হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া গল্প: জীবনের শেষ মুহূর্তেও যারা শিখিয়ে গেল মানবতা!
বন্ধুরা, আমরা হয়তো সবাই জীবনে কোনো না কোনো সময়ে নিশ্চয়ই এমন অনেক গল্প শুনেছি, যেগুলো শোনার পর আমরা কেঁদে ফেলেছি। আপনি কি কখনো শুনেছেন যে, চার বছরের একটি বাচ্চা মৃত্যুর পর দ্বিতীয়বার আবারও জীবিত হয়ে উঠেছিল? তারপর নিজের মাকে "I love you" বলবার পর আবার মৃত্যু হয়ে যায়? আজকে এরকমই কয়েকটা ঘটনা সম্পর্কে আপনাদের বলব। তাই আজকের পোস্টটি একটু আবেগপ্রবণ। আজকে আপনাদের এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়তে পড়তে চোখ থেকে জল চলে আসতে পারে। কেউ কেউ তো মন খুলে কেঁদে ফেলবেন। আর মন খুলে যারা কান্না করে, তারা মোটেও দুর্বল নয়। তারা সংবেদনশীল হয় এবং মনের দিক থেকে খুব সরল ও শান্ত স্বভাবের হয়। আর আমাদের এই সুন্দর বিশ্বে আবেগের (Emotion) থেকে বড় কোনো শক্তি নেই।
তাই বেশি সময় নষ্ট না করে, চলুন পোস্টটি শুরু করা যাক!
১. নোলেন: চার বছরের শিশুর শেষ ভালোবাসা
সর্বপ্রথম ঘটনাটি হলো একটি চার বছরের বাচ্চাকে নিয়ে, যার নাম হলো নোলেন। আপনি কি জানেন, এই পৃথিবীতে সমস্ত মা-বাবার কাছে সব থেকে খারাপ সময় কোনটা? যখন তাদের বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তারা চেয়েও কিছু করতে পারে না। আজকের এই মহামারীর সময় বহু পরিবারের লোক মারা যাচ্ছেন, আর তাদের পরিবারের লোক কিছুই করতে পারছে না। আজকের এই প্রথম ঘটনাটি ঠিক একই রকম। আর এই চার বছরের বাচ্চার সঙ্গে ঠিক এমনই ঘটেছিল।
একদিন হঠাৎ করে এই বাচ্চাটি খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার মা-বাবা মনে করেন, হয়তো কেবল সর্দি-কাশি হয়েছে, যেটা কিনা সাধারণ ওষুধ খেলেই ঠিক হয়ে যেতে পারে। কিন্তু এখানে ব্যাপারটা সেইরকম ছিল না। বাচ্চাটির শরীর ধীরে ধীরে আরও খারাপ হতে শুরু করে, যে কারণে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে যাবার পর তার মা-বাবা জানতে পারেন যে, তার অন্য কিছু রোগ হয়েছে। বাচ্চাটির কোনো সর্দি-কাশি হয়নি, বরং অনেক বড় একটি রোগ হয়েছিল, যেটা ক্যান্সারের মতোই ধীরে ধীরে সর্বশরীরে ছড়িয়ে যায়।
এই কথাটি যখন ডাক্তার তার মা-বাবাকে বলে, তখন তাদের কাছে বলার মতো কোনো শব্দই ছিল না। কী করেই বা তারা কিছু বলবে? কারণ রোগটা তো এতটাই ভয়ানক ছিল। রোগটা তাদের বাচ্চার শরীরে এত তাড়াতাড়ি বেড়ে যাচ্ছিল যে, তার চিকিৎসার জন্য প্রচুর টাকার প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। তাই বাচ্চাটির মা-বাবা কোনো রকম ভাবে পয়সা জোগাড় করে এবং বাচ্চাটির অপারেশন করায়। কিন্তু পরে জানা যায় যে, অপারেশনের পরে নোলেন একদম সুস্থ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তখনও সে হাসপাতালেই ছিল এবং সেখানেই হাসতে খেলতে শুরু করে এবং সে খুশিতেও ছিল। সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল, কিন্তু একদিন হঠাৎ করে তার শরীর আবার খুব খারাপ হতে শুরু করে। সবাই খুব চিন্তায় পড়ে যায়। আর ডাক্তার যখন তার চেকআপ করে, তখন তারা জানতে পারে যে, তার ফুসফুসে (Lungs) এবার ক্যান্সার দ্বারা আক্রমণ হয়েছে।
এবার সবাই এটা বুঝে গিয়েছিল যে, এই নোলেনের অপারেশন করাটা বিপদ থেকে কম নয়। কারণ তার বয়স অনেকটাই কম, সে এই অপারেশন সহ্য করতে পারবে না। এবার নোলেনের মা-বাবা বুঝেই গিয়েছিল যে, তাদের সন্তান তাদের কাছে আর কয়েকদিনের জন্য রয়েছে। তাই তারা তাদের সন্তানের সঙ্গে একটা মুহূর্ত নষ্ট করতে চাননি। তাই তারা প্রতিটা সময় নোলেনের সঙ্গে কাটাতে চাইতো এবং সবসময় তার সঙ্গে সময় কাটাতো। নোলেনের মা-বাবা তার সঙ্গে সব সময় হাসতে খেলত এবং আনন্দ করতে থাকত এবং তার সঙ্গে সঙ্গে ভগবানের কাছে তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করত। তারা সবসময় চাইতো যেন ভগবান কোনো না কোনো ভাবে তাদের বাচ্চাকে বাঁচিয়ে দেয়। কেবল এই একটা মাত্রই প্রার্থনা করত তারা তাদের ভগবানের কাছে।
বলা হয় যে, নোলেনকে সুস্থ করবার জন্য তার বাবা-মা যা যা সম্ভব সবকিছু করেছিল। তারা সেই সব জায়গায় গেছে, যেখানে নোলেন যেতে চেয়েছিল। আর সেসব জায়গাতেও তারা গেছিল, যেখানে নোলেনকে তারা নিয়ে যেতে চেয়েছিল। তারা সবকিছু করেছিল, যেটাতে নোলেন খুব খুশি হতো। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তারা জানতো যে, একদিন তাদের বাচ্চা তাদেরকে ছেড়ে বহুদূরে চলে যাবে।
এরকমই একদিন নোলেন তার বাড়িতে খুব খেলতে থাকে। আর তার মা স্নান করতে চলে যায়। আর যখন তার মা স্নান করে বের হয়, তখন সে নোলেনকে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। তার মা এই দৃশ্য দেখে খুব ভয় পেয়ে যায়। সে ধরেই নিয়েছিল যে, নোলেন হয়তো তাদেরকে ছেড়ে এবার চলেই গেছে। আর এবার সে হয়তো আর কোনোদিনই ফিরে আসবে না। তার মা নোলেনকে কোলে নিয়ে খুব কাঁদতে শুরু করে। তখন নোলেন হঠাৎ জেগে ওঠে। আর জানেন, নোলেন জেগে উঠে কী বলেছিল? এটা ভালো করে শুনুন। সে বলেছিল, "মম, I love you।" আর এটা বলার পর সে আবার ঘুমিয়ে পড়ে, যার পর নোলেন আর কোনোদিন জেগে ওঠেনি। নোলেন এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিল, এমনকি তার বাবা-মাকেও ছেড়ে।
নোলেন একবার তার বাবা-মাকে বলেছিল যে, যারা যারা তার অন্তিম কার্যে থাকবে, তারা যেন না কাঁদে। সবাই যেন হাসতে হাসতে আসে। আর তার কথা মতন ঠিক এমনটাই হয়েছিল। তার মা-বাবা সবাইকে বলে দিয়েছিল যেন সবাই সেইদিন হাসিখুশি থাকে। হয়তো এমন মা-বাবা এই পৃথিবীর কোথাও নেই, যারা ভুল করেও তাদের সন্তানের মৃত্যুর দিন হাসতে পারবে। আপনি দেখতেই পাচ্ছেন যে, কিভাবে নোলেনের সব আত্মীয় তার কবরস্থানের জায়গায় হাসিমুখে রয়েছে। নোলেন কেবল চার বছরের ছিল। আর তার কেবল একটাই ইচ্ছা ছিল তার মায়ের কাছ থেকে। সেই ইচ্ছাটি হলো, নোলেন চাইতো যেন তার মা একজন পুলিশ অফিসার হয়। আর ঠিক এমনটাই হয়। নোলেনের মৃত্যুর দুই বছর পর তার মা পুলিশের চাকরি পায়। বলা হয় যে, নোলেনের মা খুব বাহাদুর একজন পুলিশ অফিসার ছিল। এটা কিছু লোকের কাছে একটা গল্প হতে পারে, কিন্তু আপনারা 'অদ্ভুত দশ'-এর একজন দর্শক, তাই আপনারা এই মা-বাবার ভাবনাটা ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।
২. লিয়াং ইয়ি: এগারো বছরের দানশীল শিশু
এবার পরের ঘটনাটি শুনুন। এই ঘটনাটি হয়তো আপনাদের চোখে জল এনে দেবেই। কারণ কোনো একটা ছোট্ট বাচ্চা কিভাবে এতটা বুদ্ধিমান হতে পারে যে, সে মৃত্যুর সময় সেই সব কথাগুলো বলতে পারে, যেগুলো কেউ জীবিত থাকা অবস্থাতেও বলতে পারে না। আমি জানি, এই ঘটনাটি শোনার পর আপনারা আবেগপ্রবণ হবেনই। লিয়াং ইয়ি (Liang Yi) নামের এই বাচ্চাটি শিনচেন, চীন শহরে বসবাস করত। বাচ্চাটি কেবল এগারো বছর বয়সী ছিল, তখন তার মৃত্যু ব্রেন ক্যান্সারের জন্য হয়েছিল। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন যে, কিভাবে প্রতিটা ডাক্তার তার মৃত্যুর পর তাকে সম্মান (Respect) দিচ্ছে। প্রতিটা ডাক্তার তার মাথা নিচু করে বাচ্চাটির জন্য প্রার্থনা করছে। কেন করছে জানেন? কারণ বাচ্চাটি মাত্র এগারো বছর বয়সে এমন কাজ করে দেখিয়েছে, যেটা বড় কোনো মানুষ জীবনে করতে পারবে না।
এমনটা হয়েছিল যে, বাচ্চাটির মাত্র এগারো বছর বয়সে ব্রেন ক্যান্সার হয়। বাচ্চাটি প্রায়ই তার বাবা-মাকে বলত যে, তার মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে। কিন্তু সবাই তার এই কথাটিকে সাধারণ কথা হিসাবেই ধরে নিয়েছিল। একদিন যখন এই মাথা যন্ত্রণা অনেক বেশি মাত্রায় হতে থাকে, তখন তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। আর যখন চেকআপের পর রিপোর্ট আসে, তখন সবাই হতবাক হয়ে যায় এবং ভেঙে পড়ে। সবাই এটাই ভাবতে থাকে যে, কেবল এগারো বছর বয়সে কোনো বাচ্চার কিভাবে ব্রেন ক্যান্সার হতে পারে? পরে যখন লিয়াংয়ের ব্রেন ক্যান্সার নিয়ে পর্যবেক্ষণ শুরু করা হলো, তখন জানা যায় যে, এটা ক্যান্সারের 'ফোর্থ স্টেজ' (Fourth Stage) চলছে। মানে, লিয়াংকে এবার কোনোভাবেই বাঁচানো সম্ভব নয়। সব ডাক্তার লিয়াংয়ের মা-বাবাকে এই কথা বলে দেয় এবং লিয়াংও তার এই রোগের কথা জেনে যায়।
লিয়াং কেবল এগারো বছর বয়সী ছিল। এবার আপনারাই বলুন, এই এগারো বছর বয়সের বাচ্চার কাছ থেকে কী বা আশা করা যায়? আপনাদের বলে দিই, লিয়াং অন্যান্যদের থেকে অনেক আলাদা ছিল। লিয়াং তার মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে এবং তার সঙ্গে কথা বলতে থাকে। এবার আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, লিয়াং তার মায়ের সঙ্গে কী কথা বলেছিল? বাচ্চাটি এমন একটি কথা বলে ফেলেছিল, যেটা কারোর ধারণার মধ্যে ছিল না। লিয়াং তার মায়ের কাছে বলে যে, "মা, আমি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছি। কিন্তু আমি তোমার সঙ্গে সারা জীবন সবসময় থাকব। তুমি আমাকে সব সময় অন্যান্যদের মতো অনুভব করবে। মা, আমার শরীরে যত পার্টস (Parts) সঠিকভাবে কাজ করছে, আমি চাই সেই সকল অন্য কোনো বাচ্চা যেন পায়। আর এটাই আমার শেষ ইচ্ছা। আর আমি জানি, তুমি আমার এই কথাটা ঠিক মানবে।"
একজন মা এই পরিস্থিতিতে কী করত? সেটা বিচার করা একটু কঠিন। এইসব কথা শোনার পর লিয়াংয়ের মা একদম ভেঙে পড়ে এবং কাঁদতে শুরু করে। তার মা কী বা করতে পারত? আপনারা তো জানেন যে, একজন মায়ের কাছে তার সন্তানের মৃত্যু দেখা কতটা কষ্টকর হতে পারে। হ্যাঁ, ঠিক এমনটাই হয়। লিয়াংয়ের মা শেষ ইচ্ছার কথা ডাক্তারদের জানায়। আর লিয়াং এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার পর ডাক্তাররা লিয়াংয়ের শরীরের সব পার্টস দান করে দেয়। লিয়াং পৃথিবী ছেড়ে তো এমনিই চলে গেল, কিন্তু যেতে যেতে সে আমাদের অনেক বড় একটা শিক্ষা দিয়ে গেল যে, আমাদের জীবন শুধু নিজেদেরই বেঁচে থাকার জন্য নয়।
৩. ১৬ বছরের কিশোর: ভালোবাসার শক্তি
এবার আমি আরও একটি এরকমই ঘটনা বলতে চলেছি, যেটা সত্যি অনেকটাই কষ্টকর। একটা ছেলে, যার বয়স ১৬ বছর, সে তার বন্ধুদের সঙ্গে সব সময় খেলাধুলা করত। সে খুব আনন্দ করতে ভালোবাসত, কিন্তু একদিন তার এক বন্ধুর সঙ্গে লড়াই হয়ে যায়। ফলে তার শরীরে অনেক জায়গায় ক্ষত হয়। একটা ক্ষত তার মাথায় হয়, যেটা অনেকটা গভীর ক্ষত ছিল। বলা হয় যে, তার মাথায় এত বড় ক্ষত হয়েছিল যে, সে সেখানেই অজ্ঞান হয়ে যায়। তার মাথা থেকে রক্ত বেরোনো বন্ধই হচ্ছিল না।
পরে সবাই জানতে পারে যে, তার মাথায় অনেক টুকরো ঢুকে গিয়েছে। এটা শোনার পর সবাই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। সবাই ভেবে নিয়েছিল যে, হয়তো এই বাচ্চাটি আর বাঁচতে পারবে না। সব ডাক্তাররা বলে দেয় যে, মাথায় চোটটা অনেকটাই গভীর, আর সেটার অপারেশন করতেই হবে। কিন্তু কেউই এটা জানতো না যে, এই অপারেশনের পর ছেলেটি জীবিত অবস্থায় ফিরে আসবে কি আসবে না? কিন্তু আপনারা জেনে অবাক হবেন, বাচ্চাটি অপারেশনের আগে তার বাবাকে যা বলেছিল। বাচ্চাটি বলেছিল, "পাপা, I love you so much. যদি কোনো সময় আমার দ্বারা কোনো ভুল হয়ে থাকে, তবে আমাকে ক্ষমা করবে।" আর এই বাচ্চাটি তারপর তার মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় বলে যে, "মা, আমি তোমাকে অনেকটাই ভালোবাসি।" আর এই কথাটি বলতে বলতে সে খুব কাঁদতে থাকে। কিন্তু আপনি কি জানেন? এরপর কী হয়েছিল? বলা হয় যে, পর পর চার দিন টানা অপারেশনের পরে সে একদম ঠিক হয়ে যায়।
আর একটা কথা আছে না যে, ঈশ্বর আমাদের একটাই জীবন দিয়েছে, যেটাকে মন খুলে উপভোগ করা দরকার। আর এই ছোট ঘটনা দ্বারা আমরা এটাই প্রমাণ পেলাম।
উপসংহার: জীবনের মূল্য ও মহামারীর সতর্কতা
আশা করি আজকের এই তিনটি ঘটনার উদাহরণ থেকে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন নিজেদের কাছের মানুষকে হারানোর দুঃখটা কতটা। তাই একটাই কথা বলব, এই প্যানডেমিকের (Pandemic) সময় নিজেকে 'তিস মার খাঁ' ভাববেন না। দয়া করে সব রকম সেফটি প্রিকশন (Safety Precaution) নেবেন। মাস্ক পরবেন। হাত, মুখ, পা সব সময় সাবান দিয়ে ধুবেন। পাশাপাশি দুই গজ দূরত্ব অবলম্বন করবেন। মাথায় রাখবেন, পৃথিবী এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধে আমাদেরকে জিততেই হবে। আর এই জয়ের জন্য আমরা কেউ প্রাণ দেবো না।
কীওয়ার্ডস: আবেগপ্রবণ গল্প, হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া, জীবনের মূল্য, নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স, ক্যান্সার, অঙ্গ দান, নোলেন, লিয়াং ইয়ি, মানবিকতা, সহানুভূতি, পারিবারিক বন্ধন, মহামারীর সতর্কতা, কোভিড-১৯, জীবন সংগ্রাম, অনুপ্রেরণামূলক।
