ভারতীয় কুকুরের প্রজাতি: সেরা ৫টি দেশি কুকুর, যা আপনাকে অবাক করবে!

 

ভারতীয় কুকুরের প্রজাতি: সেরা ৫টি দেশি কুকুর, যা আপনাকে অবাক করবে!

ভারতীয় কুকুরের প্রজাতি: সেরা ৫টি দেশি কুকুর, যা আপনাকে অবাক করবে!

হেই বন্ধুরা, কুকুর পৃথিবীতে থাকা অন্যান্য দায়িত্বশীল প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু আমরা মানে ভারতীয়রা বা বাংলাদেশিরা সবসময় বিদেশি কুকুরের প্রজাতিকে পছন্দ করি এবং তাদের সম্বন্ধে জানবার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকি। এর কারণ আমরা বেশিরভাগ মানুষই জানি না যে, ভারত বা বাংলাদেশের এমন কিছু কুকুরের প্রজাতি আছে, যারা বিদেশি কুকুরের প্রজাতির থেকে অনেক বেশি ভালো। যারা বিদেশি কুকুরের মতনই ভয়ানক, বুদ্ধিমান এবং দায়িত্বশীল হয়। সেই কারণে আজ বাঙ্গালা কথার এই ভিডিওটিতে আপনারা ভারতীয় কিছু অসাধারণ কুকুরের প্রজাতি সম্বন্ধে জানতে চলেছেন, যেগুলোকে প্রত্যেকটি ভারতীয় বা বাংলাদেশিদের পালন করা উচিত। আর এই ভিডিওটি শুরু করবার আগে দেখি আপনারা কতটা ভারতীয় বা বাংলাদেশি কুকুরের প্রজাতি সম্পর্কে জানেন। যে যে কুকুর প্রজাতিগুলোর সম্পর্কে আপনারা জানেন, তাদের নাম অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানান।

তো চলুন, এবার শুরু করা যাক!

১. মুধোল হাউন্ড (Mudhol Hound): ভারতীয় সেনাবাহিনীর গর্ব

এগুলো ছাড়াও আরও অন্যান্য নামেও জানা যায় এই কুকুরের প্রজাতিকে। কর্ণাটক এবং ভাগলপুর থেকে এই কুকুরের উৎপত্তি হয়। ২ ফিট ৬ ইঞ্চি লম্বা এবং ২৮ কিলো ওজনের এই প্রজাতি নিজেদের হান্টিং স্কিল, বুদ্ধিমত্তা, দায়িত্বশীল এবং সাহসের জন্য মুখ্য রূপে জানা যায়। এই প্রজাতির কুকুরগুলোকে সঠিক ট্রেনিং না দিলে যেকোনো অচেনা ব্যক্তি বা অন্য জীবজন্তুর ওপর খুব সহজেই আক্রমণ করে ফেলে। ওজনে হালকা থাকার কারণে এই কুকুরগুলোর ভেতর অন্যান্য কুকুরের তুলনায় অ্যাক্টিভিটি অনেক বেশি থাকে। ১০ থেকে ১২ বছর জীবিত থাকা এই মুধোল হাউন্ডগুলি ভারতীয় সেনাতে যোগদান করা কুকুরের মধ্যে অন্যতম।

এর আগে ইন্ডিয়ান আর্মিদের কাছে জার্মান শেফার্ড (German Shepherd), ল্যাব্রাডর ডগের (Labrador Dog) মতো বিদেশি কুকুর থাকত। কিন্তু ২০১৮ সালে ভারতীয় সেনারা জম্মু কাশ্মীর-এ থাকার সময় ৬টি মুধোল হাউন্ড কুকুর ব্যবহার করেছিল। এই কুকুরগুলো এতটাই বুদ্ধিমান যে, আর্মিতে কাজ করবার সময় এদের ৩০০ মিটার দূর থেকে তাদের মালিকেরা এদের কন্ট্রোল করতে পারত। এরকম করবার জন্য এদের গলায় একটি রিমোট কন্ট্রোল বেল্ট বাঁধা থাকত এবং যেটার কন্ট্রোল রিমোট মালিক আর্মির কাছে থাকত। রিমোটে থাকা সুইচের মাধ্যমে কুকুরের বেল্টে ভাইব্রেট হতো, যেটা মাধ্যমে এদের ৩০০ মিটার দূর থেকেও অন্যান্য কাজের জন্য কমান্ড দেওয়া যেত। যদিওবা ভাইব্রেট কমান্ড দেওয়ার জন্য এই কুকুরগুলোকে কিছুদিন ট্রেনিং দেওয়া হতো, তবুও ভাইব্রেট কমান্ডের মাধ্যমে কাজ বুঝে করা কোনো সাধারণ ডগ ব্রিডের পক্ষে সম্ভব নয়। শুধুমাত্র ইন্ডিয়ান আর্মিরাই নয়, এনডিআরএফ (NDRF), সিআইএসএফের (CISF) মতো সংস্থাও এদের ব্যবহার করছে।

২. রামপুর গ্রেহাউন্ড (Rampur Greyhound): দ্রুতগতির শিকারী

মুধোল হাউন্ডের মতনই আরেকটি ভারতীয় কুকুর প্রজাতি আছে, যারা রামপুর গ্রেহাউন্ড ছাড়াও দেশি গ্রেহাউন্ড, নর্থ ইন্ডিয়ান গ্রেহাউন্ডের মতো আরও অন্যান্য নামে জানা যায়। ২ ফিট ৬ ইঞ্চি লম্বা আর ৩২ কিলো ওজনের এই প্রজাতির কুকুরগুলোকে সাধারণত দৌড়ানোর স্পিড এবং হান্টিংয়ের জন্য জানা যায়। এই কুকুরগুলো আজ থেকে প্রায় ১৭ শতাব্দীর সময় নর্থ ইন্ডিয়াতে বিকশিত হয়েছিল। শুরুর দিকে এই কুকুরগুলোকেও সিংহ, চিতাবাঘ বা শিয়ালের মতো বড় পশুদের শিকার করবার জন্য ব্যবহার করা হতো। কিন্তু ১৯ শতাব্দীর সময় এই কুকুরের দৌড়ানোর স্পিডকে ওয়ার্ল্ড লেভেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য এদের পৃথিবীর সব থেকে দ্রুত দৌড়ানো কুকুরের প্রজাতি গ্রেহাউন্ডের সঙ্গে ক্রস ব্রিডিং (Cross Breeding) করানো হয়।

১০ থেকে ১২ বছর জীবিত থাকা রামপুর গ্রেহাউন্ড আজকের সময়ে ৬৪ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা স্পিডে দৌড়াতে পারে। যদি তুলনা করেন পৃথিবীর সব থেকে দ্রুতগতির কুকুরের সাথে, তাহলে পৃথিবীর সব থেকে দ্রুত গতি সম্পন্ন কুকুরের প্রজাতি হলো ব্রিটিশ গ্রেহাউন্ড, যার গতি ৭২ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়।

৩. বুলি কুত্তা (Bully Kutta): শক্তিশালী ও আক্রমণাত্মক

এই কুকুরের প্রজাতিটিকে ইন্ডিয়ান মাস্টিফ (Indian Mastiff), ইন্দো-পাকিস্তানি মাস্টিফ (Indo-Pakistani Mastiff) আর অ্যাংলো মাস্টিফ (Anglo Mastiff) নামেও জানা যায়। এই কুকুরের প্রজাতিগুলো সাধারণত দিল্লি, হরিয়ানা ছাড়াও পাকিস্তানের কিছু জায়গাতে দেখতে পাওয়া যায়। বুলি কুত্তাকে নিজের হান্টিং স্কিলের সঙ্গে সঙ্গে অ্যাগ্রেসিভ নেচারের পাশাপাশি বড় মজবুত কাঠামো শরীরের জন্য জানা যায়। শুরুর দিকে এই কুকুরগুলোকে ভাল্লুক এবং শুয়োরের মতো বড় জীবজন্তুর শিকারের জন্য ব্যবহার করা হতো। কিন্তু আজকাল বুলি কুত্তা ইলিগ্যাল ফাইটের দুনিয়াতে খুবই পরিচিত। এই কুত্তাগুলি শুধুমাত্র ডগ ফাইটিংয়ের সময় ইলিগ্যাল। কারণ ডগ ফাইটিংয়ে আসা অন্যান্য কুকুরগুলোর সঙ্গে ফাইট হলে এই কুকুরগুলো সেই কুকুরগুলোকে মেরে ফেলে।

বুলি কুত্তা সাধারণত ২ ফিট ১০ ইঞ্চি লম্বা এবং ৬৯ কিলো ওজনের হয়। ৬ থেকে ১৩ বছর জীবিত থাকা এই কুকুর নিজের আশেপাশে থাকা অচেনা ব্যক্তি এবং ছোট জীবজন্তুর ওপর খুব তাড়াতাড়ি হামলা করে দেয়। আপনারা তখনই এই প্রজাতির কুকুর পালন করবেন, যখন আপনাদের কাছে কয়েক বছর কুকুর পোষার অভিজ্ঞতা থাকবে।

৪. গুল ডং (Gull Dong): ডগ ফাইটিংয়ের পরিচিত মুখ

ভারত এবং পাকিস্তানে দেখতে পাওয়া এই কুকুরের প্রজাতিগুলো ডগ ফাইটিংয়ের দুনিয়াতে খুবই ফেমাস। জেদি ও খুব আক্রমণাত্মক স্বভাবের জন্য এই গুল ডং প্রজাতির কুকুরগুলোকে সবাই ইন্ডিয়ান বুলডগ (Indian Bulldog) বলে জানে। এই কুকুরের প্রজাতিটিকে ভারতের ব্রিটিশদের শাসনকালের সময় গুল টেরিয়ার (Gull Terrier) এবং বুলি কুকুরদের সঙ্গে ক্রস ব্রিডিং করিয়ে বানানো হয়েছে। ৩৯ কিলো ওজন এবং ২২ ইঞ্চি লম্বা এই ডগ ব্রিডগুলোকে যখন কোনো ভিড়ভাড় এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখনই এই কুকুরগুলো আক্রমণাত্মক হয়ে যায়। যে কারণে বেশিরভাগ লোক এদের জমিতে ছোটখাটো শিকার করবার জন্য নিজেদের কাছে রাখে। এই কুকুরগুলো ১০ থেকে ১৪ বছর জীবিত থাকে।

৫. পারিয়া ডগ (Pariah Dog) ও মংরেল (Mongrel): ভারতের রাস্তার কুকুর

যখন ভারতীয় কুকুর সম্বন্ধে আলোচনা করা হচ্ছে, তখন দেশের প্রতিটা বাচ্চাদের পছন্দের রাস্তার কুকুরদের কিভাবে ভুলে যাওয়া যায়? ভারতের রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো কুকুরগুলোর মধ্যে সব থেকে বেশি মংরেল বা পারিয়া ব্রিডের কুকুরদের দেখতে পাওয়া যায়। মংরেল ইন্ডিয়ার একটি দেশি কুকুরের প্রজাতি আর পারিয়া প্রজাতির কুকুর সব থেকে পুরনো এবং সব থেকে সাদাসিধে কুকুরের প্রজাতির মধ্যে একটি। এই কুকুরের প্রজাতিগুলো কতটা পুরোনো, সেটা তখনই জানা যায়, যখন হাজার বছর আগেকার পুরনো সভ্যতা, মহেঞ্জোদারো সভ্যতার (Mohenjo-Daro Civilization) কিংবা একটা রক শেল্টার (Rock Shelter) খনন করা হয়, তখন এই শেল্টার থেকে এই কুকুরগুলোর খুলি পাওয়া যায়। তারপরেই জানা যায়, এরা অতি পুরনো কুকুরের প্রজাতি। এবার আরও অবাক করার মতো তথ্য দিচ্ছি, এদেরকে ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার বছর পুরোনো কুকুরের প্রজাতি বলে মনে করা হয়। ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেলের (National Geographic Channel) একটি ফ্লিম প্রদর্শিত করা হয়েছিল, যার নাম হলো 'সার্চ ফর দ্য ফার্স্ট ডগ' (Search for the First Dog), যার অর্থ হলো 'প্রথম কুকুরের খোঁজ', যেখানেও এই পারিয়া এবং মংরেল কুকুরগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এই কুকুরগুলোর কিছু কিছু বিষয় বিদেশি কুকুরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ভালো হয়। এই কুকুরগুলো আপনি অনায়াসে পালন করার কথা ভাবতে পারেন। এরা বুদ্ধিমান, মজবুত এবং সক্রিয় হবার সাথে সাথে যেকোনো স্থানে যেকোনো পরিবেশে মিলেমিশে থাকতে পারে। এই কুকুরগুলোর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যান্য কুকুরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি এবং অসুস্থতার হারও এই কুকুরগুলোর অন্যান্য কুকুরগুলোর তুলনায় কম, যেটা কিনা প্রপার ট্রেনিং দেওয়া হলে এই কুকুরগুলো অসুস্থ হয় না বললেই চলে। আর সব থেকে বড় কথা হচ্ছে, এই কুকুরগুলো ফ্রি অফ কস্ট আর খুবই সহজে পাওয়া যায়।

২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে উত্তরাখণ্ড সরকার বিস্ফোরক জিনিস খোঁজা, মাদক দ্রব্য খোঁজা এবং হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ট্র্যাক করার সাহায্যের জন্য 'ঠ্যাংগা' নামের একটি কুকুরকে ভর্তি করে, যেটা কিনা পারিয়া প্রজাতির কুকুর ছিল। এখানেই শেষ নয়, তামিলনাড়ুতে 'মণি' নামের একটি কুকুরের কথা সবাই জানে। মণি বিগত ৬ বছর ধরে প্রায় ২৫ লিটার দুধ লোকের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কাজ নিজে একা করছে। এই কারণেই মণি সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব পরিচিত হয়। শুধু এটাই নয়, সুপারস্টার রজনীকান্তের (Rajinikanth) মুভি 'কালা'র (Kaala) পোস্টারে মংরেল প্রজাতির কুকুরকে দেখতে পাওয়া যায়। ভারত থেকে শুরু করে মালয়েশিয়া পর্যন্ত এই কুকুরটিকে কেনবার জন্য বহু লোক আবেদন করেছিল। এই কুকুরটিকে কেনবার জন্য লোকেরা প্রায় ২ কোটি টাকা পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু এই কুকুরটার মালিক তাকে বিক্রি করতে একদমই রাজি নন।

৬. ঢোল (Dhole): ভারতীয় বন্য কুকুর

এই বন্য কুকুরের প্রজাতি 'ইন্ডিয়ান ওয়াইল্ড ডগ' (Indian Wild Dog) নামসহ আরও অন্যান্য অনেক নামে জানা যায়। মাত্র ২০ ইঞ্চি লম্বা এবং ১৫ থেকে ২০ কিলো ওজনের এই কুকুর সাইজে ছোট হলেও নিজের দরকারের সময় বড় বড় জন্তুদের হাল খারাপ করে দিতে পারে। নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং আক্রমণাত্মক শক্তিশালী চোয়াল এবং শিকারের দক্ষতার কারণে মূলত এদেরকে জানা যায়। জানলে অবাক হবেন যে, শিকার করবার সময় এরা নিজেদের ওজনের থেকে প্রায় ১০ গুণ বেশি ওজনের শিকারকে মেরে নিজের সঙ্গে টেনে নিয়ে যেতে পারে। ১০ থেকে ১৬ বছর জীবিত থাকা এই কুকুর আরও কিছু অন্যান্য কারণের জন্য পরিচিত। ঢোল প্রজাতির কুকুর টয়লেট করবার সময় কিছুটা এইরকম পজিশন করে।

৭. ভুটিয়া ডগ (Bhutanese Dog): হিমালয়ের প্রহরী

এই কুকুরের প্রজাতিটিকে হিমালয়ান মাস্টিফ (Himalayan Mastiff), হিমালয়ান স্ট্রিট ডগের (Himalayan Street Dog) মতন আরও অন্যান্য নামেও জানা যায়। এই কুকুরগুলি বুদ্ধিমান এবং সাহসী স্বভাবের হয় এবং মূলত এদেরকে হিমালয়ান পর্বত অঞ্চলে কাশ্মীর থেকে নেপালে দেখতে পাওয়া যায়। ২ ফিট ৬ ইঞ্চি লম্বা এবং ৪১ কিলো ওজনের এই কুকুর পাহাড়ে বসবাসকারী লোকেদের ঘর এবং অন্যান্য পোষ্যদের বন্য জীবজন্তুর হাত থেকে সুরক্ষা করবার জন্য রাখা হয়। ভুটিয়া কুকুর নিজেদের এরিয়াতে থাকা অন্যান্য পালিত পশুদের বাঁচানোর জন্য অনায়াসেই নেকড়েদের সঙ্গে লড়তে চলে যায়।

১০ থেকে ১১ বছর জীবিত থাকা এই কুকুর উত্তরাখণ্ডের অনেক পাহাড়ি অঞ্চলে হান্টিংয়ের কাজেও ব্যবহার করা হয়। কিছু লোক এই প্রজাতিটাকে মোস্ট এক্সপেন্সিভ কুকুর নামেও জানে। আবার কিছু লোক বলে এই কুকুরটাকে টিবেটিয়ান মাস্টিফ (Tibetan Mastiff) আর নিউফাউন্ডল্যান্ড (Newfoundland) কুকুরের সাথে ক্রস ব্রিড করে তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু আপনাদেরকে আসল ব্যাপারটি বলে দিই, এই কুকুরটিকে হিমালয়ের লোকাল কুকুরের সঙ্গে টিবেটিয়ান মাস্টিভের সাথে ক্রস ব্রিড করে বানানো হয়েছিল।

উপসংহার

আশা করি ইন্ডিয়ান কুকুরের প্রজাতি সম্বন্ধে আপনাদের এই ভিডিওটি পছন্দ হয়েছে। কিন্তু কিছু ইন্ডিয়ান ডগ ব্রিড সম্বন্ধে এই ভিডিওটিতে বলা হয়নি, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রাজা পালায়াম (Rajapalayam), কার্নি (Kanni), চিপি পাড়াই (Chippiparai) আর কম্বাই (Kombai)। আর এদের সম্বন্ধে যদি আরও জানতে চান, তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। যদি ভিডিওটিতে ম্যাক্সিমাম লাইক থাকে এবং ভিডিওটিকে শেয়ার করা হয়, তাহলে অবশ্যই ভিডিওটির সেকেন্ড পার্টও চলে আসবে। পাশাপাশি বাংলাদেশি কুকুরদের প্রজাতির সম্বন্ধে ভিডিও চাইলেও কমেন্ট বক্সে জানাবেন। পাশাপাশি ভিডিওটিকে লাইক করবেন আর বাঙ্গালা কথা চ্যানেলে যদি নতুন হয়ে থাকেন, তবে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন। এরকমই ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে।

সর্বশেষে থ্যাঙ্কস ফর ওয়াচিং, স্টে হ্যাপি, স্টে কুল।

নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال