চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক অজানা রহস্য: ব্রেনে প্যারাসাইটের বাসা!
হেই বন্ধুরা, আমি যদি আপনাদের বলি যে, আপনাদের ঘুরতে ভালো লাগে কিনা? তাহলে ৯৫ শতাংশ মানুষের উত্তর হ্যাঁ হবে, সেটা আমি জানি। কিন্তু আপনারা কি জানেন? যখনই আমরা আমাদের পরিবার কিংবা বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ঘুরতে বের হই, তখন সেখানকার প্রতিটা জিনিস এক্সপ্লোর এবং নতুন নতুন জিনিসকে এক্সপেরিয়েন্স করবার জন্য আমাদের ইচ্ছা হয়। কিন্তু কখনো কখনো নতুন জিনিসগুলোকে এক্সপেরিয়েন্স করতে গিয়ে আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আর ঠিক এরকমটাই জনের সাথে হয়েছিল। জনের সঙ্গে কী হয়েছিল, সেটা যদি আপনারা জানেন, তাহলে আপনারা নিজেরাই চিন্তিত হতে বাধ্য হবেন।
আসলে এই ঘটনাটি ছিল ২০০৩ সালের, যখন ৩৪ বছর বয়সী জন, নিজের ওয়াইফ এবং দুই সন্তানের সঙ্গে পেনসিলভেনিয়াতে নিজের ঘরের বাইরে আনন্দ করছিল। তখনই হঠাৎ করে জন মাথা ঘুরে পড়ে যায়। আর ঠিক এই রকম ঘটনা তার সঙ্গে কিছুদিন আগেই ঘটেছিল, যখন সে গাড়ি চালিয়ে অফিসে যাচ্ছিল। যদিও এক মিনিট পরে সবকিছু নরমাল হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় জন ভেবেছিল, হয়তো এই মাথা ঘোরা তার অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে হচ্ছে। কিন্তু দ্বিতীয়বার এই একই রকমটা হওয়া কোনো কিছুর একটা সংকেত ছিল। কিন্তু তারপরেও জন এই ততটা মাথা ঘামায় না। কিন্তু কিছুদিন পর আবার যখন এই একই রকম ঘটনা তার সঙ্গে ঘটতে থাকে, তখন জন বুঝতে পারে যে, তার শরীরে কোনো একটি সমস্যা নিশ্চয়ই হচ্ছে। কারণ এইবার তার মাথা ঘোরার সমস্যা এতটাই ভয়ানক ভাবে হচ্ছিল যে, জন নিজের ব্যালেন্স মেইনটেইন করতেই পারছিল না।
এত কিছু হবার পরেও জন এবং তার ওয়াইফ লিজা এটাই ভাবছিল যে, এই সব কিছু পেট খারাপের জন্য হচ্ছে। এই জন্য কোনো রকম ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে জন, পেইন কিলার নেওয়া শুরু করে দেয়। কিন্তু পরপর একটানা এক সপ্তাহ ওষুধ খাওয়ার পরেও জনের শরীরে কোনো রকম পরিবর্তন আসেনি। বরং তার শরীর এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে, সে তার নিজের পায়ে দাঁড়াতে পর্যন্ত পারছিল না। কারণ তার ব্রেন তার পা গুলোকে ব্যালেন্স করতে পারছিল না। তার এই রকম অবস্থা দেখে তার ওয়াইফ লিজা তাকে একটি লোকাল হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে ডাক্তাররা চেকআপ করবার পর বলে যে, এইরকম সিম্পটম ওনার বয়সে হওয়াটা সাধারণ একটি ব্যাপার। তাই ওখানকার ডাক্তার তাকে কিছু ওষুধ লিখে দেয় এবং বেড রেস্ট থাকতে বলে। কিন্তু এক সপ্তাহ পর্যন্ত সম্পূর্ণ বেড রেস্ট এবং ওষুধ খাওয়ার পরেও জনের শরীর কোনো দিক থেকেই ঠিক হয় না। তার শরীর ধীরে ধীরে আরও খারাপের দিকে যেতে থাকে।
১. নিউরোলজিক্যাল সমস্যা: সেরিব্রামের রহস্য
বারবার মাথা ঘোরা এবং শরীর আরও খারাপ হতে দেখে জনের স্ত্রী বুঝতে পেরে গিয়েছিল যে, এটা কোনো নরমাল ইনফেকশন নয়। এই কারণে আবার জনের স্ত্রী অন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালে নিয়ে যায় জনকে, যেখানে তাকে সঙ্গে সঙ্গে নিউরোলজি ডিপার্টমেন্টে রেফার করে দেওয়া হয়। এই হাসপাতালে জনের এই কেসটাকে ডক্টর ড্যানিয়েল (Dr. Daniel) হ্যান্ডেল করছিলেন, যিনি সেই সময় ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভেনিয়াতে নিউরোলজিস্ট ছিলেন। জন যখন তার সব শারীরিক সমস্যাগুলো বলতে শুরু করেন, তখন ডাক্তার ড্যানিয়েল এটা বুঝতে পেরে যায়, এই সব সমস্যা নিউরোলজিক্যাল প্রবলেমের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু তবুও কনফার্মেশন করবার জন্য উনি জনকে একটা ছোট্ট টাস্ক করতে বলেন, যেখানে জনকে প্রথমে আঙুল দিয়ে নিজের নাককে ছুঁতে হত, তারপর ডক্টরের হাতকে টাচ করতে হতো। এই টাচটা কে সহজ মনে হলেও, যেকোনো নিউরোলজিক্যাল পেশেন্টের কাছে এটা করতে পারা ততটা সহজ নয়। এখানে জন প্রথমে নিজের নাকটাকে টাচ করে ফেলে, কিন্তু যখন ডাক্তারের হাতকে ছোঁয়ার পালা আসে, তখন জনের হাত কাঁপতে থাকে এবং সে ডাক্তারের হাতটিকে ছুঁতে পারে না।
এটা দেখবার পর ডাক্তার বুঝে গিয়েছিল যে, নিশ্চয়ই জনের ব্রেনে সেরিব্রামে (Cerebellum) কোনো সমস্যা হয়েছে। সেরিব্রাম আমাদের মাথার পেছনে অবস্থিত থাকে, যেটা মাসল কন্ট্রোলকে নিয়ন্ত্রণ করে। তার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বডি ব্যালেন্স করতেও এর অনেক বড় অবদান থাকে। কিন্তু এই সেরিব্রামে সমস্যা আসার কারণে জনের ব্রেন নিজের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল।
২. সিটি স্ক্যান ও প্যারাসাইটের কলোনি
কিন্তু এরকমটা কেন হচ্ছিল? এই প্রশ্নের উত্তর বার করবার জন্য ডাক্তার ড্যানিয়েল জনের সিটি স্ক্যান (CT Scan) করবার সিদ্ধান্ত নেয়। সিটি স্ক্যান করবার পর যে রেজাল্ট সামনে এসেছিল, সেখানে সেরিব্রাম থাকার জায়গাটিতে একটি বড় কাঠ বাদামের মতন অদ্ভুত একটি স্ট্রাকচার দেখতে পাওয়া যায়। এটা দেখবার পর ডাক্তার ভেবেছিল, সেটা হয়তো কোনো ব্রেন টিউমার। এই কারণে ওই রহস্যময় স্ট্রাকচারটি কী, সেটা জানবার জন্য ডাক্তার ড্যানিয়েল জনের ব্রেন অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটা এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে মাথার খুলি ওপেন করে টিউমার অথবা কোনো রহস্যময় স্ট্রাকচারের স্যাম্পেল নেওয়া হয় এবং তারপর সেই স্যাম্পেলটিকে পর্যবেক্ষণ করা হয় এটা জানবার জন্য যে, আসলে সেই স্ট্রাকচারটি কী। এটা খুব সাধারণ একটি ব্যাপার, কারণ রোগটা কী, সেটা না জানা পর্যন্ত কোনো রকম ট্রিটমেন্ট করা কিভাবে সম্ভব হবে? এই জন্য সব রকম প্রসেস করা হয়, যেখানে ডক্টর ড্যানিয়েল জনের ব্রেন থেকে ওই অদ্ভুত দেখতে স্ট্রাকচারের স্যাম্পেল বের করে আর সেটা পর্যবেক্ষণ করবার জন্য প্যাথলজি ল্যাবে পাঠিয়ে দেয়।
প্যাথলজি ল্যাবের টেকনিশিয়ান ওই স্যাম্পেলটিকে মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে পরীক্ষা করছিল এবং পরীক্ষার ফল দেখে তার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়। কারণ যেটাকে ডক্টর ড্যানিয়েল টিউমার ভাবছিলেন, আসলে সেটি প্যারাসাইট (Parasite) নামে পরজীবীর একটি পুরো কলোনি ছিল। আসলে সেই জীব, যারা অন্যের শরীরে গিয়ে নিজেদের গ্রোথ করে। আর এখানে তো জনের ব্রেইনে পরজীবীদের পুরো দল বাসা বেঁধেছিল, যারা জনের ব্রেনকে একটানা খেয়ে যাচ্ছিল। আর এই কারণেই জনের ব্রেনের সেরিব্রামের কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছিল। এই কথাটি যখন ডক্টর ড্যানিয়েল জানতে পারেন, তিনি বুঝতে পেরে যায় যে, পুরো বিষয়টা আসলে কী। কিন্তু অবাক করার বিষয় এটাই যে, ড্যানিয়েল তার পুরো মেডিক্যাল হিস্ট্রিতে এরকম কেস কখনো দেখেনি, যেখানে এত ভারী মাত্রাতে প্যারাসাইট কারণ ঢুকে তার ব্রেনকে খেতে শুরু করেছে।
৩. প্যারাসাইটের উৎস: শিষ্টোসোমায়াসিস (Schistosomiasis)
ডক্টর ড্যানিয়েল জনের শরীর খারাপ সম্পর্কে সবকিছুই জানতে পেরে গিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তার এটা জানা দরকার ছিল, আসলেই এই প্যারাসাইট কোন প্রজাতি থেকে বিলং করে। কারণ সেই হিসাব অনুযায়ী তার ট্রিটমেন্ট করা হবে। এই প্যারাসাইট প্রজাতি সম্পর্কে জানার জন্য ওনার এটা জানা খুবই দরকার ছিল যে, আসলে এই প্যারাসাইট জনের শরীরে কিভাবে আসলো? এটা সম্বন্ধে যদি ল্যাবে পর্যবেক্ষণ চলত, তবে অনেক সময় লেগে যেত। আর জনের কাছে তত সময় ছিল না। এই কারণে ডাক্তার ড্যানিয়েল জনের ওয়াইফ লিজাকে প্রশ্ন করা শুরু করে দেয়। ডক্টর ড্যানিয়েলের প্রথম সন্দেহ জনের খাবারের ওপর যায়। কারণ বেশিরভাগ প্যারাসাইট মানুষের শরীরে এই রাস্তাতেই আসে। কিন্তু লিজার বলার ডেসক্রিপশন আর ল্যাব থেকে পাওয়া প্যারাসাইডের স্ট্রাকচার অনুযায়ী, যখন ডাক্তার ড্যানিয়েল এটাকে পর্যবেক্ষণ শুরু করেন, তখন লিজার বলার ডেসক্রিপশন অনুযায়ী কোনো রকম প্যারাসাইট রেকর্ড পাওয়া যায়নি।
এবার সমস্যা আরও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। কারণ একদিকে জনের কাছে সময় খুব কম ছিল, আর অন্যদিকে এটা জানা যাচ্ছিল না যে, আসলে এই প্যারাসাইট কোন প্রজাতির। এই কারণে ডাক্তার ড্যানিয়েল আরেকবার নতুন করে প্রশ্ন করা শুরু করে। আর এইবারে লিজার কাছে বিগত কয়েক বছরের হওয়া তাদের কয়েকটি বিদেশ ভ্রমণের সম্বন্ধে জানতে চায়। এই প্রশ্নের উত্তরে লিজা বলেন যে, তিনি তার স্বামী জনের সাথে, নিজেদের বাচ্চাদের সঙ্গে, ৬ বছর আগে ইস্ট আফ্রিকাতে ঘুরতে গিয়েছিলেন। আর সেখানে প্রায় এক সপ্তাহ মতন ছুটি কাটানোর সময়, ওনারা ভিক্টোরিয়া ঝিলে সাঁতার কেটেছিলেন।
লিজার সঙ্গে সব প্রশ্ন উত্তর করবার পর ডাক্তার ড্যানিয়েল সব ডিটেলস এবং স্যাম্পেল ডেটাকে পুনরায় পর্যবেক্ষণ করবার জন্য পাঠায়। আর তারপরে জানা যায়, এই প্যারাসাইটটি হলো 'শিষ্টোসোমায়াসিস' (Schistosomiasis)। শিষ্টোসোমায়াসিস প্যারাসাইট বেশিরভাগ সময় এশিয়া, সাউথ আমেরিকা, আফ্রিকার পরিষ্কার জলের ঝিলে পাওয়া যায়। বেশিরভাগ সময় এইসব প্যারাসাইটের দল সংক্রমিত লোকের মলের মাধ্যমে পরিবেশের সঙ্গে মিশে যায়, যার পরে যখনই এদের ডিম পরিষ্কার জলের সংস্পর্শে আসে, ডিম ফেটে গিয়ে লার্ভাতে (Larva) কনভার্ট হয়ে যায়। আর এই সময় এদের ডেভেলপমেন্টের জন্য কোনো প্রাণীর শরীরের প্রয়োজন পড়ে। এটার জন্য এরা শামুকের দেহ ব্যবহার করে।
এই প্যারাসাইট লার্ভাতে কনভার্ট হওয়ার পর জলে থাকা যেকোনো শামুকের পা থেকে তার শরীরে প্রবেশ করে। আর তারপরে নিজেদেরকে ধীরে ধীরে বিকশিত করতে থাকে। যখন এরা ভালো মতন গ্রোথ হয়ে যায়, তখন এরা আবার পরিষ্কার জলে চলে আসে। আর তারপরে এদের আরও ডেভেলপমেন্টের জন্য অপেক্ষা করে দ্বিতীয় কোনো শরীরের জন্য। আর এইরকম সিচুয়েশনে যখনই কোনো মানুষ জলে প্রবেশ করে, তখন তাদের শরীর থেকে বের হওয়া ফ্যাটি অ্যাসিড এইসব প্যারাসাইটকে আকর্ষিত করে। এইসব প্যারাসাইট নিজের মাইক্রোস্কোপিক লেজের সাহায্যে সাঁতার কেটে নিজের নতুন হোস্ট মানে যার শরীরে আবার নিজেদের ডেভেলপমেন্ট করতে পারবে, তাদের দিকে এগিয়ে যায়। আর একবার যখন এরা নিজের হোস্টের বডির সামনে চলে আসে, তখন এরা হিউম্যান স্কিনকে তিনটি আলাদা আলাদা স্টেজে পেনিট্রেট করে।
প্রথম ধাপে এরা মানুষের ত্বকের সঙ্গে অ্যাটাচ হয়। আর তারপর পেনিট্রেশনের জন্য সঠিক জায়গায় সূচনা করে। আর বেশিরভাগ সময়ই সেই জায়গাটি আমাদের মানে মানব শরীরের হেয়ার ফলিকলস (Hair Follicles) হয়, যেখান থেকেই এই প্যারাসাইট আমাদের স্কিনে কিছুটা প্রবেশ করে যায়। তারপর সেখানে এরা একটি কেমিক্যাল রিলিজ করে, যেটার কারণে স্কিনের ওপর খুবই ছোট একটি ছিদ্র হয়ে যায়। আর সেটার সাহায্যে এই প্যারাসাইট সাঁতার কাটতে কাটতে আমাদের মানে মানুষের শরীরে পৌঁছে যায়।
একবার মানুষের শরীরের ভেতরে পৌঁছানোর পর লার্ভা রক্তের মাধ্যমে লিভার অব্দি পৌঁছে যায়। আর তারপরেই সেখানে নিজেদের অ্যাডাল্ট ওয়ার্মে (Adult Worm) ডেভেলপমেন্ট করে নেয়। আর যখন এদের সম্পূর্ণ ডেভেলপমেন্ট হয়ে যায়, এরা লিভারের বাইরে এসে প্রজনন প্রক্রিয়া শুরু করে দেয়। তারপর ফিমেল প্যারাসাইট আমাদের পেটের কাছাকাছি এসে রক্তের মধ্যে নিজের ডিম ছেড়ে দেয়, যার ফলে নরমালি এই ডিমগুলো পেটের ভেতরে চলে যায় এবং সেটা মলের মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে যায়, যার পরে সেই একই প্রসেস শুরু হয়ে যায়, যেটা আমি আপনাদের এতক্ষণ বললাম।
কিন্তু এখানে জনের ক্ষেত্রে এইরকমটা একদমই হয়নি। কারণ যখন জনের বডিতে এই প্যারাসাইট প্রবেশ করেছিল, তখন ভুল করে তারা রক্তের প্রবাহের সাহায্যে জনের ব্রেনের সেরিব্রাম সেকশনে পৌঁছে যায়। সেখানেই নিজেদের ডিম ছেড়ে দেয়, যে কারণে এদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। আর সেগুলো ধীরে ধীরে জনের ব্রেনকে খেতে থাকছিল, যার জন্য জনের শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, যদি সঠিক সময় এর চিকিৎসা না হতো, তাহলে জন প্যারালাইজড হয়ে যেত। তার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারত। যখন অপারেশন করে জনের ব্রেন থেকে সব প্যারাসাইটগুলোকে বের করা হয়, তখন সেগুলোর সংখ্যা এতটাই বেশি ছিল যে, সেগুলোর হিসাব করা খুব কঠিন একটা কাজ ছিল। কিন্তু এখানে জনের ভাগ্য ভালো ছিল। ঠিক সময় ডাক্তার ড্যানিয়েল বুঝতে পেরেছিল, আসলে সমস্যাটি কী ছিল? এবং সঠিক চিকিৎসার কারণে সে বেঁচেও গিয়েছিল।
উপসংহার
তো বন্ধুরা, আজকের পোস্টটি এইটুকুই। যদি ভালো লেগে থাকে, তবে অবশ্যই পোস্টটিকে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন। পাশাপাশি 'অদ্ভুত দশ' চ্যানেলে নতুন হলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন, এরকমই ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে।
কীওয়ার্ডস: চিকিৎসা রহস্য, ব্রেনে প্যারাসাইট, শিষ্টোসোমায়াসিস, নিউরোলজিক্যাল সমস্যা, সেরিব্রাম, সিটি স্ক্যান, পরজীবী সংক্রমণ, স্বাস্থ্য সমস্যা, ভিক্টোরিয়া ঝিল, চিকিৎসা বিজ্ঞান, অজানা রোগ, ব্রেন ইনফেকশন, প্যারাসাইটের জীবনচক্র, মানব শরীর, চিকিৎসা কেস স্টাডি।
