মঙ্গল গ্রহের রহস্যময় বালক: বরিস্কা কিপ্রিয়ানোভিচের অবিশ্বাস্য দাবি ও ভবিষ্যৎবাণী!

 

মঙ্গল গ্রহের রহস্যময় বালক: বরিস্কা কিপ্রিয়ানোভিচের অবিশ্বাস্য দাবি ও ভবিষ্যৎবাণী!

মঙ্গল গ্রহের রহস্যময় বালক: বরিস্কা কিপ্রিয়ানোভিচের অবিশ্বাস্য দাবি ও ভবিষ্যৎবাণী!

বন্ধুরা, আমরা এখনো পর্যন্ত মঙ্গল গ্রহে জীবনের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আর ইলন মাস্কের মতো আরও কিছু বর্তমান প্রভাবশালী লোক এটা দাবি করে যে, বিগত কিছু বছরের মধ্যেই আমরা মানুষেরা মঙ্গল গ্রহে খুব সহজেই পৌঁছে বসবাস করতে সক্ষম হব। আর বিগত ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আমরা মঙ্গল গ্রহে নিজেদের কলোনি তৈরি করতে সক্ষম হব। কিন্তু দাঁড়ান! আমি এখন আপনাদের যে কথাটি বলব, সেটা শোনার পর হয়তো আপনি চমকে যাবেন।

আপনি কি জানেন, মঙ্গল গ্রহে অনেক আগে থেকেই এলিয়েনরা বসবাস করত? আর তাদের মধ্যে কিছু এলিয়েন আমাদের এই পৃথিবীতে বসবাস করে! আপনি এই কথাটি শোনার পর নিশ্চয়ই ভাবছেন, এটা মিথ্যা কথা। কিন্তু আজকে আমি আপনাদের এমন একটি ছেলে সম্বন্ধে বলব, যে দাবি করে সে পৃথিবীকে ধ্বংস হওয়ার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছে। মহাবিশ্ব সম্বন্ধে এই ছেলেটির জ্ঞান বলতে গেলে খুবই তুখোড়। আর আমাদের এই পৃথিবী এবং মঙ্গল গ্রহের মধ্যে জীবনের কানেকশন সম্বন্ধে সে সবার সামনে যেই যেই কথাগুলো বলে, সেগুলো জানবার পর আপনি অবাক হয়ে যাবেন।

আমি কথা বলছি বরিস্কা কিপ্রিয়ানোভিচকে (Boriska Kipriyanovich) নিয়ে। রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করা এই ছেলে, যার মধ্যে অনেক অসাধারণ (Extraordinary) ক্ষমতা ছিল। আর এই ছেলেটি নিজের দাবি করা কথার মাধ্যমে পুরো পৃথিবীর মানুষকে অবাক করে দিয়েছিল। এবার আপনি হয়তো এটাই ভাবছেন যে, কে এই কিপ্রিয়ানোভিচ? সে কী বা এমন দাবি করেছিল সবার সামনে? এর সম্পর্কে সে কী কী বলেছিল সবার সামনে? আর বর্তমান সময়ে সে এখন কোথায় রয়েছে? সবকটি প্রশ্নের উত্তর জানতে আজকের 'অদ্ভুত দশ'-এর এই পোস্টটি সম্পূর্ণ দেখতে হবে। আর আমি আপনাদের এই পোস্টে সকল প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেব। তবে বলে রাখি, এই উত্তরগুলি শুধুমাত্র ওই ছেলেটির দাবি। আমি এগুলোকে সত্যতা বলে প্রচার করছি না। তাই বেশি দেরি না করে, চলুন আজকের পোস্টটি শুরু করা যাক!

বরিস্কা কিপ্রিয়ানোভিচ: এক অসাধারণ শৈশব

বরিস্কা কিপ্রিয়ানোভিচ জন্মগ্রহণ করেছিল ১৯৯৬ সালের ১১ই জানুয়ারি রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ ওব্লাস্ট শহরের ঝিরনোভস্ক (Zhirnovsk) নামক জায়গায়। তার পিতা কাজের কারণে বেশিরভাগ সময়ে শহরের বাইরে থাকত এবং তার মা পেশায় একজন ডাক্তার ছিলেন। এই ছেলেটির পিতামাতা ছেলেটির খুব অল্প বয়সেই ছেলেটির অসাধারণ শক্তি সম্পর্কে প্রমাণ পেয়েছিলেন। ছেলেটির মা বলেন যে, যখন কিপ্রিয়ানোভিচ মাত্র ১৫ দিনের ছিল, তখন সে তার মাথা উপরের দিকে ওঠাতে থাকত, তাও আবার কোনো রকম সাহায্য ছাড়াই। চার মাস বয়সের মধ্যে সে বাবা ও মায়ের মতন শব্দ উচ্চারণ করতে পারত। আর মাত্র এক বছর বয়স থেকে সে নিউজ পেপারে থাকা বহু অক্ষর পড়তে শুরু করে দেয়। দুই বছর বয়সের মধ্যে সে ড্রয়িং ও পেইন্টিং এর মতো সব জ্ঞান অর্জন করে ফেলেছিল এবং যখন সে কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হয়, তখন তার ভাষার দক্ষতা আরও দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। স্কুলের টিচার তার এই অসাধারণ বৈশিষ্ট্য দেখে অবাক হয়ে যেত।

স্থানীয় লোকেরা বলে যে, চার বছর বয়স থেকেই এই ছেলেটি 'মেদভেদিৎস্কায়া গ্রাদা' (Medveditskaya Gryada) নামের একটি জায়গায় প্রতিদিন যেত। এটি ভলগোগ্রাদের পাশেই থাকা একটি পাহাড়। আর বলা হয় যে, এই ছেলেটি সেখানে গিয়ে অনেক শক্তি পেত। কিন্তু এটির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখনো পর্যন্ত ধোঁয়াশায় রয়েছে।

বরিস্কার ছোটবেলায় বেশিরভাগ সময়ই বাড়িতে একাই থাকত, কারণ তার মা-বাবা দুজনেই পেশায় ব্যস্ত থাকত। আগেই বলেছি, বরিস্কার মা পেশায় ডাক্তার ছিলেন এবং বরিস্কার উপর বেশি খেয়াল রাখতে পারতেন না। তার পিতাও কাজের সূত্রে শহরের বাইরে থাকত। তা সত্ত্বেও এই ছেলেটির জ্যোতির্বিজ্ঞানের জ্ঞান অবাক করবার মতো। আর মহাকাশ সম্বন্ধে তার অনেক জ্ঞান ছিল। কিন্তু এসব জ্ঞান কোথা থেকে আসলো, এটা এখনো পর্যন্ত কেউ জানে না। বরিস্কা সোলার সিস্টেম সম্বন্ধে খুবই ভালোভাবে সব ডিটেইলস বলতে পারে এবং প্ল্যানেটারি সিস্টেম সম্বন্ধে সবকিছু অনেক ভালোভাবে জানে। আর মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে তো সব কিছুই জানে, মানে পৃথিবী থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব, ওখানকার অ্যাটমোস্ফিয়ার আরও অনেক কিছু। ছোটবেলায় যখন সে স্কুলে যেত, তখন তার টিচার তার জন্য খুব বিরক্ত থাকত। কারণ সে বারবার টিচারকে থামিয়ে বলত যে, সে যেগুলো পড়াচ্ছে, সেগুলো ভুল এবং সবকিছু সঠিকভাবে রিসার্চ করা নয়। এই কারণে তাকে বাধ্যতামূলক সেই স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে প্রাইভেট টিউটর হায়ার করা হয়েছিল।

মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা বালক: বরিস্কার চাঞ্চল্যকর দাবি

বরিস্কা দাবি করে যে, সে মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছে। এবং এটাও বলে যে, মঙ্গল গ্রহে একসময় মানুষ বসবাস করত এবং সেখানকার সভ্যতা পৃথিবীর বর্তমান সময়ের সভ্যতার তুলনায় অনেক অনেক আধুনিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে মঙ্গল গ্রহে বসবাস করা মানুষদের মধ্যে একদিন লড়াই হয়ে যায় এবং একটি নিউক্লিয়ার যুদ্ধের পর মঙ্গল গ্রহে সবার জীবন নষ্ট হয়ে যায়। বরিস্কা এটাও বলে যে, নিউক্লিয়ার যুদ্ধের পর মঙ্গল গ্রহে কিছু লোক বেঁচে গিয়েছিল, যারা মঙ্গল গ্রহের সারফেস কন্ডিশন খারাপ হয়ে যাওয়ার পর মাটির তলায় থাকতে শুরু করে। আর এই ঘটনা প্রায় ৭০ হাজার বছর আগেকার, যখন পৃথিবীতে 'লেমুরিয়া সিভিলাইজেশন' (Lemuria Civilization) চলছিল। এটা মানা হয় যে, প্রাচীন সময় ইন্ডিয়ান ওশানে লেমুরিয়া নামক একটি কন্টিনেন্ট অবস্থিত ছিল, যেটা আজ জলের তলায় কোনো এক জায়গায় ডুবে রয়েছে। যদিও এর কোনো রকম সাইন্টিফিক প্রুফ আমাদের কাছে নেই। ভারতের তামিল লিটারেচারে কুমারী কন্যা নামের একটি জায়গার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল, যেখানে এশিয়ান তামিল সিভিলাইজেশন ছিল। আর এটাও ইন্ডিয়ান ওশানের ওপরেই ছিল।

বরিস্কা এটা বলে যে, সে মঙ্গল গ্রহ থেকে এই পৃথিবীতে এসেছে পৃথিবীকে নিউক্লিয়ার যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য এবং এখানকার মানুষকে এই যুদ্ধের বিষয়ে আভাস দেওয়ার জন্য। ছেলেটি বলে যে, সে একজন 'ইন্ডিগো চাইল্ড' (Indigo Child), মানে মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা এমন একটি ছেলে, যার মধ্যে অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে।

মঙ্গল গ্রহের জীবন ও প্রযুক্তি:

  • শারীরিক বৈশিষ্ট্য: বরিস্কা এটা বলে যে, পৃথিবীর লোকেদের তুলনায় মঙ্গল গ্রহের লোকেরা অনেক লম্বা হতো, আর তাদের গড় উচ্চতা ২ মিটার পর্যন্ত হতো, অর্থাৎ প্রায় ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি। একদিকে যেমন মানুষ পৃথিবীতে অক্সিজেনের উপর নির্ভর করে থাকে, ঠিক তার বিপরীত দিকে মঙ্গল গ্রহের লোকেরা নিঃশ্বাস নেবার জন্য কার্বন ডাই অক্সাইডের ব্যবহার করত। তার মতে, ৩৫ বছর বয়স হয়ে যাওয়ার পর থেকে মঙ্গল গ্রহের মানুষেরা আর বাঁচতে পারত না।

  • মহাকাশযান: বরিস্কা এটাও বলেছে যে, মঙ্গল গ্রহে মানুষের কাছে অনেক ধরনের আলাদা আলাদা স্পেসশিপ (Spaceship) রয়েছে, যেটার সাহায্যে তারা পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহগুলোতে যাতায়াত করতে পারে। সে এটাও বলে যে, তারা একটা সময় পৃথিবীতে ত্রিভুজ আকারের একটি স্পেসশিপে এসেছিল। বরিস্কা বলে যে, সে এই স্পেসশিপ বানানোর বিভিন্ন কৌশল সম্বন্ধে অনেক কিছু জানে, কিন্তু সে রাশিয়ার প্রেসের সামনে এই কৌশল সম্বন্ধে সেরকম কোনো কিছু খুলে বলতে চায়নি।

  • টাইম ট্রাভেল: বরিস্কা এটাও দাবি করে, মঙ্গল গ্রহের লোক টাইম ট্রাভেলিং-এর (Time Traveling) মতো টেকনিকও তৈরি করে ফেলেছিল এবং সে আমাদের এই পৃথিবীর অতীত এবং ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে অনেক কিছু জানে।

বরিস্কার ভবিষ্যৎবাণী ও বিস্ময়কর প্রমাণ

তার এই কথাগুলো কতটা সত্য, তা আমি সঠিকভাবে বলতে পারব না। কিন্তু তার কিছু দাবি সত্যি প্রমাণিত হয়েছে।

  • ২০১২ সালের বন্যা: বরিস্কা বলেছিল যে, ২০১২ সালে খুবই ভয়ানক একটি বন্যা হবে। আর ঠিক ২০১২ সালের ৮ই জুলাই রাশিয়ায় সত্যিই খুব ভয়ানক বন্যা হয়েছিল। আর এই বন্যার কারণে ১৭১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

  • মিশরের পিরামিড ও স্ফিংসের রহস্য: বরিস্কা বলেছিল যে, মঙ্গল গ্রহের লোকেদের সঙ্গে মিশরীয় সভ্যতার (Egyptian Civilization) সঙ্গে খুবই গভীর সম্পর্ক ছিল। আর মঙ্গল গ্রহের বসবাসকারীরা প্রায়শই সেখানে আসত। তার কথা অনুসারে, মিশরের পিরামিডের পাশে অবস্থিত স্ফিংসের (Sphinx) মূর্তি নিজের মধ্যে এখনো অনেক রহস্য লুকিয়ে রেখেছে। 'গ্রেট স্ফিংস' একটি মিথিকাল ক্রিয়েশন ছিল, যার মাথাটা মানুষের মতন হত আর শরীর সিংহের মতো হত। বরিস্কা বলেছিল যে, এই স্ফিংসের কানের পাশে কিছু লুকিয়ে রাখা আছে। যখন মানব সমাজ সেটা বের করে ফেলবে, তখন আমাদের জীবন সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়ে যাবে। কিন্তু সেই জিনিসটা কী, সেটা সম্পর্কে কেউ কিছুই জানে না। আশ্চর্যজনকভাবে তার এই বক্তব্যের প্রায় ১০ বছর পর, যখন একটি ডিপ স্ক্যানার দিয়ে গ্রেট স্ফিংসের মূর্তিটাকে স্ক্যান করা হয়, তখন তার কানের পাশে একটি অদ্ভুত রকমের জিনিস স্ক্যানে ধরা পড়ে। এবার ভেবে দেখুন, বরিস্কা এইসব আগে থেকে কিভাবে জানল! পৃথিবী জুড়ে সমস্ত বিজ্ঞানীরা তার এই ধারণা দেখে চমকে গিয়েছিলেন। তারা এটাই ভাবছিল যে, সেই ছেলেটি এত কিছু কিভাবে জানল?

বরিস্কার আইকিউ ও রহস্যময় অন্তর্ধান

কিছু লোক বলেন যে, বরিস্কার আইকিউ লেভেল ২০০, যেখানে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, যিনি কিনা এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করা সব থেকে বুদ্ধিমান লোকেদের মধ্যে পড়েন, ওনার আইকিউ লেভেল কেবল ১৬০-ই ছিল।

শেষমেষ এখন আমি সেই প্রশ্নের উত্তর দেব, যেটা জানবার জন্য আপনি এখনও পর্যন্ত পোস্টটা দেখছেন। এই প্রশ্নটি হলো যে, বরিস্কা এখন কোথায় রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর হলো, কারো জানা নেই। পৃথিবীর সব মানুষকে চমকে দেওয়ার মতো কিছু দাবি করে কিছুদিন পর বরিস্কা তার ফ্যামিলির সঙ্গে কোথাও উধাও হয়ে যায়। আর তারপরে তাদেরকে আর কোনোদিনও দেখা যায়নি। রাশিয়ার বহু বড় বড় জার্নালিস্ট তাদেরকে খোঁজার চেষ্টা করে, কিন্তু তারা কোনো কিছুই খুঁজে পায়নি। যদিও কিছু সময় পর রাশিয়ার গভর্নমেন্ট বলেন যে, বরিস্কাকে তার ফ্যামিলির সঙ্গে রাশিয়ার একটি গোপনীয় গ্রামে রাখা হয়েছে, যেখানে কারো পৌঁছানো অসম্ভব।

'মাইন্ড টু মাইন্ড' (Mind to Mind) কন্টাক্ট করতে পারা কিছু এক্সপার্টরা এটা দাবি করেছেন যে, তারা তাদের মনের সাহায্যে বরিস্কার সঙ্গে কন্টাক্ট করেছে এবং ছেলেটি তাদের জানিয়েছে, তারা একটি গোপনীয় গ্রামে রয়েছে এবং রাশিয়ার গভর্নমেন্ট তার কাছ থেকে আরও অনেক কিছু জানতে চেয়েছেন। আমার মতে, রাশিয়ার গভর্নমেন্ট হয়তো বরিস্কার কাছ থেকে স্পেসশিপ বানানোর কৌশল এবং অন্য গ্রহে জীবিত থাকার বিভিন্ন কৌশল জানার চেষ্টা করছে, কারণ সোভিয়েত সময় থেকেই রাশিয়া মহাকাশকে নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত ছিল। তবে বলে রাখি, ছেলেটি এবং রাশিয়ার গভর্নমেন্টের দাবি কতটা সত্য, তা নিয়ে আমি কোনো রকম তর্ক করতে চাই না। আমি শুধুমাত্রই তার দাবিগুলোকে সামনে রেখেছি।

উপসংহার

আপনাদের এইসব বিষয়ে কী মনে হয়? এগুলো কি সব সত্যি? ওই ছেলেটি কি মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছে? নাকি এই সবকিছু আমাদের ঠকানোর জন্য? আপনার কী মতামত, অবশ্যই কমেন্ট বক্সে আমাদেরকে জানাবেন।

কীওয়ার্ডস: বরিস্কা কিপ্রিয়ানোভিচ, মঙ্গল গ্রহের বালক, মঙ্গল গ্রহে এলিয়েন, ইন্ডিগো চাইল্ড, মহাকাশের রহস্য, ভবিষ্যৎবাণী, স্ফিংসের রহস্য, মিশরীয় সভ্যতা, নিউক্লিয়ার যুদ্ধ, লেমুরিয়া সভ্যতা, রাশিয়ার রহস্য, অজানা তথ্য, অদ্ভুত ঘটনা, জ্যোতির্বিজ্ঞান, এলিয়েন প্রযুক্তি, টাইম ট্রাভেল, আইকিউ, অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।

নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال