ইতিহাস ও বিজ্ঞানের ৬টি বড় মিথ্যা: যা শত শত বছর ধরে মানুষ বিশ্বাস করে আসছে!

 


ইতিহাস ও বিজ্ঞানের ৬টি বড় মিথ্যা: যা শত শত বছর ধরে মানুষ বিশ্বাস করে আসছে!

হেই বন্ধুরা, আমরা বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির একটি অদ্ভুত রোমাঞ্চকর সময় বসবাস করছি। যদি আমাদের কখনও কোনো কিছু জানবার প্রয়োজন হয়ে পড়ে, তবে আমরা খুব সহজেই হাতের মুঠোয় থাকা মোবাইল অথবা কম্পিউটারে গুগল সার্চ করে যেকোনো তথ্য খুব সহজেই জেনে নিতে পারি। সেটাও আবার একেবারে সঠিক এবং নির্ভুলভাবে। কিন্তু আমাদের পৃথিবীতে আবার কালের বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে এই নিত্য নতুন প্রযুক্তির যুগে এসে পৌঁছেছে। পুরনো সময়ে মানুষ এমন কিছু কথার উপর বিশ্বাস করত, বর্তমান প্রযুক্তিতে যা একটা হাস্যকর বিষয়। সেই সময়ে সমাজে উচ্চ স্থান দখলকারী মানুষেরা বিভিন্ন ধরনের মনগড়া কথা সমাজে নির্দ্বিধায় ছড়িয়ে দিত আর সেই সময় সমাজের মানুষেরা সেটা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাসও করে নিত। যদিও সেই সময়কার মানুষদের দোষ দিয়ে লাভ নেই, কারণ তাদের কাছে তো আর সেই সময় গুগল বা মোবাইল কিংবা ইন্টারনেট ছিল না, যে কারণে তারা সেই সব মনগড়া কথা বিশ্বাস করে নিত। আজ বাঙ্গালা কথার এই ভিডিওটিতে আমি আপনাদের দেখাতে চলেছি এমন কিছু মিথ্যা কথা, যেটা শত শত বছর ধরে ইতিহাসে বিভিন্ন সময় মানুষেরা বিশ্বাস করে আসছে।

তো চলুন, বেশি দেরি না করে আজকের ভিডিওটিকে শুরু করা যাক!

১. গ্রেট ওয়াল অফ চায়না (Great Wall of China): মহাকাশ থেকে দেখা যায়?

গ্রেট ওয়াল অফ চায়না হলো পৃথিবীর সব আশ্চর্যের মধ্যে একটি, যেটা দেখবার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা এখানে আসে। আর যেহেতু এটা ইতিহাসে মানুষের দ্বারা তৈরি এক বিশাল বড় প্রতিরক্ষা পাঁচিল, সেই পাঁচিলের আকর্ষণে বহুদূর থেকে পর্যটকেরা এখানে ঘুরতে আসে। আর এই পাঁচিলকে প্রায় কয়েকশত বছর আগে তৈরি করা হয়েছিল। এই প্রতিরক্ষা প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ২১,১৯৬ কিলোমিটার। আর এই প্রতিরক্ষা পাঁচিলকে কেন্দ্র করে ইতিহাসে মোট দুটি গুজব ছড়ানো হয়েছিল।

প্রথমটি হলো যে, মহাকাশ থেকে এই প্রতিরক্ষা পাঁচিলকে স্পষ্ট দেখা যেত। কিন্তু বর্তমান সময়ে কিছু মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানায় যে, পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এই প্রতিরক্ষা প্রাচীরটি কেবল আবছা আবছা দেখা যায়। আর সেটাও দেখা যায় কেবলমাত্র আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে। যেমনটা পৃথিবীর অন্যান্য বড় বড় স্থানগুলো মহাকাশ থেকে দেখা যায়। কিন্তু মানুষ পূর্বে ভাবতো যে, মহাকাশ থেকে এই প্রতিরক্ষা সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি অনেকে এটাও ভাবতো যে, চাঁদ থেকে এই পাঁচিলকে স্পষ্ট দেখা যায়।

১৭৫৪ সালের দিকে কিছু মানুষেরা বিশ্বাস করত যে, খালি চোখে আমাদের চাঁদের সারফেস এরিয়া থেকে এই প্রতিরক্ষা পাঁচিলকে দেখতে পাওয়া যায়। এই সময় স্যাটেলাইটের ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির কারণে গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে, চাঁদের সারফেস এরিয়া থেকে এই প্রতিরক্ষা পাঁচিলকে দেখতে ঠিকই পাওয়া যায়, কিন্তু সেটা ততটাই স্পষ্ট, যতটা একজন মানুষের চুলকে ৩ কিলোমিটার দূর থেকে দেখতে পাওয়া যায়। তাই আমাদের মধ্যে যদি কেউ প্রাচীন মানুষের দ্বারা তৈরি এই গ্রেট ওয়াল অফ চায়না দেখতে চান, তাহলে কাউকে চাঁদে যেতে হবে না, বরং আপনি সরাসরি চায়নাতে চলে যান।

২. পিরামিড ও স্ল্যাভস (Pyramids & Slaves): দাসদের দ্বারা নির্মিত?

পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটি স্তরের মানুষ এবং আর্কিওলজিস্টদের প্রথম আকর্ষণের বিষয় হলো মিশরের পিরামিড। আমরা প্রায় প্রত্যেকেই জানি যে, মিশরের পিরামিড হলো একটি রহস্যময় স্থাপনা, যেটার মধ্যে যে কত রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, সেটা বৈজ্ঞানিকরা এখনো সঠিকভাবে জানে না। সকলে মনে করে যে, এই পিরামিড তৈরি করা হয়েছে ৫০০০ বছর পূর্বে। বেশিরভাগ মানুষ মনে করত যে, এই বিশাল বিশাল পিরামিডগুলি তৈরি করা হয়েছে কেবলমাত্র নিচু শ্রেণীর ক্রীতদাসীদের মাধ্যমে। কিন্তু এটা খুব সাধারণভাবেই বুঝতে পারা যায় যে, যদি ক্রীতদাসীদের দিয়ে এই পিরামিডগুলি তৈরি করা হয়ে থাকে, তাহলে হাজার হাজার ক্রীতদাসীদের দিনরাত এক করে কোনো রকম ছুটি না নিয়ে কাজ করতে হতো।

১৯ শতকের গবেষকরা মনে করত যে, এই বিশাল পিরামিডগুলো সেই সময় কিছু উঁচু শ্রেণীর গোষ্ঠী ক্রীতদাসীদের মাধ্যমে তৈরি করেছে। কিন্তু বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এটা প্রমাণ হয়েছে যে, বিশাল বিশাল পিরামিডগুলো কেবলমাত্র ক্রীতদাসীদের মাধ্যমেই কোনোভাবেই তৈরি করা সম্ভব নয়। যদি এই কথাটি সত্যি হতো, তাহলে সেই সময় কিছু সংখ্যক মানুষকে পিরামিড তৈরি করতে হতো, কিছু সংখ্যক মানুষকে পিরামিড নির্মাণকারীদের জন্য খাবার সামগ্রী এবং অন্যান্য জিনিসপত্র জোগান দিতে হতো, আর কিছু সংখ্যক মানুষকে প্রতিরক্ষা প্রতিটা দলকে নেতৃত্ব দিতে হতো। আর এটা কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয় যে, হাজার হাজার বছর পূর্বে কেবলমাত্র কিছু মানুষের গোষ্ঠী বা ক্রীতদাসীদের মাধ্যমে এই বড় বড় পিরামিডগুলি নির্মাণ করা হয়েছে। যদিও এই কথাটিকে ১৯ শতকের গবেষকরা বিশ্বাস করত। আর পিরামিডের এই বিষয়টি আজও একটি অমীমাংসিত ঘটনা হয়ে রয়েছে। অতএব, এই পিরামিড যে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে, এটাকে আমরা কোনোভাবেই সঠিক বলে গণ্য করতে পারি না। এটা এখনো প্রমাণ সাপেক্ষ।

৩. দুধ ও হাড় (Milk & Bones): হাড় শক্ত করার একমাত্র উপায়?

ছোটবেলায় আমাদের প্রত্যেকেরই মা বলতো যে, দুধ খেলে শরীরের হাড় শক্ত হয়। যদিও আমরা টিভিতে এইরকম অনেক অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেখতে পাই, যেখানে আমাদের বলা হয় যে, দুধ খেলে আমাদের শরীরের হাড় ভীষণভাবে মজবুত হয়। আর বারবার এই একই অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেখতে দেখতে আমরা এটা ধরেই নিয়েছি যে, হাড় শক্ত করতে হলে আমাদের দুধ খেতেই হবে। দুধ কোম্পানিগুলো আমাদের যে পুরোপুরি ভাবে বোকা বানাচ্ছে, তা কিন্তু নয়। কারণ আমাদের শরীরের হাড়ের জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ক্যালসিয়াম। হ্যাঁ, যদিও এটাও সত্য যে, দুধেও ক্যালসিয়াম রয়েছে। কিন্তু দুধ ছাড়াও এমন অনেক জিনিস রয়েছে, যেটা এই দুধের তুলনায় ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির (Harvard University) একটি গবেষণার মাধ্যমে জানা গিয়েছে যে, যেসব দেশের মানুষেরা দুধ পান করে না, তাদের বোন ফ্র্যাকচার (Bone Fracture) খুব কম হয়ে থাকে, সেইসব দেশের তুলনায় যারা দুধ পান করে। কারণ তাদের কাছে আরও ভালো দুধের বিকল্প রয়েছে, যেটার মাধ্যমে তারা দুধের থেকেও আরও বেশি ক্যালসিয়াম পেয়ে থাকে। আপনার যদি দুধ খেতে পছন্দ না হয়, তাহলে কোনো অসুবিধাই নেই। আপনি দুধের পরিবর্তে বাদাম, ডাল, সলমন ফিশ, ডিম এবং এর সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক কিছু রয়েছে, যেগুলো আপনি দুধের পরিবর্তে খেতে পারেন। আর সেগুলোতে আরও বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে দুধের পরিবর্তে। অতএব, আপনাদের মধ্যে যারা দুধ খেতে পছন্দ করেন না, তারা এই ভিডিওটিকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

৪. মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest): পৃথিবীর উচ্চতম পর্বত?

মাউন্ট এভারেস্ট হলো পৃথিবীর সবথেকে বড় পর্বত শৃঙ্গ। আমরা ছোটবেলা থেকেই বইতে এটাই পড়ে এসেছি। কিন্তু আমি যদি আপনাদের বলি এই কথাটি সত্য নয়, তাহলে কি আপনি আমার কথা বিশ্বাস করবেন? হয়তো ভাবছেন আমি মূর্খের মতন কথা বলছি। তবে শুনুন, আপনি যদি সমুদ্রের উপর থেকে মাউন্ট এভারেস্টকে মেপে দেখেন, তাহলে মাউন্ট এভারেস্টই হলো পৃথিবীর সবথেকে উঁচু পাহাড়। কিন্তু আপনি যদি সমুদ্রের নিচ থেকে মাপা শুরু করেন, মানে যেখান থেকে পাহাড় শুরু হয়েছে, সেটা হিসাব করেন, তাহলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম হয়ে যাবে।

সাধারণত পৃথিবীর সবথেকে বড় পাহাড় হলো 'মোনাকিয়া' (Mauna Kea)। এই পাহাড়ের উচ্চতা ১৩,৭৯৬ ফিট, মানে ৪,২০৫ মিটার। অর্থাৎ, পাহাড়টি যেখান থেকে শুরু হয়েছে, যদি সেটি হিসাব করি, তাহলে জলের তলায় রয়েছে ১৯,৭০০ ফিট, অর্থাৎ আনুমানিক ৬,০০০ মিটার পর্যন্ত জলের তলায় রয়েছে। এই দুটি হিসাবকে যদি এবার একসঙ্গে করে দিই, তাহলে এই পাহাড়ের উচ্চতা হলো ৩৩,৫০০ ফুট, অর্থাৎ ১০,২১০ মিটার। এবং মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা ২৯,০২৯ ফিট, অর্থাৎ ৮,৮৪৮ মিটার। অতএব, এই ক্যালকুলেশন অনুযায়ী মোনাকিয়া পৃথিবীর সবথেকে উচ্চতম পর্বত।

এবার যদি আপনাকে কেউ প্রশ্ন করে পৃথিবীর সবথেকে উচ্চতম পর্বত কোনটি? তাহলে উত্তর দেওয়ার আগে সর্বপ্রথম তাকে জিজ্ঞাসা করে নেবেন, উচ্চতা কোনখান থেকে শুরু করতে হবে? সমুদ্রের উপর থেকে নাকি সমুদ্রের নিচ থেকে? যদি সমুদ্রের উপর থেকে হয়, তবে অবশ্যই আমাদের মাউন্ট এভারেস্ট। আর যদি সমুদ্রের নিচ থেকে হয়, তাহলে সেটি হবে মোনাকিয়া।

৫. ব্ল্যাক হোল (Black Hole): কি দেখতে ছিদ্রের মতো?

ব্ল্যাক হোল দেখতে ছিদ্রের মতো হয়ে থাকে। আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই 'ইন্টারস্টেলার' (Interstellar) সিনেমাটি নিশ্চয়ই দেখেছেন। আমি জানি আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন, কারণ আমার মতন বাঙ্গালা কথার সব দর্শকেরাই বিজ্ঞানপ্রেমী এবং মহাকাশ সম্বন্ধে জানতে ভীষণভাবে আগ্রহী। ইন্টারস্টেলার সিনেমাটিকে আমারও ভীষণ পছন্দের। যদি এখনো না দেখে থাকেন, তবে দেখে নেবেন। আর এই সিনেমাটিতে ব্ল্যাক হোলকে একটি ছিদ্রের মতন করে দেখানো হয়েছে। এটা ছাড়াও আপনি যেকোনো সাইন্স ফিকশন মুভিতেও আপনি ব্ল্যাক হোলকে ছিদ্রের আকারেই দেখতে পাবেন। এটা জানলে অবাক হবেন যে, এটা কিন্তু একদমই সত্য নয়।

১৯১৬ সালে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন সর্বপ্রথম একটি সমাবেশে ব্ল্যাক হোল সম্বন্ধে জানিয়েছিলেন। কিন্তু তখন সেটাকে প্রমাণ করবার জন্য তার কাছে তেমন কোনো উপযুক্ত প্রমাণ ছিল না। কিন্তু পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালে একজন আমেরিকান থিওরিটিক্যাল ফিজিসিস্ট, ডক্টর ডন হুইলার (Dr. John Wheeler), এই ব্ল্যাক হোলকে প্রমাণ করে পুরো পৃথিবীকে দেখান। নাসার (NASA) রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্ল্যাক হোল ছিদ্রের মতন নয়। আসলে সেটা এমন একটি অবজেক্ট, যেটার মহাকর্ষ বল এতটাই বেশি যে, সেখান থেকে এক ফোঁটা আলো পর্যন্ত ফেরত আসতে পারে না। যদি প্র্যাক্টিক্যালি বলতে হয়, তাহলে বলতে হয়, ব্ল্যাক হোলকে দেখাই যায় না। কোনো ব্ল্যাকহোল কোথায় রয়েছে, যদি সেটা দেখতে হয়, তাহলে সুপার অ্যাডভান্স টেলিস্কোপের সাহায্যে এমন একটি তারা খুঁজে বের করতে হবে, যেটা অন্যান্য তারার তুলনায় একটু আলাদা আচরণ করছে। তারপর সেই তারাটিকে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং দেখা হয় সেই তারাটির উপর কোনো মহাকর্ষ বলের আলাদা প্রভাব পড়ছে কিনা। যদি পড়ে, তবেই বোঝা যায় ওই তারাটির অঞ্চলের আশেপাশেই ব্ল্যাকহোল রয়েছে।

ব্ল্যাক হোল সম্বন্ধে সম্পূর্ণ বিস্তারিত একটি ভিডিও খুব তাড়াতাড়ি আকাশ বর্মণে আসতে চলেছে। তো আপনারা যদি আকাশ বর্মণ চ্যানেলটিকেও সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তো অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন।

৬. সূর্যের রং (Color of Sun): সত্যিই কি হলুদ?

সূর্য যে হলুদ রঙের হয়, এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু আমি যদি বলি সূর্য হলুদ রঙের নয়, তাহলে হয়তো আপনারা কথাটা বিশ্বাসই করবেন না। সূর্যকে আমরা এখনো বিভিন্ন রং ধারণ করতে দেখেছি। সকালে কিংবা দুপুরে সূর্যকে আমরা হলুদ রঙে দেখতে পাই। আবার সন্ধ্যার দিকে আমরা সূর্যকে লাল রঙের দেখতে পাই। আর এটার পেছনে আসল কারণ হলো আমাদের বায়ুমণ্ডল। এখন যদি আমি আপনাদের বলি সূর্য হলুদ রঙের নয় বা লাল রঙেরও নয়, আসলে সূর্যের রং সবুজ, তাহলে কি আপনি অবাক হবেন?

আসলে সূর্য, সবুজ, হলুদ, লাল এবং নীল রঙের সংমিশ্রণে তৈরি। আর আমরা যদি সূর্যকে মহাকাশ থেকে দেখি, তাহলে সূর্যকে সাদা রঙের দেখতে পাবো। পৃথিবীতে আমরা বায়ুমণ্ডলের কারণে সূর্যকে সাধারণত হলুদ রঙের দেখে থাকি। কিন্তু সত্যিটা হলো, সূর্য সবুজ থেকে শুরু করে লাল এবং নীল কালার পর্যন্ত ম্যাচ করে। যেমনটা আমরা জানলাম যে, সূর্য সব রংকেই এমিট করে। কিন্তু আমি কেন বললাম যে, সূর্যের রং সবুজ? আসলে এইসব রঙের মধ্যে সূর্য সবথেকে বেশি এমিট করে সবুজ রংকে। যদি আরও স্পেসিফিক ভাবে বলতে হয়, তাহলে বলতে হয়, সূর্য সবুজ এবং নীল রঙের মাঝখানের রঙকে সবথেকে বেশি এমিট করে। আর ঠিক এই কারণেই সূর্যের আসল রং হলো সবুজ।

এবার যদি আপনারা এই কথাগুলোকে কোনো বন্ধুকে গিয়ে বলেন, তাহলে হয়তো তারা বিশ্বাসই করবে না। সেক্ষেত্রে আমাদের ভিডিওটিকে তাদেরকে শেয়ার করতে পারেন।

উপসংহার

ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক করবেন, কমেন্ট করবেন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। পাশাপাশি বাঙ্গালা কথা চ্যানেলে নতুন হয়ে থাকলে লাল সাবস্ক্রাইব বাটনে ক্লিক করে বেল আইকনটি প্রেস করে নেবেন। এরকমই ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে।

সর্বশেষে থ্যাঙ্কস ফর ওয়াচিং, স্টে হ্যাপি, স্টে কুল।


নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال