২০২২ সালের মহাজাগতিক ঘটনা: উল্কাবৃষ্টি থেকে গ্রহের সংযোগ, যা খালি চোখে দেখা যাবে!
বন্ধুরা, আপনারা কি জানেন, ২০২২ সালে উল্কাবৃষ্টির এক বিশাল বড় সাওয়ার আকাশে দেখা যাবে? শুধু তাই নয়, এছাড়াও আকাশে স্ট্রবেরি এবং গোলাপি চাঁদেরও দেখা মিলবে, যেখানে চাঁদের রং হবে একেবারে লাল। এছাড়াও দেখা যাবে সেই অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট, যেখানে দুটো গ্রহকে একই সময়ে একই জায়গায় একসাথে দেখা যাবে, যেটাকে 'কনজাংশন অফ জুপিটার অ্যান্ড মার্স' (Conjunction of Jupiter and Mars) বলা হয়। আপনাদেরকে এটা বলে দিচ্ছি যে, এটা সত্যি খুবই দারুণ ইভেন্ট হতে চলেছে। আর সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ঘটনাগুলোকে আপনি আপনার বাড়িতে বসেই দেখতে পারবেন, তাও আবার খালি চোখেই! তবে আর দেরি না করে মোবাইল কিংবা খাতায় চটপট করে তারিখগুলো নোট করে নিন, কারণ আমি এখন আপনাদের ২০২২ সালে আসন্ন অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। আর ২০২২-এ মহাকাশে এমন অনেক ঘটনা ঘটতে চলেছে, যেগুলো ভীষণ দুর্লভ এবং যেগুলো দেখতে ভীষণ সুন্দর হতে চলেছে।
তো চলুন, শুরু করা যাক!
১. মিটিওর সাওয়ার (Meteor Shower): আলোর ফুলকি ভরা রাত
এই মহাজাগতিক ঘটনাটি দেখলে মনে হবে যেন কালো অন্ধকার রাতে আলোর ফুলকির মতো কিছু আকাশ থেকে পড়ে যাচ্ছে। যদিও ২০২২ সালে এমন অনেক উল্কাপাত দেখা যাবে, কিন্তু এগুলোর মধ্যে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো পার্সেইড মিটিওর সাওয়ার (Perseid Meteor Shower) এবং জেমিনিড মিটিওর সাওয়ার (Geminid Meteor Shower)।
পার্সেইড মিটিওর সাওয়ার: আপনারা ১২ থেকে ১৩ই আগস্ট দেখতে পারবেন, যেখানে প্রতি মিনিটে একটা করে উল্কাপাত হবে। অর্থাৎ, ঘণ্টায় ৬০টা উল্কাপিণ্ড আকাশ থেকে পড়বে। এখানে কিন্তু সমস্যা আছে, তাই হয়তো সব উল্কাপিণ্ড দেখা যাবে না। কিন্তু চিন্তার কিছু নেই, এই উল্কাপাত এতটাই উজ্জ্বল হবে যে, আমরা সেটা কোনো যন্ত্র ছাড়াই দেখতে পারব। এমনকি উল্কাপাতটি পার্সিয়াস (Perseus) নামক কন্সটেলেশন (Constellation) থেকে রেডিয়েন্ট হবে। কিন্তু আপনার চোখ খোলা রাখবেন, কারণ এদেরকে যেকোনো জায়গা থেকে দেখা যেতে পারে। শুধু একটি অন্ধকার এবং দূষণমুক্ত আকাশের নিচে বসবেন, ব্যাস! তাহলেই এই দুর্দান্ত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্টটির সাক্ষী থাকতে পারবেন আপনিও। পার্সেইড মিটিওর সাওয়ারের প্রধান কারণ হলো কমেট সুইফট-টার্টল (Comet Swift-Tuttle)। আসলে কোনো উল্কাপাতের পেছনে একটি সহজ কারণ থাকে, সেটা হলো যখন পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে, তখন ধূমকেতু এবং পৃথিবীর অরবিট (Orbit) একে অপরের সাথে ইন্টারসেকশন (Intersection) হয়। আর এই ইন্টারসেকশনের জন্য এমন একটা সময় আসে, যখন পৃথিবী ধূমকেতুর সামনে দিয়ে চলে যায়। আর সেই সময় যদি ধূমকেতু সূর্যের অনেক কাছে থাকে, তাহলে ধূমকেতু অতিরিক্ত হিটের কারণে ব্লাস্ট হয়ে যায়। এই ধূমকেতুর নিউক্লিয়াস, যা শিলাখন্ড এবং বরফ দিয়ে তৈরি, সেগুলো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। আর যখন এই টুকরো টুকরো পার্টগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আসে, তখন সেটা গরম হতে থাকে, যার ফলে আমরা উল্কাপাত দেখতে পাই।
জেমিনিড মিটিওর সাওয়ার: এরকমই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উল্কাপাত আমরা ১৩ এবং ১৪ই ডিসেম্বর দেখতে পাবো, যাকে 'কিং অফ মিটিওর সাওয়ার' এবং 'শুটিং স্টার' বলা হয়। আর এর নাম হবে জেমিনিড মিটিওর সাওয়ার, যেখানে প্রতি ঘন্টায় আমরা ১২০টা মাল্টি কালার উল্কাপিণ্ড দেখতে পাবো। কিন্তু এর কেবলমাত্র একটাই শর্ত, আর সেটা হলো আমাদের উল্কাপিণ্ড দেখার জন্য আমাদের রোজকার দৌড়ঝাঁপের জগৎ থেকে দূরে এমন কোনো শান্ত জায়গায় যেতে হবে, যেখানে আকাশ একদম পরিষ্কার থাকবে।
তবে চিন্তা করার দরকার নেই, কারণ একটা বা দুটো নয়, বরং ৬টা উল্কাপাতের দৃশ্য আপনারা এ বছরে আলাদা আলাদা তারিখে দেখতে পাবেন। তাহলে এবার তারিখগুলো ঝটপট নোট করে নিন:
২২শে এপ্রিল: লাইরিড মিটিওর সাওয়ার (Lyrid Meteor Shower)
৬ই মে: ইটা অ্যাকোয়ারিড মিটিওর সাওয়ার (Eta Aquariid Meteor Shower)
২৯শে এবং ৩০শে জুলাই: ডেল্টা অ্যাকোয়ারিড মিটিওর সাওয়ার (Delta Aquariid Meteor Shower)
১লা সেপ্টেম্বর: অরিওনিড মিটিওর সাওয়ার (Orionid Meteor Shower)
৭ই এবং ৯ই অক্টোবর: ড্রাকোনিড মিটিওর সাওয়ার (Draconid Meteor Shower)
২১শে এবং ২২শে অক্টোবর: অরিওনিড মিটিওর সাওয়ার (Orionid Meteor Shower)
১৭ই এবং ১৮ই নভেম্বর: লিওনিড মিটিওর সাওয়ার (Leonid Meteor Shower)
তো বন্ধুরা, আশা করি বুঝতেই পারছেন যে, এ বছরে প্রচুর উল্কাপাত দেখা যাবে।
২. প্ল্যানেটারি কনজাংশন (Planetary Conjunction): গ্রহদের মিলন
২০২২ সালের দ্বিতীয় সব থেকে বিরল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট হলো প্ল্যানেটারি কনজাংশন, অর্থাৎ দুটো গ্রহের সংযোগ। আর ২০২২ সালের ২৯শে মে আমরা আমাদের সৌরজগতের মধ্যে বৃহস্পতি এবং মঙ্গল গ্রহের সংযোগ দেখতে পাবো, যা কিছুটা এইভাবে দেখা যাবে:
সোজা ভাষায় বললে, প্ল্যানেটারি কনজাংশনে দুটো গ্রহকে একসাথে দেখা যাবে। কিন্তু বাস্তবে মহাকাশে স্বাভাবিকভাবেই এই দুটো গ্রহের মধ্যে পর্যাপ্ত দূরত্ব থাকবে। আর যেমনটা আমি আপনাদের বললাম, সেইরকম বৃহস্পতি এবং মঙ্গল গ্রহের কনজাংশন হবে, যেখানে বৃহস্পতি, মঙ্গল গ্রহের নর্থ ডিরেকশনে ০ ডিগ্রি থেকে ৮ ফুট দূরত্বে থেকে যাবে। আর যখন দুটো গ্রহ একই অ্যালটিটিউডে (Altitude) চলে আসবে, তখন বৃহস্পতির মাত্রা হবে -২.৩ এবং মঙ্গল গ্রহের মাত্রা হবে ০.৭। দেখে মনে হবে যেন দুটো গ্রহ একসাথে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে।
কিন্তু এই ঘটনা আরও তিনবার ভিন্ন ভিন্ন তারিখে দেখা যাবে:
৫ই মার্চ ২০২২: বৃহস্পতি ও সূর্যের কনজাংশন (ইতিমধ্যে চলে গেছে)
১২ই এপ্রিল ২০২২: বৃহস্পতি ও নেপচুনের কনজাংশন (ইতিমধ্যে চলে গেছে)
১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০২২: শুক্র ও মঙ্গল গ্রহের কনজাংশন (ইতিমধ্যে চলে গেছে)
৩. অকাল্টেশন (Occultation): গ্রহের লুকোচুরি খেলা
এবার আমি বলব আপনাদের তৃতীয় অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট সম্পর্কে, যেটা হলো অকাল্টেশন। অকাল্টেশনের ব্যাপারটা বেশ সহজ, এটা অনেকটা সুইচ অন-অফের মতো। বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে? তাহলে এটা দেখুন: লুনার অকাল্টেশন অফ ভেনাস (Lunar Occultation of Venus), যেটা ২৬শে এবং ২৭শে মে ইন্দোনেশিয়া থেকে দেখা যাবে। সাধারণত অকাল্টেশনের সময় পৃথিবী এবং অন্য গ্রহের মাঝে চাঁদ চলে আসে, যার ফলে অকাল্টেশন আমরা দুটো ভিন্নভাবে দেখতে পারব।
প্রথম হলো, যখন আমরা অকাল্টেশনকে ফ্রন্ট সাইড থেকে দেখব, তখন আমরা চাঁদ এবং গ্রহকে ওভারল্যাপে দেখব।
আর দ্বিতীয় কন্ডিশন হলো, যদি একই অকাল্টেশনকে অন্য সাইড থেকে দেখি, তাহলে এবার সেটা ২ ডিগ্রি দূর থেকে দেখা যাবে।
কিন্তু এতেও একটু সমস্যা আছে, এই অকাল্টেশন শুধুমাত্র পূর্ব আফ্রিকা এবং এশিয়ার সামান্য কিছু জায়গা থেকেই দেখা যাবে।
৪. রেট্রোগ্রেড মোশন অফ প্ল্যানেট (Retrograde Motion of Planet): গ্রহের বিপরীতমুখী গতি?
আমাদের চতুর্থ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট হলো রেট্রোগ্রেড মোশন অফ প্ল্যানেট। সোজা কথায় বলতে গেলে, রেট্রোগ্রেড মোশনের মানে হলো গ্রহগুলির বিপরীত দিকে রোটেট করা। কিন্তু আমরা এটা সবাই জানি যে, কোনো গ্রহ নিজের দিক পরিবর্তন করতে পারে না, তাহলে কী করে গ্রহের বিপরীত দিকে ঘোরাটা সম্ভব? এর উত্তর হবে, একদমই সম্ভব নয়। আসলে সব গ্রহ সূর্যের চারিদিকে অ্যান্টি ক্লকওয়াইজ (Anti-Clockwise) ঘোরে। যে গ্রহ সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করে, সেটা তার গ্র্যাভিটেশনাল পুলের (Gravitational Pull) কারণে দ্রুত মুভ করে। আর যেটা দূরে থাকে, সেটা সামান্য ধীরে মুভ করে। আর যখন পৃথিবী কোনো ধীরগতি সম্পন্ন গ্রহের সামনে দিয়ে যায়, তখন মনে হয় যেন সেই গ্রহ বিপরীত দিকে ঘুরছে। কিন্তু বন্ধুরা, এটা শুধুমাত্র একটা ইলিউশন (Illusion) ছাড়া আর কিছুই নয়।
কিন্তু এই রেট্রোগ্রেড মোশন ২০২২ সালে মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং ইউরেনাসের (Uranus) সাথে আলাদা আলাদা ভাবে দেখা যাবে:
৪ঠা জুন: স্যাটার্ন এন্ট্রিজ রেট্রোগ্রেড মোশন (Saturn Enters Retrograde Motion)
৩০শে অক্টোবর: মার্স এন্ট্রিজ রেট্রোগ্রেড মোশন (Mars Enters Retrograde Motion)
২৮শে জুলাই: ইউরেনাস এন্ট্রিজ রেট্রোগ্রেড মোশন (Uranus Enters Retrograde Motion)
২৩শে নভেম্বর: জুপিটার এন্ড রেট্রোগ্রেড মোশন (Jupiter Ends Retrograde Motion)
তবে এটা দেখতে পাওয়া যাবে মানে খালি চোখে দেখা যাবে না। তবে যদি আপনার কাছে একটা ভালো মানের টেলিস্কোপ থাকে, তাহলে আপনিও এই ইলিউশনের সাক্ষী হতে পারবেন।
৫. উজ্জ্বলতম শুক্র গ্রহ (Brightest Venus): সন্ধ্যার আকাশে এক ঝলক
এবার আমরা কথা বলব পঞ্চম অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট সম্পর্কে, যেটা হলো উজ্জ্বলতম শুক্র গ্রহ। সাধারণত শুক্র গ্রহের উজ্জ্বলতা দুটো বিষয়ের উপর নির্ভর করে: প্রথমত পৃথিবীতে মেঘাচ্ছন্নতার পরিমাণ এবং দ্বিতীয়ত চেঞ্জিং ফেসেস (Changing Phases)। যখন শুক্র গ্রহ, পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝামাঝি থাকে, তখন সেটা নতুন চাঁদের মতো দেখতে। আর যখন পৃথিবী এবং শুক্র গ্রহের মাঝে সূর্য চলে আসে, তখন সেটা একেবারে উজ্জ্বলতম দেখতে লাগে, অনেকটা পূর্ণিমার চাঁদের মতো।
যেমনটা আপনাদের আগেই বললাম যে, শুক্র গ্রহের উজ্জ্বলতার দ্বিতীয় কারণ হলো শুক্র গ্রহের ভিন্ন ভিন্ন ফেসেস। শুক্র গ্রহকে তার ফুল ফেসে (Full Phase) আসতে ৩৬ দিন সময় লাগে এবং তারপরেই সব থেকে উজ্জ্বল তাকে দেখতে লাগে। অর্থাৎ, রিসেন্ট ফেসে (Recent Phase) যখন পৃথিবীর সামনে থেকে সেটা যায়, তখন সেটাকে উজ্জ্বল দেখতে লাগে, অন্যান্য ফেজে নয়। এবার প্রশ্ন হলো, শুধুমাত্র রিসেন্ট ফেজেই কেন শুক্র গ্রহ সব থেকে উজ্জ্বল থাকে? যদিও এর উত্তর এখনো জানা যায়নি, এ বিষয়ে এখনো গবেষণা চলছে।
৬. ফুল মুন (Full Moon): স্ট্রবেরি ও পিঙ্ক মুন
আমাদের ষষ্ঠ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট হলো ফুল মুন, অর্থাৎ পূর্ণিমা। পূর্ণিমা কী, তা হয়তো আপনারা সবাই জানেন। আর হয়তো এটাও জানেন যে, পূর্ণিমা প্রতিবছরই বারবারই দেখা যায়। কিন্তু আপনারা হয়তো জানেন না, কিছু পূর্ণিমা একটু অন্যরকম হয়। আর এই জন্য এদের নামও একটু ভিন্ন রকম রাখা হয়। এর মধ্যে ইন্টারেস্টিং কয়েকটি হলো স্ট্রবেরি সুপার মুন (Strawberry Supermoon) এবং পিঙ্ক মুন (Pink Moon)।
স্ট্রবেরি সুপার মুন: আমরা এ বছরেই অর্থাৎ ২০২২ সালের ১৪ই জুন দেখতে পাবো। এই মুনকে সুপার মুন বলার কারণ হলো, এটা সাধারণ চাঁদের তুলনায় ১৪ শতাংশ বড় দেখাবে এবং ৩০ শতাংশর বেশি উজ্জ্বল হবে। আর এটাকে এরকম দেখতে পাওয়ার কারণ হলো পৃথিবী এবং চাঁদের মাঝে দূরত্ব কম থাকবে। আর যেহেতু এই মরসুমে স্ট্রবেরি চাষ করা হয়, তাই এটিকে স্ট্রবেরি মুনও বলা হয়।
পিঙ্ক মুন: পিঙ্ক মুনকে দেখতে কিছুটা এরকম লাগে: আচ্ছা, আপনারা কি ভাবছেন, সত্যিই কি সেই সময় চাঁদ গোলাপি রঙের হয়? এর উত্তর হবে, একেবারেই নয়। আসলে সেই সময় চাঁদ গোলাপি রঙের নয়, বরং চাঁদ তখন ব্লাড রেড (Blood Red) রঙের হয়। এবার নিশ্চয়ই আপনারা এটা ভাবছেন যে, তাহলে এর নাম পিঙ্ক মুন কেন? এর কারণ হলো, এই সময় 'ফ্লক্স ফ্লাওয়ার' (Phlox Flower) নামে এক ধরনের ফুল ফোটে, যা গোলাপি রঙের দেখতে হয়। আর এই ফুলের নামেই এর এরকম নামকরণ করা হয়েছে।
উপসংহার
তো বন্ধুরা, আপনারা জেনে গেলেন ২০২২ সালে কী কী অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট ঘটতে চলেছে। আমি জানি, আপনারাও এই অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্টগুলোর সাক্ষী হতে চান। তাই পৃথিবীকে একটু দূষণমুক্ত করুন এবং চোখ খোলা রাখুন।
আজকের পোস্টটি এইটুকুই। যদি ভালো লেগে থাকে, তবে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন। পাশাপাশি 'অদ্ভুত দশ' চ্যানেলে নতুন হলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন, এরকম ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে।
কীওয়ার্ডস: অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইভেন্ট ২০২২, মহাজাগতিক ঘটনা, উল্কাপাত, মিটিওর সাওয়ার, পার্সেইড মিটিওর সাওয়ার, জেমিনিড মিটিওর সাওয়ার, প্ল্যানেটারি কনজাংশন, বৃহস্পতি মঙ্গল সংযোগ, অকাল্টেশন, রেট্রোগ্রেড মোশন, শুক্র গ্রহ, উজ্জ্বলতম শুক্র, ফুল মুন, পূর্ণিমা, সুপার মুন, স্ট্রবেরি মুন, পিঙ্ক মুন, জ্যোতির্বিজ্ঞান, খালি চোখে দেখা, মহাকাশের বিস্ময়।
