ভবিষ্যতের উদ্ভাবন: যে প্রযুক্তিগুলো আমাদের জীবন বদলে দেবে!
বন্ধুরা, ভেবে দেখুন তো আজ থেকে ৫০ বছর আগে গোটা পৃথিবী প্রযুক্তির যে অবস্থানে ছিল, আজ সেটা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে? বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত যেভাবে উন্নতি করে চলেছে, তাতে আগামী ৫০ থেকে ৬০ বছরে কী কী হতে পারে, তা একবার কল্পনা করে দেখুন! বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির দিকে নজর রেখে ইতিমধ্যে কিছু কিছু আবিষ্কার করে ফেলেছে। অনুমান করা হয়েছে, এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে একদিন পৃথিবীকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দেবে, যেটা খুব তাড়াতাড়ি আমাদেরকে ব্যবহার করতে হবে। তাই আজকের এই পোস্টে আমি আপনাদের দেখাবো এমন কিছু ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন, যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বিজ্ঞানীরা তালিকাভুক্ত করে রেখেছে। আর এইগুলো একদিন সবার ঘরে ঘরে থাকবে। তো চলুন, বেশি দেরি না করে আজকের পোস্টটিকে শুরু করা যাক!
১. দ্য ক্রিপ্টেড স্টিকারস (The Krypted Stikrs): পায়ের ছাপ বদলে দেবে!
এই নরম স্টিকার জুতোটি শুধুমাত্র অস্বাভাবিক আকৃতিতেই তৈরি করা হয়নি, বিজ্ঞানীরা এটা একটি বিশেষ উপায়ে তৈরি করেছে। সম্পূর্ণ জুতোটি থ্রিডি প্রিন্টেড এবং টিপিএ (TPA) নামক একটি বিশেষ পলিমার দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, যা নমনীয়তা, প্রসার্য শক্তি এবং স্থিতিস্থাপকতাকে একত্রিত করে। এই জুতো ২১৯.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে এবং এই জুতোটি ০.০৪ ইঞ্চি পুরু হতে পারে। কিছু জার্মান এই 'স্লিকারস' তৈরি করেছে এবং এই টিমের ডিজাইনার স্টিফেন হ্যান্ডিক উল্লেখ করেছেন, আত্মার শান্তিকে মাথায় রেখে এই জুতোটি ডিজাইন করা হয়েছে। এই জুতোর নামটির অর্থ হলো বিলুপ্ত বা পৌরাণিক প্রাণী। আপনি যদি এই জুতোগুলো পরে মাটিতে হাঁটেন, তাহলে আপনার পায়ের ছাপ মাটিতে 'বিগ ফুট'-এর মতো দেখাবে। তাই ভবিষ্যতে যদি মাটিতে বড় পায়ের ছাপ দেখেন, তাহলে ভয় পাবেন না, এই জুতোর কারণেও সেটা হতে পারে। এই জুতোগুলোকে বিভিন্ন উচ্চ তাপমাত্রার জায়গাগুলোকে নির্বাচন করেই বানানো হয়েছে। জুতোগুলোকে পরিধান করে এক আলাদা অনুভূতি পাওয়া যাবে।
২. অগমেন্টেড রিয়েলিটি ইন্টারফেস (Augmented Reality Interface): বাস্তবতার নতুন স্তর
এতদিন অবধি গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহৃত অগমেন্টেড রিয়েলিটি ইন্টারফেসগুলো এখন বাস্তবেও আসতে চলেছে। অনেক দূরের কোনো গাড়ি বা অন্যান্য সরঞ্জামগুলির জন্য এই সিস্টেম যা উইন্ডশিল্ডে বিভিন্ন দরকারি ডেটা প্রদর্শন করবে। এই প্রোজেক্টের বিকাশকারীদের মতে, এই সিস্টেমটি প্রতিটা ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা যাবে। উদাহরণস্বরূপ, প্রচণ্ড গতিতে রাস্তার বাঁক অতিক্রম করবার সময় ট্রাফিক টাইমিং দ্বারা সতর্ক করবে এই ডিসপ্লে সিস্টেমটি। জল জাহাজ এবং উড়ন্ত জাহাজের কাছেও লাগানো যাবে। এছাড়াও এই প্রযুক্তি বিল্ডিংয়ের কাছের জানলাগুলোতেও লাগানো যাবে, যেখানে আপনি শুধুমাত্র জানলার বাইরে তাকিয়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বা অন্যান্য ডেটা খুব দ্রুত খুঁজে পেতে পারবেন। এই প্রজেক্টের টিম অপটিক্যাল হোলোগ্রাফি এবং রসায়নের সর্বশেষ সমাধানগুলির সাথে কাজ করছে এবং এই প্রযুক্তির সাথে দরকারি সফটওয়্যারগুলোও নিজেরাই তৈরি করছে।
৩. ড্রোন গান (Drone Gun): আকাশসীমার নতুন প্রহরী
ড্রোন আবিষ্কারের ফলে ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফির জগতে অনেক সুবিধা লাভ হয়েছে। ড্রোন বর্তমানে অনেকগুলি কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। কখনো কখনো এটি ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফির জন্য, কখনো আবার এটি স্পাই ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যেখানে এই ড্রোন আপনার আশেপাশে চলতে থাকবে এবং আপনার উপর নজর রাখবে। কিছু কিছু এমন এরিয়া থাকে, যেটা এতটাই কনফিডেনসিয়াল যে, সেই স্থানগুলোকে 'নো ফ্লাই জোন' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু তারপরেও কিছু স্পাই সেখানে ড্রোন ক্যামেরা ছেড়ে এবং ওই স্থানে নজর রাখে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সেনাবাহিনীরা ব্যবহার করবে এই প্রকার বন্দুক। এটি এমন প্রকৃতির বন্দুক, যেটা যেকোনো ড্রোনের ফ্রিকোয়েন্সিকে সহজেই কন্ট্রোল করতে পারে। এর প্রধান কাজ হলো ড্রোনটাকে খুব সাবধানে মাটিতে নামানো। এর মাধ্যমে যেকোনো ড্রোনকে টার্গেট করা যায় এবং ট্রিগার করার সাথে সাথে ড্রোনটি নিজেই নিচে নেমে আসে। এই ধরনের প্রযুক্তি ভবিষ্যতে সেনাবাহিনীতে প্রচুর প্রয়োজনীয় হবে, কারণ বেশিরভাগ বর্ডার এলাকাগুলো নো ফ্লাই জোনে থাকে। সুতরাং, যেকোনো ড্রোনকে এই বন্দুক হার মানিয়ে দেবে।
৪. ওয়াটার টেবিটো জিরো টু (Water Tevito 02): দৌড়ানোর নতুন অভিজ্ঞতা
এই ধরনের এক্সোসকেলিটনের নির্মাতারা বিশ্বাস করেন, এই স্কেলিটন পরিধান করবার পর আপনি জাপানে তৈরি হওয়া সমস্ত ভূখণ্ডের মধ্যে দিয়ে অনায়াসে দৌড়াতে পারবেন। ডিভাইসটি হাঁটুর জয়েন্ট এবং কোমরের উপর চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং দৌড়ানোর সময় অন্তর্নিহিত কিছু শক লোডও শোষণ করে। প্রস্তুতকারীরা ইতিমধ্যে এগুলোর পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ফেলেছেন। যেমন, তারা একটি এক্সোসকেলিটন তৈরি করার কিছু সময় আগে এক ব্যক্তিকে ৬.৬ ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় অর্ধেক পাউন্ড ওজন উত্তোলন করতে দেয় এবং তারপর তারা সেটায় সফলতাও অর্জন করে। এই মডেলটি ডেলিভারি কর্মীদের জন্য উপযুক্ত একটি স্বয়ংক্রিয় বিকল্প হিসাবে ভবিষ্যতে ব্যাপক কার্যকর হতে চলেছে।
৫. লক্লি সিকিওর প্রো (Lockly Secure Pro): স্মার্ট দরজার তালা
আমরা সাধারণত বাড়িতে যে তালা ব্যবহার করি, তা অত্যন্ত সাধারণ। এই তালা খুলতে গেলে চাবির প্রয়োজন হয়। যদি কখনো আপনি বাড়িতে না থাকেন, আর সেই সময় বাড়িতে আত্মীয় আসে, তখন আপনাকে অফিস থেকে হোক বা অন্য কোথা থেকে বাড়িতে ফিরে আসতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে সময় মেনটেন করা খুবই মুশকিল হয়ে পড়ে। কিন্তু এইবার এই সমস্যার সমাধানের জন্য ব্যবহার করতে হবে 'লক্লি সিকিওর প্রো'। এটি এমনই একটি প্রযুক্তি, যা আপনার ঘরে ইনস্টল করতে হবে এবং সেটিকে মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে চালনা করতে পারবেন। এটিতে পাসওয়ার্ড সিকিউরিটি অপশন রয়েছে। আপনি চাইলে টেম্পোরারি পাসওয়ার্ড বানিয়ে আপনার আত্মীয়কে পাঠাতে পারবেন। যখন আপনার দরজা খুলবে বা বন্ধ হবে, ওই ডিভাইস আপনাকে একটি পুশ নোটিফিকেশন সেন্ড করবে। তাতে আপনি বুঝতে পারবেন বাড়ির দরজা কে কতবার খুলছে বা বন্ধ করছে। এছাড়াও বায়োমেট্রিক অপশন থাকবে, অর্থাৎ আপনি চাইলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করতে পারবেন। এবং একটি অপশন খুবই ইম্পর্টেন্টও থাকবে, যেখানে আপনি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা আলেক্সা অ্যাসিস্ট্যান্টকে বলে দরজা ওপেন বা ক্লোজ করতে পারবেন। বিষয়টা যেমন সিকিওর হবে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ।
৬. প্রোডান পিডিক্স পিডব্লিউএআরএম (ProDan PDDX PWARM): উদ্ধারকারী ড্রোন
দুটি হাত বিশিষ্ট বিশ্বের প্রথম পূর্ণ আকৃতির এই ড্রোনটি জাপানের বিজ্ঞানীদের একটি দল তৈরি করতে চলেছে। ড্রোনটির ওজন প্রায় ৪৪ পাউন্ড হবে এবং এটি তার হাতে প্রায় ২০ পাউন্ড পর্যন্ত ওজন ধারণ করতে পারবে। এটি সর্বোচ্চ গতি ৩৭ মাইল প্রতি ঘন্টা হবে, যা দ্রুত কোনো ডুবে যাওয়া ব্যক্তিকে জীবন দান করতে পারবে। ড্রোনটিকে একবার চার্জ করলে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত উড়তে পারবে। এই ড্রোনটি যেকোনো অবস্থাতে কাজ করবার সক্ষমতা রাখবে। ৩.১ মাইল পর্যন্ত উচ্চতায় এটি উড়তে পারবে। বিজ্ঞানীরা এটা বিশ্বাস করেন যে, তাদের এই উন্নয়নটি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মানুষকে নিরাপদে রাখতে সাহায্য করবে। উদাহরণস্বরূপ, এটি উচ্চ উচ্চতায় বা বিপদজনক বস্তু নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা রাখবে।
৭. মেটারনেট স্টেশন (Matternet Station): দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা
প্যাথলজি ল্যাবগুলোতে সব সময় এমন ঘটনা ঘটে যখন আপনি ব্লাড স্যাম্পল নিয়ে আসেন, সেখানে তখন সেগুলো পরীক্ষার জন্য অন্য একটি ল্যাবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু কখনো কখনো এই স্যাম্পল পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়, যে কারণে আপনার রিপোর্ট আসতেও দেরি হয়ে যায়। আবার কখনো কখনো তো স্যাম্পল নষ্টও হয়ে যায়। আর এইসব বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে এমন একটি প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে, যেটা দেখে হয়তো আপনি কিছুটা হলেও খুশি হতে বাধ্য হবেন। এটি এমনই একটি ড্রোন স্টেশন, যেটা সম্পূর্ণ অটোমেটিক। যখন স্যাম্পল টেস্টিংয়ের জন্য রেডি হয়ে যাবে, তখন স্যাম্পেল একটি বক্সে করে টেস্টিংয়ের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া যাবে। যে স্থানে পাঠানো হবে, সেখানেও একটি ল্যান্ডিং স্টেশন থাকবে। গন্তব্য স্থানে পৌঁছে দ্রুত আপনাকে একটি মেসেজ পাঠিয়ে দেবে ওই ড্রোন, যে কারণে দ্রুত আপনি ওই স্যাম্পল সংগ্রহ করতে পারবেন। এই প্রযুক্তি বিশ্বকে আরও অ্যাডভান্স করে দিতে চলেছে। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে হয়তো ফুড ডেলিভারি কিংবা অন্যান্য ডেলিভারিও হতে পারে। সত্যি, ভবিষ্যতে এটা একটি অসাধারণ ডিভাইস হতে চলেছে।
৮. ইমার্জেন্সি হোম (Emergency Home): ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হওয়া এই প্যানেল প্রযুক্তি আপনাকে বিভিন্ন ভার্চুয়াল বস্তুকে দেখতে এবং স্পর্শ করতে সাহায্য করবে। এই প্রযুক্তিটি অতি শনাক্তকরণ তরঙ্গের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যার কারণে স্পর্শকাতর এবং সংবেদনশীল ডিভাইসের ৩ ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় এবং চারিপাশে ১২০ ডিগ্রিতে গঠিত হবে। প্যানেলটি পলিকার্বনেট দিয়ে তৈরি, যা ৭.৪ পাউন্ড ওজনের এবং ভীষণভাবে কম্প্যাক্ট।
৯. পিঙ্কার এক্স (Pinker X): সহজে ট্যাটু করার প্রযুক্তি
আপনাদের মধ্যে অনেক মানুষই আছেন, যারা ট্যাটু ভীষণ পছন্দ করেন। আর এই ট্যাটু করবার জন্য আপনাকে বিভিন্ন ট্যাটুর দোকানে যেতে হয়। কিন্তু আপনি যদি টাকা এবং সময় বাঁচাতে চান, তাহলে এই প্রযুক্তি আপনার একদিন কাজে আসবে। এটি এমন একটি প্রিন্টার প্রযুক্তি, যেটা ব্যবহার হবে মানুষের শরীরে ট্যাটু বানানোর জন্য। কিন্তু আপনারা হয়তো এটাই ভাবছেন যে, এটা চালানো হয়তো খুবই কঠিন ব্যাপার। কিন্তু চিন্তার কোনো ব্যাপার নেই, এই গ্যাজেটটি চালানো ভীষণ সহজ। এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই শরীরে ট্যাটু করতে পারবেন। আর এর সঙ্গে থাকবে একটি স্মার্ট অ্যাপ সাপোর্ট, যেখানে থাকবে বিভিন্ন ডিজাইন। এছাড়াও এই ডিজাইনগুলোকে আপনারা নিজেদের ইচ্ছামতো সাজাতে পারবেন। আর এর মধ্যে দেওয়া হবে কসমেটিকস রং। এটা শরীরের জন্য একদমই ক্ষতিকর নয়। আর এই ট্যাটু আপনার যখন ইচ্ছা আপনি তখনই ওয়াটার স্প্রে করে মুছে ফেলতে পারবেন।
১০. লরি আল কালার সনিক (L'Oréal ColorSonic): বাড়িতেই হেয়ার স্টাইল
ফরাসি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে হেয়ার স্টাইলের এই পদ্ধতি একটি বিপ্লব। এখন এই পদ্ধতির জন্য আপনাকে বাড়ির বাইরে বের হতে হবে না। ডিভাইসটি ব্যবহার করা সত্যিই খুবই সহজ। একটি বিশেষ অ্যাপে আপনি যে শেডটি চান, সেটা বেছে নিন এবং ডিভাইস প্রস্তুত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর আপনাকে এটাকে চুলের ওপর ধীরে ধীরে ব্যবহার করতে হবে এবং তারপরেই ধীরে ধীরে আপনার চুলের রং হয়ে যাবে। এবং এরপর আপনাকে কেবলমাত্র কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে এবং সেটাকে ধুয়ে ফেলতে হবে। আর এভাবেই সম্পূর্ণ প্রসেসটা কমপ্লিট হবে।
উপসংহার
আর আজকের পোস্টে দেখানো প্রযুক্তিগুলোর মতো আরও অনেক প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আমাদের পৃথিবীকে আরও উন্নততর করে তুলবে। আজকের গ্যাজেটগুলো আপনার কেমন লাগলো? অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আর 'অদ্ভুত দশ' চ্যানেলটিতে নতুন হলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন, এরকমই ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে।
কীওয়ার্ডস: ভবিষ্যতের প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, ফিউচার ইনভেনশন, ক্রিপ্টেড স্টিকারস, অগমেন্টেড রিয়েলিটি, ড্রোন গান, ওয়াটার টেবিটো জিরো টু, লক্লি সিকিওর প্রো, প্রোডান পিডিক্স পিডব্লিউএআরএম, মেটারনেট স্টেশন, ইমার্জেন্সি হোম, পিঙ্কার এক্স, লরি আল কালার সনিক, স্মার্ট গ্যাজেট, থ্রিডি প্রিন্টিং, রোবটিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ পৃথিবী, জীবন পরিবর্তনকারী প্রযুক্তি।
