গভীর সমুদ্রের অজানা রহস্য: ডিপ সি ড্রাইভারদের অবাক করা আবিষ্কার!
বন্ধুরা, আপনারা হয়তো এইটা জানেন না যে, মিশরের শহর আলেকজান্দ্রিয়া থেকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার দূরে, ঠিক এই জায়গায় সমুদ্রের একদম তলা থেকে ডিপ সি ওয়াটার ড্রাইভাররা এমন কিছু খুঁজে পায়, যেটা আপনারা কোনোদিনও দেখেননি। আপনাদের সকলকে সুস্বাগতম 'অদ্ভুত দশ'-এর এক ইন্টারেস্টিং ভিডিওতে। এটা তো আমরা সবাই জানি যে, পৃথিবীর ৭০ ভাগ জলে পরিপূর্ণ। এখনো পর্যন্ত এর মধ্যে আমরা ৫ শতাংশই এক্সপ্লোর করতে পেরেছি। গভীর সমুদ্রে এখনো এমন কিছু জিনিস লুকিয়ে রয়েছে, যেগুলো আজ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ নিজের চোখে দেখেইনি। আর এগুলোর মধ্যে এমন কিছু রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, যেগুলো কয়েক হাজার বছর আগে মানুষেরা লুকিয়ে রেখে গেছে। প্রতিনিয়ত ডিপ সি ড্রাইভাররা নতুন কিছু ডিসকভারি করেই চলেছে, কিন্তু আমাদের পক্ষে সেগুলো জানা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই 'অদ্ভুত দশ'-এ আজ ডিপ সি ড্রাইভারদের দ্বারা খুঁজে পাওয়া কিছু অবাক করার মতো জিনিস সম্বন্ধে আলোচনা করব।
তো চলুন, শুরু করা যাক!
১. আন্ডারওয়াটার রিভার (Underwater River): জলের নিচে আর এক জলধারা!
আপনাদেরকে যদি বলি যে, একটি সমুদ্রের নিচে একটি নদী রয়েছে, তাহলে কি আপনি বিশ্বাস করবেন? হ্যাঁ, এটা সত্যি। মেক্সিকোর ইউকাটান পেনিনসুলার (Yucatán Peninsula) সিনোটে অ্যাঞ্জেলিটা (Cenote Angelita) নামক স্থানে স্কুবা ড্রাইভাররা সমুদ্রতল থেকে এমন একটি জায়গা খুঁজে বের করেছেন, যেখানে জলের মধ্যে একটি নদী প্রবাহিত হতে দেখা যায়। সমুদ্রের মধ্যে তৈরি হওয়া এই নদী আসলে হাইড্রোজেন সালফাইডের (Hydrogen Sulfide) একটি মোটা আস্তরণের জন্য তৈরি হয়েছে। এই জায়গাটিকে 'সেনোটে অ্যাঞ্জেলিটা'ও বলা হয়। স্কুবা ড্রাইভারদের মতে, উপর থেকে দেখলে এই জায়গাটিকে সাধারণ বলেই মনে হয়। কিন্তু প্রায় ৩০ মিটার নিচে যাওয়ার পর থেকে যে দৃশ্য চোখের সামনে আসে, সেটা বিশ্বাস করা খুবই মুশকিল।
২. জায়ান্ট আই বল (Giant Eyeball): রহস্যময় বিশাল চোখ!
আমেরিকার ফ্লোরিডার সি বিচ খুবই জনপ্রিয়, কারণ এখানে জলের সঙ্গে সঙ্গে সি সেলও (Seashell) দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু ২০১২ সালের অক্টোবরে, পম্পানো বিচে (Pompano Beach) একদিন জলের সঙ্গে একটি বিশাল বড় চোখ ভেসে আসে, যেটার আয়তন আমাদের দুটো হাতের সমান। এটা দেখে সেখানকার লোকেরা প্রথমে মনে করেছিল, হয়তো এটা কোনো সামুদ্রিক রাক্ষসের চোখ। তারা ধারণা করছিল এটা যে রাক্ষসের চোখ, সে হয়তো বিচের আশেপাশেই ঘোরাঘুরি করছে এবং যেকোনো সময় বিচের উপর উঠে আসতে পারে। এই কারণে ধীরে ধীরে লোকেরা বিচে আসা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু যখন এই চোখ ওয়াইল্ডলাইফ ডিপার্টমেন্টের (Wildlife Department) কাছে যায়, তখন বিজ্ঞানীরা নানারকম পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানায় যে, এটি কোনো রাক্ষসের চোখ নয়, বরং একটি সাধারণ সোর্ডফিশের (Swordfish) চোখ, যাকে হয়তো কোনো মানুষ ধরে তার চোখ বের করে সমুদ্রে ফেলে দেয়।
৩. দ্য লস্ট সিটি (The Lost City): সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যাওয়া শহর
মিশরের শহর আলেকজান্দ্রিয়া থেকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার দূরে, ডিপ সি ড্রাইভাররা সমুদ্রের তলা থেকে এমন কিছু খুঁজে পায়, যেটা সাধারণ কিছু ছিল না। যখন এই জায়গাটির কথা ফ্রেঞ্চ আর্কিওলজিস্ট ফ্রাঙ্ক গডিওর (Franck Goddio) কাছে পৌঁছায়, তখন তিনি এই জায়গার পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। বহুদিন পর্যবেক্ষণ করবার পর এই জায়গা থেকে ৬৪টি জাহাজ, ৬৭টি নোঙর, সোনায় ভর্তি হয়ে থাকা গুপ্তধন, ১৬ ফুট উঁচু নানান মূর্তি এবং ছোট ছোট পাথর পাওয়া যায়, যেগুলির উপর অদ্ভুত আকৃতি দিয়ে কিছু লেখা ছিল। এই সকল জিনিসগুলি সমুদ্রের তলায় বহু কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। পরে জানা যায়, এই জায়গায় ২৩০০ বছর আগে মিশরের একটি বড় শহর ছিল, যেটা হয়তো মিশরের মূল শহর ছিল। এই পুরো শহরটিকে 'হেরাক্লিয়ন' (Heracleion) নামে জানা যায়। কিন্তু এতো বছর পুরনো এই শহর কী কারণে এরকম ভাবে হারিয়ে গেল, এর উত্তর এখনো পর্যন্ত কারো কাছে নেই।
৪. জায়ান্ট ওআরফিশ (Giant Oarfish): ভূমিকম্পের সংকেত?
সমুদ্রের প্রায় এক কিলোমিটার নিচে এমন এক জাতের মাছ বসবাস করে, যে মাছগুলোকে দেখা জাপান দেশের লোকেরা খুবই খারাপ বলে মনে করে। এই বিশাল মাছটিকে 'জায়ান্ট ওআরফিশ' (Giant Oarfish) বলা হয়। সমুদ্রের এক কিলোমিটার নিচে থাকা এই মাছ ৫০ ফুটেরও বেশি লম্বা হতে পারে এবং এটাকে দেখলেই মনে হয় যেন এটা কোনো সামুদ্রিক সাপ। জাপানের লোককথার মতে, এই মাছ সমুদ্রে দেখতে পাওয়া মানে এটা নিশ্চয়ই কোনো পরিবেশ দুর্যোগের সংকেত। কিন্তু বৈজ্ঞানিকদের মতে, গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের (Global Warming) কারণে উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে এই মাছেরা সমুদ্রের তল থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। কোথাও না কোথাও এটাও পরিবেশের দুর্যোগেরই সিম্বল।
৫. স্কাল্পচার পার্ক (Sculpture Park): সমুদ্রের নিচের জাদুঘর
সমুদ্রের তলায় স্কুবা ড্রাইভিংয়ের (Scuba Diving) মাধ্যমে সামুদ্রিক জগৎ দেখবার ইচ্ছা সবারই থাকে। কিন্তু এই অ্যাডভেঞ্চার করবার সময় হঠাৎ করে যদি আপনার সামনে এই সকল মূর্তি চলে আসে, তখন কী রকম হবে? একটু ভেবে দেখুন তো! ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেন্ট জর্জেস (St. George's) শহরের কয়েক কিলোমিটার দূরের সমুদ্রের কিছুটা তলায় এই অ্যাডভেঞ্চার পার্ক দেখতে পাওয়া যায়। ২০০৬ সালে লঞ্চ করা এই পার্কের পেছনে একজন ভাস্কর্য তৈরি করার আর্টিস্টের হাত রয়েছে। কিন্তু এই পার্ক বানানোর পেছনে যে আসল কারণটা রয়েছে, সেটা যেকোনো মানুষের মন ভালো করে দেওয়ার মতোন।
সমুদ্রের মধ্যে চারিদিকে ছোট বড় পাথর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, যার মধ্যে ছোট মাছেরা বসবাস করে। কিন্তু যেই জায়গায় এইসব পাথর অবস্থিত থাকে না, সেই সব জায়গায় ছোট মাছেরা যাওয়া পছন্দ করে না। ৮০০ স্কয়ার ফিট জুড়ে পার্ক বানানোর আসল কারণ মাছদের জন্য থাকার জায়গার ব্যবস্থা করে দেওয়া। এই আর্টিস্টটি বলেন যে, এই পার্কটি বানানোর পরে কয়েক লক্ষ মাছ এই জায়গায় এসে থাকা শুরু করেছে। এই পার্কে প্রায় ১০০-এরও বেশি মূর্তি দাঁড় করানো রয়েছে, যেটা সমুদ্রের তলা থেকে খুবই সুন্দর লাগে।
৬. এনসিয়েন্ট মেডিসিন (Ancient Medicine): প্রাচীন রোমানদের ঔষধের রহস্য
এই পৃথিবী যবে থেকে তৈরি হয়েছে, সেই সময় থেকে এখনো পর্যন্ত বহু রহস্য সমুদ্রের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে। ইতালির সমুদ্র তলা থেকে ডিপ সি ড্রাইভাররা প্রাচীন যুগে ব্যবহৃত হওয়া ঔষধ খুঁজে পায়। এই ঔষধগুলোকে দেখতে আজকালকার দিনের ঔষধের তুলনায় অনেকটাই আলাদা। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জেনেছেন যে, এই ঔষধগুলোর মধ্যে কী কী ব্যবহার করা হতো এবং এই ঔষধগুলো কী রোগের জন্য ব্যবহার করা হতো।
ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় যে, এই ঔষধ কম করে ২০০০ বছর আগে বানানো হয়েছিল। কিন্তু এর ভেতরে যে সকল জিনিস ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলো জানার পর বৈজ্ঞানিকরা অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ এর ভেতরে স্টার্চ (Starch), পাইন রেসিন (Pine Resin), বিওয়াক্স (Beeswax), জীবজন্তু এবং গাছের ফ্যাট (Fat) আর অলিভ অয়েল (Olive Oil) ব্যবহার করা হয়েছিল। সায়েন্টিস্টদের মতে, এই ঔষধ চোখের কোনো রোগের জন্য বানানো হয়েছিল। এইগুলো ছোট টিনের কৌটোর মধ্যে ভালোভাবে আটকানো ছিল এবং দেখে মনে হতো এগুলো হাত দিয়ে বানানো হয়েছে। যে জায়গা থেকে এই ঔষধগুলোকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল, সেখান থেকে কিছুটা দূরে একটি রোমান শিপরেক (Roman Shipwreck) পাওয়া গেছিল, যার ভেতরে প্রচুর মেডিক্যাল সামগ্রী পাওয়া গেছে। এই কারণেই গবেষকদের মতে, হয়তো ২০০০ বছর আগে কোনো রোমান জাহাজের মধ্যে ডাক্তার উপস্থিত ছিল। অর্থাৎ, সেই সময়ও মেডিক্যাল সায়েন্সের খুব চর্চা ছিল।
৭. ফ্রিল্ড শার্ক (Frilled Shark): জীবন্ত জীবাশ্ম
এই শার্ক সমুদ্রের তলায় থাকা এমন একটি জাতের মাছ, যেটাকে দেখতে হয়তো সুন্দর ঠিকই, ততটা ভয়ানকও। এই শার্কের শরীরের কিছুটা অংশ ডাইনোসরের মতন, আবার কিছুটা অংশ সাপের মতো। এর মুখটি দেখতে 'ইয়েল শার্কের' (Eel Shark) মতো হয় এবং এদের শার্কের মতো দাঁতও থাকে, তাও আবার ৩০০টা! কিন্তু প্রতিটা দাঁতের ডিরেকশন ভেতরের দিকে থাকে। এরা লম্বায় প্রায় ৬ ফুট হয়। কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, এরা প্রায় ৬ ফুটের থেকেও বেশি হয়। এদের দাঁতের ডিরেকশন ভেতরের দিকে থাকায়, যদি কোনো শিকার এদের মুখের মধ্যে ঢুকে যায়, তাহলে সেটা বাইরে বেরোনোর কোনো প্রশ্নই থাকে না।
২০০৭ সালে জাপানের একজন মাছধরা জেলে মাছ ধরার সময় তার জালে প্রথমবার এই ধরনের মাছ উঠে আসে। তারপরে ওয়াইল্ড লাইফের একজন কর্তৃপক্ষের কাছে এই মাছটিকে নিয়ে যায় এবং সে এই মাছটিকে সি ওয়াটার পুলে রাখে, যেখানে তার প্রথম ভিডিও রেকর্ড করা হয়। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের প্রায় ১ কিলোমিটার নিচে থাকা এই মাছ হয়তো অসুস্থ ছিল, যে কারণে হয়তো সমুদ্রের পাড়ের অনেক কাছে চলে এসেছিল।
৮. হরর স্ট্যাচু (Horror Statue): লেকের নিচে ভয়ঙ্কর মূর্তি
আপনাদের মধ্যে যারা হরর মুভি দেখে ভয় পান না, তাদেরকে আমি আমেরিকাতে থাকা ক্যাম্প ক্রিস্টাল লেকে (Camp Crystal Lake) একবার মনে করে ঘুরে আসতে বলব। কারণ এই লেকের নিচে বহু পরিচিত হরর মুভি 'ফ্রাইডে দ্য থার্টিন্থ'-এর (Friday the 13th) সিরিয়াল কিলার জেসন ভুরহিস-এর (Jason Voorhees) একটি স্ট্যাচু আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। লেকের নিচে রাখা এই স্ট্যাচু তার মাস্ক এবং তরোয়ালের জন্য পরিচিত। এই স্ট্যাচুটির মালিক বলেছেন যে, তিনি অনেক বছর ধরে এই লেকের ড্রাইভিং করছেন এবং তিনি অন্যান্য ড্রাইভারদের প্র্যাঙ্ক করার জন্য 'ফ্রাইডে দ্য থার্টিন্থ'-এর ভয়ানক সিরিয়াল কিলারের ক্যারেক্টারকে বেছে নেয়। আর এই প্র্যাঙ্কটি সত্যিই ভয়ানক ছিল।
৯. ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু প্লেন (World War II Plane): সমুদ্রের নিচে ইতিহাসের ধ্বংসাবশেষ
গবেষকদের একটি টিম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি ফাইটার প্লেনের অবশিষ্ট খুঁজে পায় মাইক্রোনেশিয়ার (Micronesia) সমুদ্রের একদম মাঝামাঝি। গবেষকরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ধ্বংস হওয়া বহু ফাইটার প্লেন, ট্যাঙ্ক, গাড়ি খুঁজে পায়। আজ থেকে প্রায় ৮০ বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৫০টি জাহাজ এবং ২৩০টি ফাইটার প্লেন এই সমুদ্রে ক্রাশ করেছিল। যেহেতু এই স্পটটি সমুদ্রের একদম মাঝামাঝিতে অবস্থিত, সেখানে জলের গভীরতা ভাবনার বাইরে। এই কারণে এখনো বহু এয়ার প্লেন এবং জাহাজের অবশিষ্ট এই সমুদ্রের তলায় কোথাও একটা রয়েছে।
১০. জায়ান্ট নাইফ (Giant Knife): রহস্যময় বিশাল ছুরি
২০১৪ সালে স্কুবা ড্রাইভারদের একটি টিম সমুদ্রের তলা থেকে একটি বিশাল বড় সাইজের ছুরি খুঁজে পায়। এটি দেখতে লম্বা প্রায় ৬ ফুট বলে মনে হয়। কিন্তু এই স্কুবা ড্রাইভাররা কোনোদিন কারো সামনে আসেনি। সেই কারণে এখনো অবধি জানা যায়নি যে, এই ছুরিটি এখন কোথায় রয়েছে। আর এত বড় ছুরিটা কী কাজেই বা ব্যবহার করা হচ্ছে? তাহলে কি সত্যি কয়েক হাজার বছর আগে মানুষ দানবের মতন দেখতে ছিল, যে কারণে তাদের এত বড় ছুরির প্রয়োজন ছিল? আপনার কী মতামত, অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন।
উপসংহার
পাশাপাশি আজকের এই ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করে বন্ধুদের সাথে শেয়ারও করবেন। আর এখনো যদি 'অদ্ভুত দশ' চ্যানেলটিতে নতুন হয়ে থাকেন, তাহলে কোনো ব্যাপার নয়, এখনই চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে নিন এবং বেল আইকনটিতে প্রেস করে নিন, এরকমই ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে। পাশাপাশি আরেকটি দুর্দান্ত ফ্যাক্ট এর সম্বন্ধে ভিডিও জানতে হলে 'আকাশ বর্মণ' চ্যানেলটিতে চলে যেতে পারেন, যেটি আমার দ্বিতীয় চ্যানেল। এবং পাশাপাশি যদি গেম প্লে ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন, তাহলে আমার গেমিং চ্যানেল 'বং ক্রীড়া' চ্যানেলটিতে চলে যেতে পারেন।
কীওয়ার্ডস: গভীর সমুদ্র, সমুদ্রের রহস্য, ডিপ সি ড্রাইভার, আন্ডারওয়াটার রিভার, জায়ান্ট আই বল, দ্য লস্ট সিটি, হেরাক্লিয়ন, জায়ান্ট ওআরফিশ, স্কাল্পচার পার্ক, এনসিয়েন্ট মেডিসিন, ফ্রিল্ড শার্ক, হরর স্ট্যাচু, জেসন ভুরহিস, ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু প্লেন, জায়ান্ট নাইফ, প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার, সামুদ্রিক জীব, অজানা রহস্য, স্কুবা ড্রাইভিং, সমুদ্রের গভীরতা, প্রাচীন সভ্যতা, প্রাকৃতিক বিস্ময়।
