পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও বিপজ্জনক ১০ কুকুরের প্রজাতি: টাইগারকেও হার মানায়!

পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও বিপজ্জনক ১০ কুকুরের প্রজাতি: টাইগারকেও হার মানায়!

পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও বিপজ্জনক ১০ কুকুরের প্রজাতি: টাইগারকেও হার মানায়!

বন্ধুরা, আমি যদি আপনাদের প্রশ্ন করি যে, এই পৃথিবীতে সব থেকে পাওয়ারফুল, ডেঞ্জারাস আর অ্যাগ্রেসিভ অ্যানিম্যাল কোনগুলো? তাহলে আপনারা হয়তো মনে মনে সিংহ, টাইগার, ফক্স আর যত বন্য জীব আছে, এদের কথাই বলবেন। কিন্তু আপনি কি জানেন যে, এই পৃথিবীতে কুকুরদের এমনও কিছু প্রজাতি আছে, যারা সিংহ, টাইগার আর বাকি অন্য বন্য জীবগুলোর থেকেও বেশি হুংকার আর আদমখোর হয়? হ্যাঁ বন্ধুরা, ওয়ার্ল্ডের ডগেদের এমনও কিছু ব্রিড এক্সিস্ট করে, যারা সত্যি টাইগারের থেকেও বেশি ডেঞ্জারাস আর তাদের থেকেও বেশি চতুর হয়। এই কুকুরগুলো ঠিক কতটা শক্তিশালী, তা আপনি এই কথাটা থেকেই আন্দাজ করতে পারবেন যে, পুলিশ বা আর্মি থেকে আরম্ভ করে বড় বড় সিকিউরিটি এজেন্সি কোম্পানিরাও এদেরকে ব্যবহার করে অপরাধীদের ধরার জন্য। আর এই এক একটা কুকুরের মার্কেট প্রাইস হয় লক্ষ লক্ষ টাকারও বেশি।

বন্ধুরা, মানুষের সবথেকে ফেটফুল পেট হল কুকুর, যারা নিজের মালিকের জন্য অন্যের প্রাণ নিতেও পারে, আবার নিজের প্রাণ দিতেও পারে। এই জন্য আজও বহু লোক নিজের ঘরবাড়ি দেখাশোনা করার জন্য একটা কুকুরকেই পুষে রাখে। এই কারণে আজ আমি এই ভিডিওর মাধ্যমে আপনাদের এমন কিছু কুকুর দেখাবো, যাদেরকে দেখে আপনি একদম হতবাক হয়ে যাবেন। এই জন্য ভিডিওটাকে স্কিপ করার অপরাধ একদমই করবেন না। আর এরকমই ইন্টারেস্টিং ভিডিও বারবার দেখার জন্য আমাদের চ্যানেল বাঙ্গালা কথাকে এখনই সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকা বেল আইকনে ক্লিক করে অল অপশনটি অবশ্যই সিলেক্ট করে নেবেন।

তাহলে চলুন, শুরু করা যাক!

১. গুল মাস্টিফ (Gull Mastiff): আক্রমণাত্মক স্বভাবের কুকুর

সবার আগে আমরা কথা বলব গুল মাস্টিফের ব্যাপারে। গুল মাস্টিফ একটা আক্রমণকারী স্বভাবের কুকুর, যাদের পা গুলো অনেক লম্বা হয়। এরা খুবই ভয়ঙ্কর প্রজাতির একটা কুকুর, যাদের ওজন হয় মোটামুটি ৫০ থেকে ৬০ কেজি পর্যন্ত। জানলে আপনি অবাক হবেন যে, এদের ব্যাপারে এরকম মনে করা হয় যে, এদেরকে নিজের বাড়িতে পুষে রাখা একটা পুরোপুরি বোকামির কাজ। কারণ এরা যখন রেগে যায়, তখন এরা কারোর কথাই শোনে না। এই সময় এদের সামনে থাকা যেকোনো ব্যক্তি এদের শিকার হয়ে যায়। তা সে নিজের মালিক হোক বা অন্য কেউ, এরা কাউকেই ছেড়ে কথা বলে না। এরা লম্বায় ৬০ থেকে ৭০ সেমি পর্যন্ত হতে পারে, যার জন্য এরা অনেক বড় আকারের জীবগুলোকে দেখেও ভয় পায় না। এদের গড় জীবনকাল হয় ৭ থেকে ১০ বছর। আর যদি এদের দামের কথা বলি, তাহলে এদের দাম হয় প্রায় ৪৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা।

২. উল্ফ ডগ হাইব্রিড (Wolf Dog Hybrid): নিষিদ্ধ ও বিপজ্জনক

বন্ধুরা, কুকুরের কিছু প্রজাতি এমনও আছে, যাদেরকে নেকড়ে (Wolf) আর কুকুরকে একসাথে ব্রিড করে তৈরি করা হয়েছে। এদের মধ্যেই একটা হলো উল্ফ ডগ হাইব্রিড। এই কুকুরগুলো কতটা ডেঞ্জারাস হয়, আপনি এই কথাটা থেকেই আন্দাজ করতে পারবেন যে, আমেরিকার কিছু রাজ্যে এদেরকে পোষার উপর নিষেধাজ্ঞা (Prohibition) লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ এরা যেকোনো সময় যে কারোর ওপরেই অ্যাটাক করে দিতে পারে। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ সালের মধ্যে এই প্রজাতির কুকুর ২৪টা লোকের প্রাণ নিয়ে নিয়েছিল আর বহু লোককে আহত করেছিল। আর তারপর থেকেই এদেরকে আমেরিকার বিশেষ কিছু জায়গাগুলোতে নিষিদ্ধ (Banned) করে দেওয়া হয়। এমনকি এরপর থেকে ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ আর চীনের মতো দেশগুলোতেও এদেরকে পোষা অবৈধ (Illegal) বলে মনে করা হয়।

আর যদি এরকম করতে গিয়ে কেউ ধরা পড়ে, তাহলে তাকে বেশ কয়েকদিন জেলে থাকতে হতে পারে। তার সাথে জরিমানাও দিতে হতে পারে। যদি এদের ওজনের কথা বলি, তাহলে এরা ওজনে ৩৫ থেকে ৫০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। বন্ধুরা, বেশিরভাগ জায়গাগুলোতে নিষিদ্ধ হবার পরেও এদেরকে অন্য সাধারণ কুকুরগুলোর থেকে অনেকটাই বেশি দামে বিক্রি করা হয়, যা মোটামুটি ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আর ১২ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত এরা বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু যদি ঠিকঠাক খোরাক পায়, এর থেকেও বেশি দিনের এরা বাঁচতে পারে।

৩. গ্রেট ডেন (Great Dane): কিলিং মেশিন?

এই প্রজাতির কুকুরদের বেশিরভাগ জার্মানিতে দেখতে পাওয়া যায়। যদি এদেরকে ঠিকঠাক ট্রেনিং দেওয়া হয়, তাহলে এরা আপনার বাড়ির সব থেকে ভালো সিকিউরিটি হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু যদি এদেরকে সঠিক ট্রেনিং না দেওয়া হয়, তাহলে এরা খুবই বিপদজনক হয়ে যেতে পারে। আর এইসব কারণেই অনেক লোকেদেরকে 'কিলিং মেশিন'ও বলে থাকেন। যদি এদের ওজনের কথা বলি, তাহলে এরা ওজনে প্রায় ৫৪ থেকে ৬০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। আর উচ্চতায় ৭০ থেকে ৯০ সেমি পর্যন্ত, যাদের জীবনকাল মোটামুটি ৭ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত হয়।

৪. বক্সার (Boxer): শিকারী কুকুরদের বংশধর

এবার কথা বলব বক্সারের ব্যাপারে। বন্ধুরা, যদি আপনারা ভেবে থাকেন যে, শুধুমাত্র বন্য পশুরাই শিকার করতে পারে, তাহলে আমি আপনাকে বলে দিই যে, এটা আপনার সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বক্সার ডগকে শিকারী কুকুরদের বংশধর বলা হয়। এদেরকেও বেশিরভাগ জার্মানিতেই দেখতে পাওয়া যায়। এদের শরীরের সব থেকে মজবুত অংশ হলো এদের মুখ। কারণ এরা এক কামড়ে মানুষের শরীরের হাড়কেও ভেঙে ফেলতে পারে। কিন্তু রাগে এরা খুবই কম। এদের ওজন হয় ৩০ থেকে ৩২ কেজির মধ্যে আর লম্বায় ৫২ থেকে ৬৪ সেমি পর্যন্ত, যারা মোটামুটি ৯ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। সঠিক ট্রেনিং দেবার পর আপনি এদেরকে নিজের বাড়িতেই অবশ্যই পুষতে পারেন।

৫. ডোবারম্যান পিন্সার (Doberman Pinscher): পুলিশের বিশ্বস্ত সঙ্গী

এবার কথা বলব ডোবারম্যানের ব্যাপারে। ডোবারম্যানকে বেশিরভাগ পুলিশরাই নিজের কাজে ব্যবহার করে। কিন্তু অনেক সাধারণ মানুষ নিজের বাড়িতেও পুষে রাখে। এরা আক্রমণাত্মক হওয়ার সাথে সাথেই নিজের মালিকের কাছে খুবই বিশ্বস্ত হয়। জানলে আপনি অবাক হবেন, এরা অন্য কাউকে দেখলেই তার উপরে অ্যাটাক করে দেয়, কিন্তু নিজের মালিককে দেখার পর শান্তও হয়ে যায়। যারা ওজনে প্রায় ৩৪ থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত হয়। কিছু দেশে এদেরকে পোষা অবৈধ, আবার অনেক দেশে আপনি এদেরকে পুষতেও পারেন। এদের শরীর পাতলা হবার জন্য এরা খুবই চঞ্চল স্বভাবের হয়। এর পাশাপাশি এরা খুবই স্মার্ট হয়, যার জন্য বেশ কিছু মিলিটারি ট্রেনিংয়ে এদেরকে নেওয়া হয়।

যদি এদের লুকের কথা বলি, তাহলে এদেরকে দেখতে একদম রয়্যাল লাগে। এরা লম্বায় ৬০ থেকে ৭২ সেমি পর্যন্ত হতে পারে, যাদের প্রাইস ইন্ডিয়াতে ৪০ হাজার থেকে শুরু হয়। আর এরা বেঁচে থাকতে পারে ১০ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত। বন্ধুরা, আপনারা যদি ভিডিওটার পার্ট টু দেখতে চান, তাহলে আমাদের কমেন্টে 'পার্ট টু' লিখে অবশ্যই জানাবেন।

৬. আলাস্কান মালামুট (Alaskan Malamute): ঠান্ডা এলাকার শক্তিশালী কুকুর

আলাস্কান মালামুট প্রজাতির কুকুরগুলোকে নর্থ আমেরিকাতে দেখতে পাওয়া যায়, যাদেরকে অনেকটা ফক্সের মতো দেখতে লাগে। এদের ওজন হয় ৩৪ থেকে ৪৯ কেজি পর্যন্ত আর ৫৬ থেকে ৬৮ সেমি পর্যন্ত এরা লম্বা হতে পারে। এই প্রজাতির কুকুরগুলো বুদ্ধিমান হওয়ার পাশাপাশি ভরপুর এনার্জি আর আক্রমণাত্মক স্বভাবের হয়। আপনাকে বলে দিই যে, এদের শরীরে এক ধরনের বিশেষ বিষ (Poison) পাওয়া যায়, যার জন্য মানুষের শরীরে এরা মারাত্মকভাবে ক্ষতি করতে পারে। বন্ধুরা, কিছু লোক এটাও বলেন যে, এরা খুবই শান্ত স্বভাবের হয়, যারা ছোট বাচ্চাদের অনেক বেশি পছন্দ করে। এদের জীবনকাল হয় ১০ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত।

৭. জার্মান শেফার্ড (German Shepherd): পুলিশ ডগ

বন্ধুরা, জার্মান শেফার্ড, যাকে 'পুলিশ ডগ' নামেও জানা যায়, এরা পৃথিবীর দশটি সব থেকে ডেঞ্জারাস কুকুরগুলোর মধ্যে একটা। এরা পুরোপুরি আক্রমণাত্মক স্বভাবের হয়, যারা নিজের শিকারের ওপরে নিজের দাঁত দিয়ে মোটামুটি ১৮০ কেজি পর্যন্ত প্রেসার দিতে পারে। তারপর শিকারের বাঁচা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। কিন্তু জানলে আপনি অবাক হবেন যে, এদের ওজন হয় শুধুমাত্র ৩০ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত। অনেক দেশ এদের ওপরে নিষেধাজ্ঞা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ভারত বা বাংলাদেশে আপনি এদেরকে চাইলেই পুষতে পারেন। এরা লম্বায় ৬০ থেকে ৬৬ সেমি পর্যন্ত হতে পারে, যাদেরকে শিকারী কুকুরও বলা হয়। এদের ব্যাপারে এই কথাটাও প্রচলিত আছে যে, এরা যদি নিজের মালিকের গায়ের গন্ধ একবার শুঁকে নেয়, তাহলে বহু বছর পর্যন্ত সেটা মনে রাখে। জার্মান শেফার্ডের বাচ্চা দেখতে খুবই কিউট হয়, যারা ৯ থেকে ১৩ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

৮. সাইবেরিয়ান হাস্কি (Siberian Husky): বরফের রাজা

হাস্কি প্রজাতির কুকুরগুলো বিপজ্জনক হওয়ার সাথে সাথে খুবই বুদ্ধিমান হয়। মানে এদের বোধবুদ্ধি হয় অনেক বেশি। এদেরকে 'স্ল্যাশ ডগ' (Sled Dog) নামেও জানা যায়। কারণ এরা চাকাহীন গাড়িগুলোকে বরফের মধ্যে টানতে একদম মাহির হয়। কিন্তু যখন এরা রেগে যায়, তখন এরা যে কারোর প্রাণ নিয়ে নিতে পারে। এরা ওজনে ২০ থেকে ২৭ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। আর এই কম ওজনের জন্য এরা ছুটতে পারে অনেক দ্রুত গতিতে। এই জন্য কোনো শিকারী এদের থেকে পালাতে পারে না। এরা লম্বায় ৫০ থেকে ৬০ সেমি পর্যন্ত হয়।

এদেরকে যদি আপনি কিনতে চান, তাহলে আপনাকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হতে পারে। আর এরা বেঁচে থাকে ১২ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত। হাস্কিদের বেশিরভাগ ঠান্ডা জায়গাগুলোতেই দেখা যায়। গরম জায়গাতে এদেরকে পোষা এদের প্রাণের জন্য বিপদজনক হতে পারে। কারণ এরা বেশি তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না।

৯. রটওয়েলার (Rottweiler): শক্তিশালী কামড়

রটওয়েলার প্রজাতির কুকুরগুলো শক্তিশালী হওয়ার সাথে সাথে খুবই দ্রুত গতিতে কাউকে কামড়াতে একদম মাহির হয়। যদি এক কথায় বলি, তাহলে এদের শরীরে টাইগার বা সিংহের মতোই স্ট্যামিনা আর পাওয়ার থাকে। এরা ১৪৬০ নিউটন মানে ১৩৮ কেজি প্রেসার দিয়ে যে কাউকে কামড়াতে পারে। এরা ওজনে ৩৫ থেকে ৪৮ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। অনেক দেশে এদেরকে পোষা আইনত অপরাধ। লম্বায় এরা ৫৬ থেকে ৭০ সেমি পর্যন্ত হয়, যাদের মার্কেট প্রাইস হলো ১৮ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এরা বেঁচে থাকে ৭ থেকে ৯ বছর পর্যন্ত, যা খুবই কম বলে মনে করা হয়। কিন্তু ভালো ডায়েট পেলে এরা এর থেকেও বেশিদিন বাঁচতে পারে। এই কুকুরগুলো আক্রমণাত্মক তো হয়ই, কিন্তু নিজের মালিকের কাছে খুবই বিশ্বস্ত হয়। সাথে বাচ্চাদের এরা খুবই পছন্দ করে।

১০. পিটবুল (Pitbull): সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রজাতি

এবার সব থেকে শেষে কথা বলব পিটবুলের ব্যাপারে। এই প্রজাতির কুকুরদেরকে সব থেকে বিপজ্জনক আর আক্রমণকারী স্বভাবের বলে মনে করা হয়। পৃথিবীতে বেশিরভাগ দেশগুলোতেই এদেরকে পোষা অবৈধ। যদিও আমেরিকা সহ বেশ কিছু দেশে এদেরকে পোষা যায়, কিন্তু তার জন্যও আপনাকে এক ধরনের বিশেষ পারমিশন নিতে হবে গভর্নমেন্টের কাছ থেকে। আর সঠিক ট্রেনিং তো অবশ্যই দরকার। এদের ওজন হয় ১৬ থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত। বডিটা পুরোটাই মাসকুলার, যার জন্য এরা ভারী জিনিসগুলোকেও খুবই সহজেই টানতে পারে। লম্বায় এরা ৪৩ থেকে ৫৩ সেমি পর্যন্ত হয়। যেহেতু বেশিরভাগ দেশগুলোতেই এদেরকে পোষা যায় না, তাই এদের সঠিক দামের ব্যাপারে কিছু বলা যায় না। আর এদের জীবনকাল হয় ১০ থেকে ১৬ বছর পর্যন্ত।

উপসংহার

তাহলে বন্ধুরা, কেমন লাগলো এই কুকুরগুলোকে দেখে? আমাদের নিচে কমেন্ট করে অবশ্যই বলবেন। আর বন্ধুরা, ভিডিওগুলো বানানোর জন্য আমাদেরকে অনেকটাই মেহনত করতে হয়। এই জন্য একটা লাইক অবশ্যই করে দেবেন। আর আমাদের বাঙ্গালা কথাকে যদি এখনো সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনই সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকা বেল আইকনে ক্লিক করে অল অপশনটি অবশ্যই সিলেক্ট করে নেবেন।

তাহলে বন্ধুরা, দেখা হবে পরের ভিডিওতে।

কীওয়ার্ডস: শক্তিশালী কুকুর, বিপজ্জনক কুকুর, অ্যাগ্রেসিভ কুকুর, গুল মাস্টিফ, উল্ফ ডগ হাইব্রিড, গ্রেট ডেন, বক্সার, ডোবারম্যান, আলাস্কান মালামুট, জার্মান শেফার্ড, সাইবেরিয়ান হাস্কি, রটওয়েলার, পিটবুল, কুকুরের প্রজাতি, দেশি কুকুর, বিদেশি কুকুর, পুলিশ ডগ, শিকারী কুকুর, কুকুর পালন, কুকুরের যত্ন, কুকুরের আচরণ, কুকুরের দাম।

নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال