মৃত্যুকে ছুঁয়ে ফেরা: নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স এবং বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা!
বন্ধুরা, এমনটা বলা হয় যে, যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর মুখোমুখি পৌঁছে যায়, তখন সে আর ফিরে আসতে পারে না। কিন্তু এই কথাটা কি সত্য? আপনারা হয়তো এটাই ভাবছেন যে, এখানে সত্যের কী আছে? মৃত্যুর পর কি কোনো মানুষ জীবন্ত হতে পারে? আপনারা হয়তো এটা জানলে অবাক হবেন যে, এরকম ঘটনা এর আগেও বহুবার ঘটেছে। এমন বহু মানুষ রয়েছে, যারা মৃত্যুকে ছুঁয়ে আবার ঠিক চলে এসেছে। আর এরকম ঘটনা নিশ্চয়ই আপনারাও নিজেদের আশেপাশে ঘটতে শুনেছেন।
আমি জানি, কথাটা বিশ্বাস করা একটু অসুবিধাই হচ্ছে। তবে চিন্তার কোনো বিষয় নেই। পোস্টটা শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন, আপনার এইসব প্রশ্নের উত্তর একে একে জানতে পেরে যাবেন।
মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে: ঐতিহাসিক ঘটনা ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ
উদাহরণস্বরূপ, চলুন ঘুরে আসা যাক ৩০০ বিসিতে। সেই সময় একজন যোদ্ধা ছিল, যার নাম ছিল 'এর' (Er)। একটা সময় তিনি একটি যুদ্ধে খুবই খারাপ ভাবে আহত হয়ে শহীদ হয়ে যান। শহীদ হয়ে যাওয়ার দশ দিন পরেও ওনার শরীর একই কন্ডিশনে থেকে যায়। আর দশ দিন পরে যখন ওনার বডি পাওয়া যায়, তখন দেখে মনে হচ্ছিল যেন একদম জ্যান্ত অবস্থায় রয়েছে। এবার সাধারণত যখন কোনো মানুষের মৃত্যু হয়, তখন তার দেহ যদি দশ দিন রেখে দেওয়া হয়, তাহলে সেই দেহ গলতে শুরু করে দেয়। কিন্তু এই যোদ্ধার শরীর দশ দিন পরে থাকার পরেও কোনো রকম পচন দেখতে পাওয়া যায়নি। এর থেকেও আশ্চর্যজনক ঘটনা তখন ঘটে, যখন এর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার দিন আসে। আসলে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার দিন, এর হঠাৎ করে জীবন্ত হয়ে ওঠে।
এবার এমন ইন্সিডেন্ট দেখার পর আপনাদের মনে নিশ্চয়ই এই প্রশ্নটাই উঠে আসছে যে, এরকম ঘটনা কিভাবে সম্ভব? একবার ভেবে দেখুন, নিজের মৃত্যুকে দেখে আবার পুনরায় জীবিত হয়ে আসা কোনো সহজ ব্যাপার তো নয়! যাই হোক, আপনাদেরকে জেনে রাখার জন্য এটা বলে দিই যে, পৃথিবীতে এমন ৫ শতাংশ মানুষ রয়েছে, যারা নিজেদের মৃত্যুকে দেখে আবার ফিরে আসতে পারে। এখানেই শেষ নয়, বিজ্ঞানীরা এটা প্রমাণ করেছে যে, সত্যিই মানুষেরা মৃত্যুকে দেখেও ফেরত আসতে পারে।
আজকের এই পোস্টে আমি আপনাদের বলতে চলেছি যে, বিজ্ঞানীরা এরকম প্রমাণের খোঁজ কিভাবে করেছিল? সঙ্গে আপনারা এটাও জানবেন যে, 'নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্সে' (Near Death Experience - NDE) মানুষ কী দেখতে পায়?
নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স: এর'র অভিজ্ঞতা ও বিজ্ঞানের অনুসন্ধান
তো চলুন, আবার ৩০০ বিসিতে যাওয়া যাক, যেখানে নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স করে এর সবাইকে বলেছিল যে, তাঁর মৃত্যুর পর তিনি পৃথিবীতে এমন একটি জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলেন, যেখানে দুটি দরজা ছিল। তারপর তিনি এটাও বলেন যে, দুটি দরজার মধ্যে একটি দরজা ছিল স্বর্গের এবং আরেকটি দরজা ছিল নরকের। এবং এর সামনে এরপর দুটি দরজার একটি দরজায় তিনি ঈশ্বরকে দেখতে পান, যারা তাকে ডাকছিলেন। যদিও এইসব ঘটনা অনেকটা সিনেমার মতো লাগছে ঠিকই, কিন্তু আপনাদের এটা জেনে রাখার জন্য বলছি যে, এইরকম এক্সপেরিয়েন্স কেবলমাত্র তিনিই নয়, বরং অন্যান্য আরও অনেকেই ঠিক এই একই এক্সপেরিয়েন্স করেছিল।
এবার আমরা যেহেতু বিজ্ঞানকে একটু বেশিই বিশ্বাস করি, সেই কারণে আমাদের জানা উচিত যে, বিজ্ঞান এই বিষয়ে কী বলে। আর এই বিষয়ে কোনো প্রমাণ না থাকার কারণে বিজ্ঞানীরা এটাকে মানতে মানা করে দেয়। আর কোনো প্রমাণ না থাকার কারণেই এই ধরনের ইন্সিডেন্টগুলোকে সোজাসুজি ইগনোর করে দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সম্প্রতি, ফেব্রুয়ারি মাসে এমন একটা ঘটনা শুনতে পাওয়া যায়, যেখানে এই সমস্ত ঘটনার সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পাওয়া যায়, আর সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরকে এটাও প্রমাণ করে দেয় যে, মৃত্যুর সময় আমাদের ব্রেইনে আসলে কী ঘটে।
মস্তিষ্কের কার্যকলাপ: মৃত্যুর মুহূর্তে স্মৃতিচারণ
আপনারা এর আগে বহু মানুষের মুখ থেকে এটা শুনেছেন যে, যখন কোনো মানুষের মৃত্যুর সময় আসে, তখন তার ব্রেইন তার জীবনের প্রতিটা ঘটনার ফ্ল্যাশব্যাক দেখাতে থাকে। আর ফেব্রুয়ারি মাসে ঘটা ওই ঘটনাটি এটা যে সত্য, সেটা প্রমাণ করে দেয়। ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনাটি একজন কানাডিয়ান পেশেন্টের সাথে ঘটেছিল। এই ব্যক্তিটির মৃগী রোগ ছিল। আর যখন এই ব্যক্তির রোগ পরীক্ষা করবার জন্য ব্রেন টেস্ট করা হচ্ছিল, তখন হঠাৎ করে ওই ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায়, যে কারণে সঙ্গে সঙ্গে তার মৃত্যু হয়। ওই ব্যক্তিটি যদিও মারা গিয়েছিল, কিন্তু কিছু সময় পর্যন্ত ওনার ব্রেন ওয়েব চালিত অবস্থায় ছিল।
আর ওই সময়ের ডাক্তাররা এটাই পর্যবেক্ষণ করে। মৃত্যু হওয়ার প্রায় ৩০ সেকেন্ড আগে এবং ৩০ সেকেন্ড পরে, ওই ব্যক্তির ব্রেন এমন কিছু অ্যাক্টিভিটির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, যেটা মেমোরি রিকল (Memory Recall), ইরিটেশন (Irritation) এবং ড্রিমিং (Dreaming) এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে। আর এর মাধ্যমে ডাক্তাররা এটা আন্দাজ করে ফেলেন যে, ওই ব্যক্তি নিজের জীবনের পুরোনো স্মৃতিগুলোকে রিকল করছেন।
এবার হয়তো আপনারা এটাই ভাবছেন যে, এইটুখানি ব্যাপার দেখে ডাক্তাররা এত বড় স্টেটমেন্ট কিভাবে দিল? তাহলে আপনাদেরকে জানা দরকার, ডাক্তাররা এত বড় স্টেটমেন্ট কিভাবে দিতে পারলো? আসলে আমাদের ব্রেইনে ৮৬ বিলিয়ন নিউরন সেল (Neuron Cells) মজুত রয়েছে, যেগুলি খুবই দ্রুত গতিতে একে অপরের সঙ্গে কমিউনিকেট করে। আর এই কমিউনিকেশনের জন্য তারা কোনো ধরনের শব্দ ব্যবহার করে না, বরং সিগনালের মাধ্যমে তারা কমিউনিকেশন করে থাকে। আপনাদের জেনে রাখার জন্য বলছি, এই সিগন্যাল অন্য কিছু নয়, বরং এগুলো ওয়েব, যেগুলোকে ইইজি (EEG) মেশিনের দ্বারা খুব সহজে বোঝা যায়।
ইইজি এমন এক ধরনের মেশিন, যেটা সিঙ্গেল নিউরনের সিগন্যাল ধরতে পারে না, কারণ এইসব সিগনাল খুবই ছোট হয়। এই মেশিন সেইসব নিউরনের সিগন্যাল ধরতে পারে, যেগুলি একই সঙ্গে সিগন্যাল দেওয়ার কাজ করে। এবার যেহেতু নিউরনের সংখ্যা অনেক বেশি, তাই প্রতিটা সেকেন্ডে সেকেন্ডে এর ফ্রিকোয়েন্সি বদলাতে থাকে। এবার ডাক্তাররা যদি এর একদম পারফেক্ট রেজাল্ট জানতে চায়, তাহলে ডাক্তারদের অত বেশি তারের প্রয়োজন পড়ে। এই কারণে ডাক্তাররা একটি-দুটি নয়, বরং ২৭০টি ইলেক্ট্রোডের ব্যবহার করে থাকে।
এবার আপনারা জেনে রাখুন, ব্রেনের ছোট ওয়েব সবসময় আপডেট হতে থাকে। কিন্তু বড় বড় নিউরনের ওয়েবগুলো সব সময় আপডেট হয় না। আর সেই সমস্ত ওয়েবগুলোকে পরীক্ষা করেই এটা জানতে পারা যায় যে, সেই মানুষটি কী ভাবছে। আমাদের ব্রেইনে মোট ৫খানা ওয়েব গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে কাজ করে। আর এই ৫খানা ওয়েবেরই আলাদা আলাদা ফ্রিকোয়েন্সি এবং অ্যামপ্লিটিউড (Amplitude) থাকে। চলুন, আপনাদের এই ৫খানা ওয়েব সম্পর্কে একটু বিস্তারিত বলে দিই।
মস্তিষ্কের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব:
১. আলফা ওয়েব (Alpha Wave): এর ফ্রিকোয়েন্সি ৮ থেকে ১২ হার্টজ (Hz) পর্যন্ত হয়। আর এটা আপনার কনসাস (Conscious) এবং সাব-কনসাস (Sub-conscious) মাইন্ডের কানেকশনের কাজ করে। যদি এই আলফা ওয়েব বাকি ওয়েবগুলোর উপর বিস্তার করে, তাহলে এটি আপনার ব্রেনকে রিল্যাক্স রাখে। আর এই ওয়েবের সাহায্যেই আপনারা একটা কাজের সঙ্গে সঙ্গে আর একটি কাজ কোনো রকম টেনশন ছাড়াই করতে পারেন। আর এটা সেই ওয়েব, যেটা আপনাকে আনন্দের সঙ্গে থাকতে সাহায্য করে।
২. বিটা ওয়েব (Beta Wave): এই ওয়েবের ফ্রিকোয়েন্সি ১৪ হার্টজ এর থেকেও বেশি থাকে। আর এই ওয়েব সবথেকে বেশি অ্যাক্টিভ তখন থাকে, যখন আপনি জেগে থাকেন। এটা আপনার লজিক্যাল রিজনিং (Logical Reasoning), প্রবলেম সলভিং স্কিল (Problem Solving Skill), জাজমেন্ট (Judgement), ডিসিশন মেকিং (Decision Making) এর মতন জিনিসের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
৩. ডেল্টা ওয়েব (Delta Wave): এই ওয়েবের ফ্রিকোয়েন্সি অনেক কম থাকে। এই ওয়েব তখন সবথেকে বেশি অ্যাক্টিভ হয়, যখন আপনি শুয়ে থাকেন। আপনারা এটা জানলে অবাক হবেন যে, যদি এই ডেল্টা ওয়েব আপনার বাকি ওয়েবগুলোর উপর বিস্তার করে, তাহলে আপনি চার থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত ঘুমন্ত অবস্থায় থাকবেন।
৪. থীটা ওয়েব (Theta Wave): এই ওয়েব আপনার স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই ওয়েবের ফ্রিকোয়েন্সি ৪ থেকে ৮ হার্টসের মধ্যে থাকে। আর এই ওয়েবও আপনার ঘুমন্ত অবস্থায় সবথেকে বেশি অ্যাক্টিভ থাকে। ভুল করে যদি এই ওয়েব আপনার জেগে থাকা অবস্থায় অ্যাক্টিভ হয়ে যায়, তাহলে আপনি কোনো কিছুর উপরই কনসেন্ট্রেট করতে পারবেন না। তার সঙ্গে সঙ্গে আপনার লার্নিং ডিসএবিলিটি (Learning Disability) ও হতে পারে।
৫. গামা ওয়েব (Gamma Wave): এই ওয়েবের ফ্রিকোয়েন্সি ৩০ থেকে ৪৪ হার্টসের মধ্যে থাকে। এই ওয়েবটি এমন এক ধরনের ওয়েব, যেটা আপনার ব্রেনের সব কিছুর সঙ্গে যুক্ত থাকে। তার সঙ্গে সঙ্গে আপনারা যা কিছু ভাবছেন বা চিন্তা করছেন, এই সবকিছুই এই ওয়েবের ওপর নির্ভর করে। ঠিক যেমনটা কম্পিউটারের সিপিইউ (CPU) কাজ করে থাকে। বলতে পারেন, এটাও আপনার জীবনের একটি 'সিপিইউ'। এমনকি এটা আপনাকে কোনো কিছু মনে করাতেও সাহায্য করে।
কানাডিয়ান পেশেন্ট ও ইঁদুরের গবেষণা: মৃত্যুর পর স্মৃতিচারণ
চলুন ঘুরে আসা যাক ওই পেশেন্টের কাছে। ওই পেশেন্টের ব্রেনের মধ্যেও এই সমস্ত ফ্রিকোয়েন্সিগুলো অ্যাক্টিভ অবস্থায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল। আর এই পেশেন্টের রিপোর্ট কার্ডে গামা ওয়েবের অ্যাক্টিভিটি সবথেকে বেশি ছিল। এবার যেহেতু গামা ওয়েবের অ্যাক্টিভিটি রিপোর্ট কার্ডে অনেক বেশি ছিল, তাই ডাক্তার এই সিদ্ধান্তে আসেন যে, মৃত্যুর পর মানুষের মেমোরি রিপ্লে (Memory Replay) হতে শুরু করে। আর এই সমস্ত মেমোরি প্রেজেন্ট থেকে পাস্টের দিকে যেতে শুরু করে। আর এই সমস্ত মেমোরি ততক্ষণ বাড়তে থাকে, যতক্ষণ ওই মেমোরি শেষ না হয়ে যায়।
এই রিপোর্ট বেরিয়ে আসার পরেও বহু ডাক্তাররা এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি। কোনো না কোনো দিক থেকে তাদের কথাও ঠিক যে, এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে তেমন কোনো রিসার্চ হয়নি। আর এই কারণেই অনেক বিজ্ঞানীরা সেইসব মানুষের ওপর রিসার্চ করছে, যারা মৃত্যুর মুখে রয়েছে। কিন্তু কখন কে মারা যাবে, সেটা বিজ্ঞানীরাও সঠিকভাবে জানে না। আর এই এক্সপেরিমেন্ট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হয়।
এবার যেহেতু মানুষের ওপরেই পরীক্ষা নিরীক্ষা করা সম্ভব নয়, তাই বিজ্ঞানীরা পশু-পাখিদের উপর এই পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে শুরু করেছে। যে কারণে প্রথমে ইঁদুরের ওপর এই পরীক্ষা করা হয় এবং মোট ৯খানা ইঁদুরকে ধরা হয়। তাদের মধ্যে ৬খানা ইঁদুরের উপর ইলেকট্রোড স্থাপিত করা হয় এবং তাদেরকে মারণ ইনজেকশন দেওয়া হয়, যাতে তারা মারা যায়। এরপরে বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের ব্রেন অ্যাক্টিভিটির উপর লক্ষ্য করতে থাকে। যেই মুহূর্তে ইঁদুরের হার্টবিট বন্ধ হয়ে যায়, সেই মুহূর্তে ইলেক্ট্রোডের অ্যাক্টিভিটি খুব দ্রুত গতিতে বেড়ে যেতে শুরু করে। ইঁদুরটি যে ব্রেনে অ্যাক্টিভ ছিল, সেটা হঠাৎ করে ব্যাক আপ মেমোরিতে অ্যাক্টিভ হয়ে যায়। এই ডিসকভারি থেকে এটা তো পরিষ্কার হয়ে যায় যে, যদি ইঁদুরের মতো মানুষেরও হয়ে থাকে, তাহলে ওই কানাডিয়ান পেশেন্টের রিপোর্ট কার্ড একদম সঠিক ছিল।
অনিতা মুরজিয়ানি: ক্যান্সার নিরাময় ও নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স
আর কেবলমাত্র তিনিই না, এরকম একই ঘটনা একটি মহিলার সঙ্গেও ঘটেছিল। আর ওই মহিলার নাম ছিল অনিতা মুরজিয়ানি (Anita Moorjani)। অনিতার আসলে ক্যান্সার ছিল, যে কারণে তার মৃত্যু হয়। কিন্তু তিনিও মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখে আবার ফিরে আসেন। অবাক করার বিষয় এটা নয় যে, তিনি মৃত্যুকে ছুঁয়ে আবার ফিরে এসেছেন। অবাক করার বিষয় এটাই যে, মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখে আসার পর ওনার ক্যান্সার সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হয়ে যায়। এবার এমনটা কিভাবে ঘটেছিল, সেটা কেউই জানে না। তবে ডাক্তাররা এবং বিজ্ঞানীরা যদি তা জানতে পারে, তাহলে হয়তো ঠিকই বিজ্ঞানের এক আমূল পরিবর্তন আসবে।
উপসংহার
সে যাই হোক, আপনার এই ব্যাপারে কী মতামত? অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন।
কীওয়ার্ডস: নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স, NDE, মৃত্যুকে ছুঁয়ে ফেরা, মৃত্যুর পর জীবন, মস্তিষ্কের কার্যকলাপ, ব্রেন ওয়েব, আলফা ওয়েব, বিটা ওয়েব, ডেল্টা ওয়েব, থীটা ওয়েব, গামা ওয়েব, স্মৃতিচারণ, ফ্ল্যাশব্যাক, কানাডিয়ান পেশেন্ট, ইঁদুরের গবেষণা, অনিতা মুরজিয়ানি, ক্যান্সার নিরাময়, বিজ্ঞান ও মৃত্যু, আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা, ব্রেন অ্যাক্টিভিটি, ইইজি, নিউরন সেল।
