়া সঠিক হচ্ছে এবং গুহার ভেতরে জলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। কিন্তু এই বিকল্পটাও কাজে দেয়নি। কারণ এতো লম্বা সময়ের জন্য বাচ্চাদেরকে এর ভেতরে রাখা সঠিক হতো না। যে কারণে বাচ্চাদেরকে বাইরে বের করবার জন্য অন্য কোনো উপায় খুঁজে বার করবার প্রয়াস শুরু করে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ইজরায়েল এবং সিল ল্যাবের (Sealab) মাধ্যমে গুহার ভেতরে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল (Fiber Optical Cable) ইন্সটল করা হয়, যাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাচ্চারা তাদের ফ্যামিলির সঙ্গে কমিউনিকেট করতে পারে। এইসব হওয়ার পর শেষমেষ এটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, বাচ্চাদেরকে অজ্ঞান করে বাইরে নিয়ে আসা হবে। কারণ বাচ্চাগুলি সাঁতার কাটবার জন্য সক্ষম ছিল না। এক একটি বাচ্চাকে বাইরে নিয়ে আসার জন্য দুইজন ড্রাইভারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই প্ল্যানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, বাচ্চাদেরকে একটি ফ্লোটিং কিটের (Floating Kit) উপর মুড়ে নেওয়া হবে। এতে বাচ্চাগুলো অজ্ঞান অবস্থায় শ্বাস নিতে পারবে। এবং এই কিটটির সামনের অংশ প্রথম স্কুবা ড্রাইভারের কাছে থাকবে, আর অন্যদিকে পেছনের দিকের অংশ দ্বিতীয় স্কুবা ড্রাইভারের কাছে থাকবে।
৪. সফল উদ্ধার ও এক বীরের আত্মত্যাগ
এই প্ল্যানের অনুমতি পাওয়ার পর প্রথম ধাপে চারটি বাচ্চার উপর অ্যানাস্থেসিয়া (Anesthesia) প্রয়োগ করা হয় এবং অক্সিজেন মাস্ক পরিয়ে ফ্লোটিং কিটে মুড়ে ফেলা হয়। এবার স্কুবা ড্রাইভারদের হাতে ছিল অনেক বড় দায়িত্ব, কারণ ফ্লোটিং কিটে মোড়ানো বাচ্চা এবং ৪ কিলোমিটার সাঁতার কাটার সময় যদি কোনো রকম ভুল ত্রুটি হয়, তবে আরেক বিশাল বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু স্কুবা ড্রাইভাররা সাবধানতা বজায় রেখে ২০১৮ সালের ৮ই জুলাই বিকালে ৭টা ৫৫ মিনিটে প্রথম ধাপের চারটি বাচ্চাকে সঠিকভাবে বাইরে নিয়ে আসে। তারপরের দিন ঠিক একই রকম ভাবে পরের চারজন বাচ্চাকে সঠিকভাবে বাইরে নিয়ে আসা হয়। ১০ই জুলাই ২০১৮, এটা সেই দিন ছিল, যেই দিন ৬টা ৪৮ মিনিটে প্রত্যেকটি বাচ্চাকে এবং তাদের কোচকে সঠিকভাবে বাইরে নিয়ে এসে নতুন এক ইতিহাস গড়া হয়েছিল।
প্রায় ১৮ দিন আটকে থাকার পর বাচ্চাদের সঠিকভাবে বাইরে বের করা কোনো সহজ কাজ ছিল না। কিন্তু এই পুরো ঘটনাচক্রে একজন সাহসী নেভি ড্রাইভার বাচ্চাদের উদ্ধার করবার সময় নিজের জীবনের যুদ্ধে হেরে যায়। গুহা থেকে বাচ্চাদের বের করবার সঙ্গে সঙ্গে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তাদের অনেকদিন ধরে অবজারভেশনে রাখা হয়, যাতে এদের শরীরে যদি কোনো রকম রোগ বাসা বাঁধে বা এতদিন গুহার ভেতরে আটকে থাকার কারণে তাদের শরীরের কিছু কমতি দেখতে পাওয়া যায়, তবে সেটা সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা করা যাবে। প্রায় ১০ দিন হসপিটালে অ্যাডমিট থাকার পর সকল বাচ্চাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই রেসকিউ অপারেশনে নিজের জীবন দিয়ে যাওয়ার জন্য সেই এক্স-নেভি স্কুবা ড্রাইভারকে ট্রিবিউট করবার জন্য তার ব্রোঞ্জের স্ট্যাচু ওই গুহার বাইরে রাখা হয়েছে, যিনি নিজের জীবন দান করে ১৩ জন লোককে এক নতুন জীবন দিয়ে গিয়েছিল। এবং স্যালুট সেই সব স্কুবা ড্রাইভারদের, যারা এতদিন নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েও হার না মেনে ওই ১৩ জন লোককে সঠিকভাবে বাইরে নিয়ে এসেছিল।
উপসংহার
আজকের পোস্টটি এইটুকুই। আশা করি ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে, তবে লাইক করবেন, কমেন্ট করবেন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ারও করবেন। পাশাপাশি 'অদ্ভুত দশ' চ্যানেলে নতুন হলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন, এরকম ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে। পুরোনো 'অদ্ভুত দশ' বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এটিই আসল 'অদ্ভুত দশ' চ্যানেল, বাকি সব 'অদ্ভুত দশ' চ্যানেল ফেক।
কীওয়ার্ডস: থাম লুয়াং গুহা, থাইল্যান্ড উদ্ধার অভিযান, থাই গুহা উদ্ধার, ওয়াইল্ড বোয়ারস ফুটবল টিম, গুহায় আটকে পড়া, স্কুবা ড্রাইভার, আন্তর্জাতিক উদ্ধার অভিযান, গুহা বন্যা, থাইল্যান্ডের ফুটবল দল, সাহসী উদ্ধারকারী, গুহার রহস্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মানব সংহতি, উদ্ধার কৌশল, নেভি সিলস, থাইল্যান্ডের গুহা।
