ইস্টার আইল্যান্ডের রহস্য: মোয়াই মূর্তিগুলো কে বানিয়েছিল এবং কেন?
হেই বন্ধুরা, চিলির শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত গভীর প্যাসিফিক ওশানে ঠিক এই জায়গায় একটি ছোট্ট আইল্যান্ড দেখতে পাওয়া যায়, যার চারিপাশে কেবলমাত্র শুধু জল আর জল রয়েছে। আর এটাকে ইস্টার আইল্যান্ড (Easter Island) বলা হয়। যদিও এই ইস্টার আইল্যান্ড যথেষ্ট ফেমাস, কিন্তু এই ফেমাস হওয়ার পেছনে একটি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে। আর সেই কারণটি হলো এখানে থাকা এই অদ্ভুত মূর্তিগুলো। কিন্তু প্যাসিফিক ওশানে থাকা এই আইল্যান্ডে কয়েক হাজারেরও বেশি সংখ্যায় দেখতে পাওয়া এই মূর্তিগুলো আসলে কারা বানিয়েছিল? তারা কি অন্য কোনো জগৎ থেকে আসা কোনো এলিয়েন, নাকি আমাদের মতনই মানুষ? আজকে বাঙ্গালা কথার এই ভিডিওটিতে ইস্টার আইল্যান্ড এবং ইস্টার আইল্যান্ডে থাকা এই মূর্তিগুলোর রহস্য নিয়ে বিস্তারিত জানব।
তো চলুন, শুরু করা যাক!
১. ইস্টার আইল্যান্ডের আবিষ্কার ও প্রথম পর্যবেক্ষণ
১৭২২ সালে, মানে আজ থেকে প্রায় ৩০০ বছর পূর্বে একজন ইউরোপিয়ান এক্সপ্লোরার, জ্যাকব রগিবিন (Jacob Roggeveen) নিজের নৌকা করে ভাসতে ভাসতে ভুল করে এই আইল্যান্ডে এসে পৌঁছেছিলেন। উনি এখানে এসে সর্বপ্রথম দেখেছিলেন কিছু মূর্তি সমুদ্রের দিকে পিঠ করে দাঁড়িয়ে রয়েছে, আর যেগুলোকে দেখেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল যে, ওই মূর্তিগুলোকে খুবই ধৈর্য দিয়ে হাতুড়ি দিয়ে কেটে কেটে বানানো হয়েছিল। জ্যাকবের এই জায়গাটি যথেষ্ট অদ্ভুত লেগেছিল, যে কারণে সে সঙ্গে সঙ্গে ওই জায়গাটিকে এক্সপ্লোর করা শুরু করে। এক্সপ্লোর করবার পর তিনি জানতে পারেন যে, আইল্যান্ডে শুধুমাত্র কয়েকটি মূর্তিই নেই, বরং পুরো আইল্যান্ডেই বিভিন্ন জায়গায় কয়েকশো মূর্তি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে কিছু মূর্তি দাঁড়িয়ে রয়েছে আবার কিছু মূর্তি মাটিতে পড়া অবস্থায় রয়েছে। যেদিন এই এক্সপ্লোরার এই আইল্যান্ডে এসেছিল, ওই দিনটা ছিল ইস্টার সানডে (Easter Sunday)। আর ঠিক এই কারণেই এই আইল্যান্ডের নাম রাখা হয়েছিল ইস্টার আইল্যান্ড।
এই সময় এই আইল্যান্ডে কেবলমাত্র হাতে গোনা কয়েকজন লোক বসবাস করত। আর তারা এই আইল্যান্ডকে 'রাপা নুই' (Rapa Nui) নামে ডাকত। কিন্তু এই মূর্তিগুলোকে কবে, কখন এবং কে বানিয়েছিল, এর উত্তর ওই আইল্যান্ডে থাকা হাতে গোনা মানুষগুলো জানত না। ব্যাস, ওইদিন থেকেই এই জায়গায় আর্কিওলজিস্টদের আসা যাওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে অসংখ্য মানুষ এই রহস্যজনক আইল্যান্ডকে কেবলমাত্র দেখার জন্যই যায়। আবার কিছু মানুষ এর পেছনে লুকিয়ে থাকা রহস্য উন্মোচন করতেও আসে।
২. মোয়াই মূর্তি: আকার, ওজন ও লুকানো দেহ
বিগত ৩০০ বছরের কঠোর পরিশ্রমের শেষমেষ আর্কিওলজিস্টরা এই জায়গাটি থেকে এমন কিছু তথ্য বের করেছে, যেগুলো দেখার পর এটা বলা ভুল হবে না যে, আমরা এই রহস্য উন্মোচন করার খুব কাছে চলে এসেছি। ইস্টার আইল্যান্ড সমুদ্রের এমন জায়গায় অবস্থান করে রয়েছে যে, এর পাশের আইল্যান্ড মানে 'পিটকেয়ার্ন আইল্যান্ড' (Pitcairn Island), ইস্টার আইল্যান্ড থেকে ২০৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আর এই দ্বীপে কোনো মানুষই বসবাস করে না। মাত্র ৫০০ জন মানুষের বসতি যে আইল্যান্ডে রয়েছে, সেই আইল্যান্ডটি ইস্টার আইল্যান্ড থেকে ২৬০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যাকে 'ম্যানগ্রেভা আইল্যান্ড' (Mangareva Island) বলা হয়। এমনকি ইস্টার আইল্যান্ড, চিলির টেরিটরিতে (Territory) পড়ে, কিন্তু চিলি থেকে এর দূরত্ব ৩৫১২ কিলোমিটার। আজকের সময়ে এই আইল্যান্ডে যেতে কেবলমাত্র প্লেনেরই ব্যবহার হয়ে থাকে, যা চিলি থেকে ইস্টার আইল্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছাতে পুরো ৫ ঘণ্টা সময় নেয়।
একটি নরমাল সাইজের শহরের মতো বড় এই আইল্যান্ডে প্রায় ১০০০ বড় বড় স্ট্যাচু মজুত রয়েছে। স্ট্যাচুগুলোকে স্থানীয় ভাষায় 'মোয়াই' (Moai) বলা হয়। এই স্ট্যাচুগুলোর মধ্যে কিছু স্ট্যাচুর চোখ আছে আবার কিছু স্ট্যাচুর চোখ বানানোই হয়নি। কিন্তু এদের লম্বা নাক, তীক্ষ্ণ চোয়াল, চ্যাপ্টা মাথা এবং লম্বা চেহারা এদের এক আলাদাই পরিচয় দেয়। একটি এস্টিমেট অনুযায়ী, এগুলো ১৩ শতকে বানানো হয়েছিল, মানে আজ থেকে প্রায় ৭০০ বছর পূর্বে। অনেক স্ট্যাচু নিজের বডি সমেত আইল্যান্ডের বর্ডারে এখনো দাঁড়িয়ে রয়েছে। আবার কিছু স্ট্যাচুর কেবলমাত্র মুখটাই মাটির ওপরে থাকতে দেখা যায়।
কিন্তু ২০১২ সালে একটি পরীক্ষা চলাকালীন একটি বিশাল বড় রহস্যের উপর থেকে পর্দা সরে যায়। জানা যায় যে, কেবলমাত্র এদের চেহারাই নয়, এদের সম্পূর্ণ দেহকে মাটির তলায় কবর দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এদের মধ্যে সবথেকে লম্বা স্ট্যাচুর উচ্চতা ৩৩ ফুট, মানে একটা প্যাসেঞ্জার বাসের সমান। অন্যদিকে, এর ওজন বলা হয় ৯০,০০০ কেজি, যেটাকে ওঠানো তো দূরের কথা, এটাকে কেবলমাত্র একটু নাড়ানোর জন্যই ৫০০ জন লোকের প্রয়োজন পড়তে পারে।
৩. মোয়াই নির্মাণ কৌশল: কিভাবে তৈরি ও সরানো হয়েছিল?
আশ্চর্যজনক তথ্য তখন উঠে আসে, যখন এখানে আরও একটি গবেষণার দরুন এক্সপার্টরা এমন একটি স্ট্যাচু খুঁজে পায়, যেটাকে ইনকমপ্লিট অবস্থায় রেখে দেওয়া হয়েছিল। এক্সপার্টদের ক্যালকুলেশন অনুযায়ী, এই ইনকমপ্লিট স্ট্যাচুটির উচ্চতা প্রায় ৭০ ফিট। আর এটাকে যদি সম্পূর্ণ করা হয়, তাহলে এর ওজন এসে দাঁড়াবে প্রায় ৩০০ টনের কাছাকাছি। পাথরকে ধীরে ধীরে ভেঙে স্ট্যাচু বানানো, তারপর এতো ওজনের স্ট্যাচুকে আইল্যান্ডের ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এনে রাখা - এটা এমন একটা কাজ ছিল, যেটা মানুষের দ্বারা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। যদিও বহু বছর পর্যন্ত মানুষের ধারণা ছিল, এগুলো ভিনগ্রহ থেকে এসে এলিয়েনরা করেছে।
কিন্তু মডার্ন রিসার্চের মাধ্যমে এই থিওরি সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়। কারণ সায়েন্টিস্ট এবং আর্কিওলজিস্টরা এমন অনেক প্রমাণ পেয়ে গিয়েছিল, যেটার দ্বারা এটা খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছিল যে, এই স্ট্যাচুগুলো এই আইল্যান্ডে মজুত থাকা ভলকানো থেকে রিলিজ হওয়া ভলকানিক অ্যাশ স্টোন (Volcanic Ash Stone) দিয়ে বানানো হয়েছিল। অতএব, এই মূর্তি এই আইল্যান্ডে থেকেই বানানো হয়েছিল। এক্সপেরিমেন্ট চলাকালীন যখন এই স্ট্যাচুগুলোর চোখ বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল, তখন এই কাজটি সম্পূর্ণ করতে পুরো ৩ দিন সময় লেগে গেছিল। এই কাজটি সম্পন্ন করতে একটি বিশেষ ধরনের টুলসের ব্যবহার করা হয়েছিল, যেটা পুরনো সময়ের মানুষ পাথর কাটার জন্য ব্যবহার করত। এক্সপার্টরা মনে করেন, এরকম একটি ফুল সাইজ স্ট্যাচু বানানোর জন্য ১২ জনের একটি শ্রমিকের টিম কম করে ১ বছর সময় লাগাবে। এখানে মজুত থাকা ইনকমপ্লিট স্ট্যাচুগুলোকে দেখে এটা আন্দাজ করা হয়েছে যে, বড় পাথরগুলোকে পড়ে থাকা অবস্থাতেই টুলস ব্যবহার করে সেটাকে স্ট্যাচুর রূপ দেওয়া হতো। স্ট্যাচুর রূপ দেওয়ার পর পাথরটিকে আলাদা করে নেওয়া হতো।
গবেষকদের টিম এই স্ট্যাচু বানানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে তো বুঝতে পেরে গিয়েছিল, কিন্তু এবার এটা বোঝা খুব কঠিন হয়ে পড়েছিল যে, এত বড় বড় স্ট্যাচুগুলোকে ভলক্যানিক সাইড থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে এই আইল্যান্ডটির অন্যত্র কিভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল? কারণ এখানকার একটি স্ট্যাচুর ওজন প্রায় ১৪ খানা হাতির ওজনের সমান। আজকের দিনেও যদি কোনো মেশিনের সাহায্য না নেওয়া হয়, তাহলে এই কাজ করা বলতে গেলে অসম্ভব। এই বিষয়ে অধিক জানবার জন্য, যে সমস্ত স্ট্যাচু মাঝ রাস্তায় মাটিতে শোয়ানো অবস্থায় ছিল, তাদের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। আর এই সবগুলো পড়ে থাকা স্ট্যাচুগুলোতে একটা জিনিস কমন ছিল। যে সমস্ত স্ট্যাচুগুলো উপুর হয়ে পড়েছিল, সেগুলোকে পাথরের ওপর পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। আর যেগুলো পিঠের দিকে, সেই স্ট্যাচুগুলোকে পাহাড়ের চড়াইয়ে পাওয়া গিয়েছিল। আর এটা দেখে এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল যে, যখন স্ট্যাচুগুলোকে ট্রান্সপোর্ট করা হচ্ছিল, তখন এগুলো স্ট্যান্ডিং পজিশনে ছিল। আর ট্রান্সপোর্টের সময়েই এগুলো ভেঙে পড়ে গিয়েছিল।
এক্সপার্টরা মনে করেন যে, এই স্ট্যাচুগুলোকে দড়ির মাধ্যমে বেঁধে ব্যালেন্স করা হতো। তারপর এগুলোকে আস্তে আস্তে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হতো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। আজ্ঞে হ্যাঁ, এই স্ট্যাচুগুলোকে ধীরে ধীরে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে আইল্যান্ডের বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়েছিল। আর এই বিষয়টিকে প্রমাণ করবার জন্য কংক্রিটের মাধ্যমে একটি স্ট্যাচু বানানো হয়েছিল। আর এর তিন সাইডে দড়ি বেঁধে এটাকে ব্যালেন্স করা হয়েছিল। একটি বিশেষ অ্যাঙ্গেলে স্ট্যাচুটাকে ঝাঁকানোর পর যখন একটি সাইড থেকে ধীরে ধীরে দড়ি টানা হচ্ছিল, তখন স্ট্যাচুটি আশ্চর্যজনকভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকছিল। এমনভাবেই এই স্ট্যাচুটাকে ৫০ ফুট ডিসটেন্স পর্যন্ত মুভ করা হয়েছিল, যেটা থেকে এটা প্রমাণ হয়ে যায় যে, ইস্টার আইল্যান্ডের লোকেরা স্ট্যাচুগুলোকে এই একই ভাবে মুভ করেছিল।
৪. সভ্যতার পতন: ডি-ফরেস্টেশন ও যুদ্ধ
কিন্তু এখনো একটা রহস্য উন্মোচন করা বাকি ছিল, আর সেটা হলো এগুলো আসলে বানিয়ে ছিল কে? আর এখানে এমন কী হয়েছিল যে, সেটার কারণে তারা অনেক স্ট্যাচু ইনকমপ্লিট অবস্থায় ফেলে রেখে চলে গিয়েছিল? একটি স্টাডিতে বলা হয়েছে যে, ইস্টার আইল্যান্ডে একটা সময় ১৭,৫০০ জন লোক বসবাস করত, যারা ১৩ শতকে এই আইল্যান্ডে এসেছিল, মানে আজ থেকে ৭০০ বছর আগে। আশ্চর্যজনকভাবে এই আইল্যান্ডটি সেই সময় এইরকম দেখতে ছিল না, যেমনটা এই সময় দেখতে পাওয়া যায়। সেই সময় এখানে প্রচুর ঘনঘন জঙ্গল ছিল। আর সেটার প্রমাণ এই আইল্যান্ড থেকে পাওয়া গিয়েছে। ইস্টার আইল্যান্ড থেকে ২৫টি আলাদা আলাদা পোলেন এভিডেন্স (Pollen Evidence) পাওয়া গিয়েছে, যেগুলোর মধ্যে সব থেকে বেশি পোলেন এভিডেন্সের মাত্রা ছিল তাল গাছের। তবে এখানে যদি এতই গাছ থেকে থাকে, তবে সেগুলো এখন কোথায় গেল?
গবেষকরা এটা মনে করেন যে, এখানে অতিরিক্ত মাত্রায় ডি-ফরেস্টেশন (Deforestation) করা হয়েছিল। আর এটা মনে করা হয় যে, তাল গাছের এই জঙ্গল এখানে আসা মানুষদের হয়তো কোনো কাজেরই ছিল না। কারণ তারা কৃষক ছিল। তাদের হয়তো এমন একটা জায়গার প্রয়োজন ছিল, যেখানে তারা চাষবাস করতে পারবে এবং এই স্ট্যাচুগুলোকে খুব সহজেই মুভ করতে পারবে। আর হয়তো এই কারণেই তারা নিজেদের হাতেই এই জঙ্গলগুলোকে শেষ করেছিল। অতিরিক্ত মাত্রায় ডি-ফরেস্টেশনের কারণে এই আইল্যান্ডের সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম (Ecosystem) খারাপ হয়ে যায়। আর ধীরে ধীরে অনেকটা স্লো পয়জেনের (Slow Poison) এর প্রভাব কাজ করে। আর এখানেও সেই একই ঘটনা ঘটেছিল।
শুরুর দিকে হয়তো ওই মানুষগুলো তেমন কিছুই বুঝতে পারেনি। কিন্তু ধীরে ধীরে সময়ের সাথে এখানকার জমি একদম রুক্ষ হয়ে যায়, যে কারণে আইল্যান্ডে বসবাসকারী লোকেদের কাছে খাদ্যের অভাব শুরু হয়। আর এরপর হয়তো তারা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে শুরু করে। আর এরও প্রমাণ এই আইল্যান্ড থেকে পাওয়া গিয়েছে। আসলে এই আইল্যান্ড থেকে অনেক মানুষের হাড় এবং স্কেলিটনও (Skeleton) পাওয়া গিয়েছে। আর সেই হাড়গুলোর ওপরে ক্ষত চিহ্ন দাগও ছিল। আর এটা পরিষ্কার প্রমাণ করে দেয় যে, এখানে একটা যুদ্ধ হয়েছিল, যে কারণে এখানে ধীরে ধীরে পপুলেশন কমতে থাকে। আর শেষমেষ এমন একটা দিন আসে, যেদিন বেঁচে থাকা লোকগুলো এখান থেকে কোনো রকম ভাবে বেরিয়ে অন্য কোথাও চলে গিয়েছিল।
বর্তমান সময়ে এই আইল্যান্ড ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের (UNESCO World Heritage) একটি অংশ, যেখানে এই বড় বড় মূর্তিগুলোকে দেখে মনেই হয় না যে, এইগুলো মানুষের দ্বারা তৈরি। তবে অনেকে মনে করে এই মূর্তিগুলোকে রিলিজিয়াস পারপাসের (Religious Purpose) জন্য বানানো হয়েছে। আবার অনেকে অন্যান্য কারণ জানায়। আপনার কী মনে হয়? অবশ্যই সেটা কমেন্ট বক্সে জানাবেন।
উপসংহার
ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক করবেন, কমেন্ট করবেন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। পাশাপাশি বাঙ্গালা কথা চ্যানেলে নতুন হলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন। এরকমই ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে।
সর্বশেষে থ্যাঙ্কস ফর ওয়াচিং, স্টে হ্যাপি, স্টে কুল।
কীওয়ার্ডস: ইস্টার আইল্যান্ড, মোয়াই মূর্তি, রাপা নুই, রহস্যময় মূর্তি, প্যাসিফিক ওশান, প্রত্নতত্ত্ব, ডি-ফরেস্টেশন, সভ্যতার পতন, এলিয়েন থিওরি, ভলকানিক অ্যাশ স্টোন, ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ, প্রাচীন সভ্যতা, দ্বীপের রহস্য, মোয়াই নির্মাণ, মোয়াই পরিবহন, পোলেন এভিডেন্স, ইকোসিস্টেম পতন, রাপা নুই সংস্কৃতি।
