কোয়ান্টাম এন্টেঙ্গেলমেন্ট | Quantum Entanglement & Bell's inequality theorem in Bengali

 

কোয়ান্টাম এন্টেঙ্গেলমেন্ট (Original image)



উনিশশো সাতাশ সালের অক্টোবর| পৃথিবীর মেধাবী কিছু মানুষ বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে solvey conference এ সমবেত হন| পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার আচরণ সম্পর্কে সদ্য প্রতিষ্ঠিত theory অর্থাৎ Wantum Machanix সম্পর্কে আলোচনার জন্য| কারণ কোনটাম্যাকানিক্স সাব এটোমিক পার্টিকেলের আচরণ সম্পর্কে এমন কিছু বিষয় প্রস্তাব করছিল যা সাধারণ দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো মানুষের কাছে অসম্ভব সেই সাথে অযৌক্তিক মনে হবে| যেমন contact mechanics অনুযায়ী আপনি একটি কঠিন বস্তুকে জুম করতে করতে যদি সাব এটমিক্স স্কেলে যান অর্থাৎ ইলেকট্রন, প্রোটন কিংবা নিউট্রন স্কেলে যান| তবে সেখানে কঠিন কিছুই খুঁজে পাবেন না|

এই সকল সাব এডমিট পার্টিকেলের সলিড বা কঠিন কোন কাঠামো নেই| এরা জাস্ট এক ধরনের তিমাতৃক ওয়েব| সেই সাথে আমরা পরমাণুর চারপাশে ইলেকট্রনিক্সের কক্ষপথ বিবেচনা করে থাকি সেটাও নাকি সঠিক নয়| কন্টাক্ট ম্যাকনিক্স অনুযায়ী পরমাণুর চারপাশে ইলেকট্রন কোন স্পেসিফিক স্থানে অবস্থান করবে না| বরং এটি একই সময়ে সকল স্থানে অবস্থান করবে| এবং যখনই আমরা ইলেকট্রন কিংবা অন্য কোন সাব এটোমিক পার্টিক্যালকে দেখার চেষ্টা করবো| তখনই এদের ওয়েট ফাংশান ভেঙ্গে গিয়ে বা সলিড অবস্থায় একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে দেখা যাবে| আলফাটা ইনস্ট্যান্ট এই সকল ধারণার সাথে খুবই আনকম্ফোর্টেবল ছিলেন|

ফলে তিনি বলেছিলেন আমি ভাবতে চাই চাঁদকে না দেখলেও চাঁদ তাঁর অবস্থানেই থাকবে|

সাবেটোমিক পার্টিকলার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ইন্টেঙ্গেলমেণ্ট| এই কোয়ান্টাম ইন্টেঙ্গেলমেন্টের সত্যতা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করার জন্যই তিনজনকে দুই হাজার বাইশ সালের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে| আজকের ভিডিও এই কোয়ান্টাম ইন্টেঙ্গালমেন্ট নিয়ে সাজানো হয়েছে| আমি জুম্মান আছি আপনাদের সাথে| আপনারা দেখছেন বিজ্ঞান পাই মনে করুন আপনাকে বলা হলো নরসিংদীতে অবস্থান করে কক্সবাজারে থাকা একটি বস্তুকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে| এখন কক্সবাজারে থাকা বস্তুটি যদি ইলেকট্রনিক্সের কোন ডিভাইস হয় তবে খুব সহজে আপনি সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন|

কিন্তু সেই ক্ষেত্রে অতি সামান্য হলেও সময়ের প্রয়োজন হবে| কারণ নসন্দি থেকে যে সিগন্যাল পাঠাবেন সেটা কক্সবাজার যেতে কিছুটা সময় অবশ্যই লাগবে| অর্থাৎ আপনি সিগন্যাল পাঠানোর কিছুটা সময় পর কক্সবাজারের বস্তুটি সেই অনুযায়ী কাজ করবে| কিন্তু আপনাকে যদি বলা হয় সিগনাল যেতে যে সময় লাগছে সেই সময় আপনাকে দেওয়া হবে না| অর্থাৎ আপনি সিগনাল দেওয়ার সাথে সাথে কক্সবাজারের বস্তুটি সিগনাল অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হতে হবে| এমন শর্তের ক্ষেত্রে সাধারণ চিন্তা থেকেই বলা যায় এটা সম্ভব নয়|

কিন্তু কন্টাম ইন্টেঙ্গেলমেন্ট অনুযায়ী এটা সম্ভব|

মনে করি এটি হচ্ছে একটি কনটম সিস্টেম| যার স্পিন হচ্ছে জিরো| এখন মনে করি এই কোয়ান্টাম সিস্টেম থেকে দুইটি ফোটন তৈরি হয়েছে| তাহলে একটি ফোটনের স্পিন হবে আপ অর্থাৎ প্লাস ওয়ান এবং অপর ফোটনের স্পিন হবে ডাউন| অর্থাৎ মাইনাস ওয়ান| কারণ শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি অনুযায়ী মোট শক্তি সংরক্ষিত থাকবে| অর্থাৎ যেখান থেকে তৈরি হয়েছে সেটার spin এবং ফোটন দুইটির মোট spin সমান হতে হবে| এই জন্যই একটির spin হবে প্লাস one এবং অপরটির হবে মাইনাস ওয়ান|

কোয়ান্টাম মেকানিক্স অনুযায়ী দুটি ইন্টেঙ্গেল ফোটোনিজ সুপার পজিশন অবস্থায় থাকবে| অর্থাৎ ফোটনের স্পিন মেজার করার আগে ফোটনে একই সাথে আপ এবং ডাউন স্প্রিন বিদ্যমান থাকবে| এবং যখনই দেখার চেষ্টা করবো কেবল তখনই একটি স্পেসিফিক স্পিন দেখা যাবে| অর্থাৎ প্রথম ফোটনে আপ স্পিন পাওয়ার সম্ভাবনা হচ্ছে ফিফটি পার্সেন্ট এবং ডাউন স্পিন পাওয়ার সম্ভাবনা হচ্ছে ফিফটি পার্সেন্ট| একইভাবে দ্বিতীয় ফ up spin পাওয়ার সম্ভাবনা হচ্ছে fifty percent| এবং down spin পাওয়ার সম্ভাবনা হচ্ছে fifty percent|

এখন আপনি যদি প্রথম ফোটন দেখার পর up spin দেখতে পান তবে দ্বিতীয় ফোটনের ক্ষেত্রে আর সম্ভাবনার বিষয়টি থাকে না| তখন আপনি hundred পার্সেন্ট sure হয়ে বলে দিতে পারবেন| দ্বিতীয় ফোটনের spin হবে down| অর্থাৎ প্রথম ফোটনে up spin দেখার সাথে সাথেই দ্বিতীয় ফোটনে ডাউন স্প্রিন দেখা যাবে| এখন আপনি যদি দুইটি intingle ফোটনকে এক হাজার লাইট ইয়ার দূরেও স্থাপন করেন| তাহলে প্রথম ফোটনে যে স্পিন আসবে সাথে সাথেই দ্বিতীয় ফোটনে তার বিপরীত স্পিনার অর্থাৎ এই ঘটনাটি instantly ঘটবে contam mechanics অনুযায়ী এই দুটি intangle ফোটন কে একটি single weight function দ্বারা সংজ্ঞাহিত করতে হবে|

এবং যখনি একটি ফোটন কে দেখা হবে তখন এর web function ভেঙে যাবে| ফলের সাথে সাথেই দ্বিতীয় ফোটনের web function ও ভেঙে যাবে| এবং এর মাধ্যমে দ্বিতীয় ফোটনেও একটি specific skin দেখা যাবে| কিন্তু এমনটা আলবাট আইনস্ট্যান্ড কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না| তিনি এই বিষয়টিকে বলেন spoky action at a distance| কারণ relativity অনুযায়ী আলোর চেয়ে বেশি বেগ সম্ভব নয়| তাহলে কিভাবে প্রথম ফোটানিক kiss তা দ্বিতীয় ফোটন ইন্সট্যান্টলি জানতে পারবে|

এক্ষেত্রে তো অবশ্যই সময় লাগার কথা| এই প্রশ্ন নিয়ে আলবা টাইম স্ট্যান্ড দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান| আলবা টাইম স্ট্যান্ড মনে করতেন কন্টাম মেকানিক্স ভুল নয়| তবে অসম্পূর্ণ| তিনি কন্টাম ইন্টেঙ্গলমেণ্টের বিষয়টি বর্ণনা করতে উনিশশো পঁয়ত্রিশ সালে আরো দুজনকে সাথে নিয়ে একটি পেপার পাবলিশড করেন| যা ইপিআর প্যারাডাক্স নামে পরিচিত| এখানে তিনি বলেন দুইটি ইন্টেঙ্গেল পার্টিক্যাল এর ক্ষেত্রে কোনটি আপ স্প্রিন দেখাবে এবং কোনটি ডাউন স্প্রিন দেখাবে|

তা ইন্টেকল পার্টিক্যাল তৈরি হবার সময়ই নির্ধারিত হয়ে যায়| অর্থাৎ ইন্টেঙ্গেল পার্টিকেলের মধ্যে হিডেন বেরিয়াবল থাকে| বিষয়টিকে বোঝানোর জন্য আলফাটাইনস টেনে একটি উপমার সামনে নিয়ে আসেন| মনে করুন আপনি দুটি বক্সের একটিতে বাম হাতের গ্লাভস| এবং অন্যটিতে ডান হাতের গ্লাভস রেখেছেন| এখন এই দুটি বক্সকে আপনি যতদূরই স্থাপন করেন না কেন, প্রথম বক্সে যদি আপনি বাম হাতের গ্লাভস দেখতে পান, তবে আপনি hundred পার্সেন্ট নিশ্চিত ভাবে বলতে পারবেন, ওপর box এ ডানহাতের gloves রয়েছে|

তার মানে box দুটি আলাদা করার সময় নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল, কোনটিতে বাম হাতের গ্রাস রয়েছে এবং কোনটিতে ডান হাতের গ্লাভস রয়েছে| কিন্তু কোনটা ম্যাগানিক hidden barriable বলতে কিছু থাকবে না| অর্থাৎ intencle particle এর ক্ষেত্রে পূর্ব নির্ধারিত কোনো বিষয় নেই| ফলে মহাবিশ্বের মৌলিক ভিত্তি অর্থাৎ sub atomic particle আসলে কিভাবে কাজ করে? অর্থাৎ এদের মধ্যে hidden variable থাকে নাকি থাকে না| তা নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়|

কিন্তু এই মতপার্থক্য সমাধান করার জন্য পরবর্তীতে কেউ seriously ভাবেন উনি| কারণ পরবর্তী সময়ে contact mechanics এর math মেডিক্যাল equation গুলো ব্যবহার করে মানুষ বিভিন্ন কিছু invent করতে শুরু করে| যেমন nuclear bomb, transgistor| যার ফলে কেউ আর fundamental পর্যায়ে এখন মেকানিস্ট কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে খুব একটা ভাবতে চাননি ওয়ান্টাম মেকানিক্সকে অনেকটা বর্তমান সময়ের মোবাইল ফোনের সাথে তুলনা করা যেতে পারে| আমরা সবাই এটা জানি যে মোবাইল ফোন দিয়ে কি কি করা যায়|

তবে এসকল কাজ করতে গিয়ে মোবাইলের ভেতরে কি কি ঘটে তা আমরা সাধারণ মানুষ জানিনা| এমনকি জানার চেষ্টাও করি না| কন্টাক্টনিক একই রকম| এটির মাধ্যমে কি কি হয়ে থাকে সেটা আমরা ভালোই জানি| কিন্তু এই বিষয়গুলো কিভাবে কাজ করে? সেই সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই| যার ফলে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ঘন্টাম্যাকানিক্সের হিডেন ভেরিঅবলের বিষয়টি চাপা পড়ে থাকে|

উনিশশো চৌষট্টি সালে জন ওয়েল একটি পদ্ধতি প্রস্তাব করেন| যার মাধ্যমে হিরেন বেরিয়বের বিষয়টি পরীক্ষা করার সুযোগ তৈরি হয়| যাকে বলা হয় বেলস থেরিয়াম| বা বেল্ট ইন ইকোয়ালিটির থিওরি| সূত্রটি ছিল খুবই সিম্পল| তবে এটি ব্যাখ্যা করতে গেলে কিছুটা জটিল মনে হতে পারে| তারপরেও এই সূত্রটি আসলে কি বলতে চাচ্ছে তা বলা যাক| এবং এরপর খুবই সিম্পল একটি উদাহরণ নিয়ে আসবো| যার মাধ্যমে খুবই সহজে বুঝতে পারবেন| মনে করুন তিনজন মানুষ| এ বি সি| এরা একই সাথে তিনটি কয়েন ক্রস করবে| হেডকে ওয়ান এবং টেলকে জিরো বিবেচনা করি|

এখন তিনজন মানুষ একই সাথে টস করলে সবার ক্ষেত্রে টেল আসতে পারে| আবার প্রথম দুজনের টেল এবং তৃতীয় জনের হেট আসতে পারে| এমন ভাবে মোট আট ধরনের কম্বিনেশন সম্ভব| এখন দেখা যাক এর ক্ষেত্রে হেড এবং বিয়ের ক্ষেত্রে টেল কতবার আসতে পারে? এক্ষেত্রে দুইবার এমন হতে পারে| এবার বিয়ের ক্ষেত্রে হেড এবং সি এর ক্ষেত্রে টেল এরকম কম্বিনেশনও আসবে দুবার| আবার এর ক্ষেত্রে হেড এবং সি এর ক্ষেত্রে টেল| এই বিষয়টিও দুইবার দেখা যাবে| তাহলে এখানে আমরা বলতে পারি এন অফ এ বারবি প্লাস এন অফ বি বার্ষিক|

গ্রেটার দেন অর ইকুয়াল এন অফ এভারসি| কারণ এ বি এর মানুচ্ছে টু বি আর সি এর মানু হচ্ছে টু এবং এ আর সি এর মানু হচ্ছে টু| তাহলে টু প্লাস টু গেটার দেন ওর ইকুয়াল টু বা ফোর গ্রেটার দেন অর ইকুয়াল টু| আমরা কমন সেন্স থেকেই বলতে পারি এটি সকল ক্ষেত্রে সত্য| এটি ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স কিংবা রিলেটিভিটি| সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য| সূত্রটিকে প্রবাবিলিটির মাধ্যমে উপস্থাপন করলে আমরা এমন দেখতে পাবো| এটাই হচ্ছে বেলস ইন ইকোয়ালিটি| এখন কন্টাক্ট ম্যাকানিক্সের ক্ষেত্রে যদি হিডেন ভেরিঅবল বিষয়টি থেকে থাকে তবে তা এই ইনি কোয়ালিটি মেনে চলবে|

আর যদি হিডেন বেরিয়বল না থাকে|

এই ইনুক্যালিটি ভায়োলট করবে| অর্থাৎ লংঘন করবে| কিন্তু জনবেল তার এই theory publish করার পর এটাকে এক প্রকার অগ্রাহ্য করা হয়| অর্থাৎ কেউ তেমন একটা গুরুত্ব দেয়নি| ফলে বেলেট থিওরি জাস্ট একটা পেপার হিসেবেই পড়ে থাকে| তবে আট বছর পর অর্থাৎ উনিশশো বাহাত্তর সালে জন্ড ক্লোজার সর্বপ্রথম পোলারাইজ ফিল্টারের মাধ্যমে বেলেট থিওরি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে টেস্ট করার চেষ্টা করেন| এক্ষেত্রে তিনি লেজারের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম অ্যাটামকে হিট করেন| ফলে তা থেকে ইন্টেঙ্গেল ফোটন পেয়ার তৈরি হয়|

এবং এই ইন্টেঙ্গেল ফোটন পেয়ারের মাধ্যমে তিনি বেলের থিওরি টেস্ট করেন| এবং তিনি দেখতে পান intancle পার্টিকাল এর ক্ষেত্রে hidden barriable নেই| অর্থাৎ আলবাট instant ভুল ছিলেন| Intantle particle প্রতি ক্ষেত্রেই bell এর unique quality কে biot করছিলো| পরবর্তীতে উনিশশো বিরাশি সালে একে experiment আরো সুখভাবে করেন| এবং তিনিও একই ফলাফল দেখতে পান| কিন্তু তখনও কিছু মানুষ hidden বেরিয়ে বল না থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি| তাদের ধারণা ছিল কোন প্রকার প্রভাব এর কারণে balles এর inquality violation ঘটছে|

পরবর্তীতে উনিশশো এন্টোন জেলেঙ্গার অনেক দূরের থেকে আসা আলোর মাধ্যমে একই এক্সপেরিমেন্ট করেন| যেন পৃথিবীতে থাকা কোনো প্রভাবকের মাধ্যমে এক্সপেরিমেন্ট প্রভাবিত না হয়| এবং তিনিও একই রেজাল্ট পান| অর্থাৎ ইন্টেঙ্গালমেন্ট is real| কোনটাম পার্টিকেলের ক্ষেত্রে পূর্ব নির্ধারিত বলতে কিছু নেই| যখনই আপনি দেখবেন তখনই কেবল একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকবে| এছাড়া এদের মধ্যে সম্ভাব্য সবকিছুই উপস্থিত থাকবে| এমন বিষয় মেনে নেওয়া খুবই কঠিন| কারণ আমাদের চারপাশে আমরা যা দেখি সবই হচ্ছে ডিটামিন্যাসটিক| অর্থাৎ সকলকে আমরা একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে দেখি| যেমন একটি টেনিস বলকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে আমরা দেখতে পাই|

কখনোই একটি টেনিস বলকে একই সময়ে একাধিক স্থানে আমরা দেখতে পাই না| কিন্তু কোনটাম ম্যাগনিক্স অনুযায়ী সাব এটোমিক পার্টিক্যালগুলো একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করতে পারে| কোনটা ম্যাগনিক্স অনুযায়ী কন্টাম পার্টিকালের মধ্যে ডিটার্মিন ইস্টিক বলতে কিছু নাই| সবকিছুই হচ্ছে প্রবাবিলি স্টিক| অর্থাৎ সম্ভাবনাময়| আপনি শুধুমাত্র সম্ভাবনা বলতে পারবেন| কখনোই নির্দিষ্ট করে কোন কিছুই বলতে পারবেন না| এই মহাবিশ্বের ভিত্তি অর্থাৎ কোনটাম স্কেলের এক গভীর সত্যকে প্রমাণ করার জন্য দু হাজার বাইশ সালের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে| এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে ভেলসের in equality violation মানে হচ্ছে four getter than or equal two কে ভুল বলা|

কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব? Quantum mechanics কে এভাবে bel inquality কে লঙ্ঘন করে তা বোঝার জন্য খুবই simple একটি উদাহরণই যথেষ্ট| আমরা অনেকেই পোলারাইজ সানগ্লাসের কথা শুনেছি| পোলারাইজ সানগ্লাস হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সানগ্লাস| এটাকে আপনি একধরণের কন্টাক্ট মেশিনও বলতে পারেন| আপনি যদি দুটি পোলারের গ্লাসকে নাইন্টি ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল এ বসান| তবে দেখবেন হান্ড্রেড পার্সেন্ট আলু ব্লক হয়ে যাচ্ছে| অর্থাৎ দ্বিতীয় গ্লাসকে ফোটন ভেদ করতে পারার সম্ভাবনা জিরো পার্সেন্ট| এখান থেকেই কোয়ান্টাম ইন্টেঙ্গেলমেন্টের ক্ষেত্রে যে কোন hidden বেরিয়াবাবু নেই তা বোঝা যায়|

আপনি যখন দুটি পরস্পরের সাপেক্ষে জিরো ডিগ্রিতে রাখছেন| তখন হান্ড্রেড পার্সেন্ট আলো পাস করছে| কিন্তু যখন ফর্টি ফাইভ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেল এ রাখছেন তখন ফিফটি পার্সেন্ট আলো ব্লক হয় যাচ্ছে| এখন এই অ্যাঙ্গেল কে পরিবর্তন করে যখন আপনি নাইনটি ডিগ্রী অ্যাঙ্গেল করছেন| তখন হান্ড্রেড পার্সেন্ট আলো ব্লক হয় যাচ্ছে| এখন এই হিসাব থেকে আমরা বলতে পারি গ্লাসকে যদি বাইশ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে রাখা হয় তাহলে সেভেন্টি ফাইভ পার্সেন্ট আলো পাস হতে পারবে| কিন্তু এক্ষেত্রে দেখা যায় এইটটি ফাইভ পার্সেন্ট আলো পাস হতে পারে| অর্থাৎ মাত্র ফিফটিন পার্সেন্ট আলো ব্লক হয় যায়|

যা একপ্রকার অসংহতি|

কিন্তু এর চেয়েও আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটে যখন আপনি তৃতীয় কোনো গ্লাস এখানে ইনক্লুড করেন মনে করে তিনটি গ্লাস এ বি এবং সি কে যথাক্রমে জিরো ডিগ্রি টোয়েন্টি ফাইভ পয়েন্ট ফাইভ ডিগ্রী এবং ফরটি ফাইভ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে বসানো হয়েছে তবে হিসেব অনুযায়ী বি গ্লাসে ফিফটিন পার্সেন্ট আলু ব্লক হবে কারণ প্রথম গ্লাসের সাপেক্ষে দ্বিতীয় গ্লাস বাইশ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে বসানো আছে একইভাবে তৃতীয় গ্লাসে আরো ফিফটিন পার্সেন্ট আলু ব্লক হয়ে যাবে কারণ দ্বিতীয় গ্লাসের সাথে তৃতীয় গ্লাস বাইশ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি এঙ্গেলে বসানো আছে অর্থাৎ টোটাল থার্টি পার্সেন্ট আলো হবে|

কিন্তু মাঝখানের দ্বিতীয় গ্লাসটিকে সরিয়ে ফেললে ফিফটি পার্সেন্ট আলো ব্লক হয়ে যায়| যদিও প্রথম এবং তৃতীয় গ্লাসের মধ্যবর্তী অ্যাঙ্গেল পরিবর্তন করা হয়নি| এখানেই প্রশ্ন| কিভাবে নির্ধারিত হয়? কোন ফোটনটি ব্লক হবে এবং কোন ফটোনটি পাস হবে? যদি প্রথমে এটা নির্ধারিত থাকতো যে কোন ফোটনটি ব্লক হবে এবং কোনটি পাস হতে পারবে? তবে কখনই মাঝখানের ক্লাস অ্যাড করার ফলে এমন আচরণ দেখা যেত না| কোন ফোটন ব্লক হবে এবং কোন ফোটন পাস হবে| যদি এটা প্রথম থেকেই নির্ধারিত থাকত তবে এই উভয় ক্ষেত্রেই ফিফটি পার্সেন্ট আলো ব্লক হওয়ার কথা ছিল কিন্তু বাস্তবতা ঘটছে না|

সুতরাং contom particle এর ক্ষেত্রে হিরেন বেরিয়াবল বলতে কিছু নেই|

কোয়ান্টাম ইন্টেঙ্গেলমেন্টের এই বিশেষ বিষয়টি সামনে আসার পর বিজ্ঞানীরা এটিকে টেলি কমিউনিকেশন ক্ষেত্রে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন| কারণ কোয়ান্টাম ইন্টেঙ্গেলমেন্ট হতে পারে পৃথিবীর সবচেয়ে সুরক্ষিত যোগাযোগ ব্যবস্থা| এই ক্ষেত্রে চীন অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে| তারাই প্রথম কন্টাম কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট লঞ্চ করেছে| এর মাধ্যমে কোয়ান্টাম ইন্টেঙ্গেলমেণ্টের মাধ্যমে কমিউনিকেশান কতটা সহজ বা কঠিন হবে তা বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে|

কোয়ান্টাম ইনটিন কে সবচেয়ে সেভ এবং সুরক্ষিত বলার কারণ হচ্ছে এক্ষেত্রে ইনফরমেশন হ্যাক করা সহজ হবে না| কারণ মনে করুন আপনি দুইটি ইন্টেঙ্গেল পার্টিকালের মাধ্যমে দুইটি স্থানে ইনফরমেশন পাঠিয়েছেন| এখন মাঝখানে কেউ যদি ইন্টেঙ্গেল পার্টিকেলকে প্রভাবিত করে তবে সেটা সহজেই নজরে চলে আসবে| কারণ ইন্টেকল পার্টিকেলের একটিকে প্রভাবিত করার মানে হচ্ছে সাথে সাথে দ্বিতীয়টি প্রভাবিত হবে| যার ফলে মাঝখানে ইনফরমেশন হ্যাক করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবে| এবং এই জন্যই কোয়ান্টাম কমিউনিকেশানকে বলা হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুরক্ষিত টেলি কমিউনিকেশান সিস্টেম|

আসলে কোয়ান্টাম মেকানিক্স হচ্ছে জাদুর মতো| আমরা জাদু দেখে বুঝতে পারি এখানে কোন একটি কারসাজি রয়েছে| কিন্তু সেই কারসাজিটা কি? তা বুঝতে পারি না| ঠিক তেমনই ওয়ান্ডাম ম্যাকানিক্সের আচরণ দেখেও আমরা বুঝতে পারি| এখানে অবশ্যই কোন একটি বিষয় রয়েছে| কিন্তু সেটা কি তা এখনো আমরা বুঝে উঠতে পারিনি|

বর্তমানে বড় পরিসরের বিষয়গুলোকে জেনারেল রিলেটিভিটি এবং ছোট পরিসরের বিষয়গুলোকে contam mechanics এর মাধ্যমে খুবই নিখুঁতভাবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে| তবে এটাও সত্য যে মহাবিশ্বের সবকিছুই পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত| সুতরাং জেনারেল রিলেটি এবং ওয়ান্টাম মেকানিক্সেও পরস্পরের সাথে কোনো না কোনো ভাবে সম্পর্কযুক্ত| কিন্তু এরা কিভাবে সম্পর্কযুক্ত সেই রহস্য এখনো আমরা বের করতে পারিনি| কোন এক সময় যদি আমরা এই রহস্য ভেদ করতে পারি অর্থাৎ জেনারেল রিলেটিভিটি এবং কন্টাক্ট ম্যাগনিসকে একটি থিওরির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে পারি|

তবে সেই থিওরিটি হবে থিওরি অফ এভরিথিং|

গত পর্বের উত্তর হচ্ছে বড় ছেলে পাবে নয় টাকা এবং ছোট ছেলে পাবে সাত টাকা| আজকের প্রশ্ন হচ্ছে এই চিত্রটি ভালো করে দেখুন| এখানে দুইটি রেখা ভূমির সাথে লম্বাভাবে অবস্থান করছে| একটি রেখার দৈর্ঘ্য হচ্ছে পাঁচ একক এবং অন্যটির হচ্ছে তিন একক| এখন আপনাকে বলতে হবে এই চিত্রতে থাকা এইচ এর মান কত? উত্তর আগামী পর্বে পেয়ে যাবেন| আর যদি এখনই উত্তর জানতে চান তবে বিজ্ঞান পাইসি ফেসবুক গ্রুপে চলে যান|

লিংক ডেসক্রিপশন বক্সে দেওয়া থাকবে|

একটি বিশাল আকারের অ্যাস্ট্রোরেট যদি পৃথিবীর দিকে আসতে থাকে তবে আপাতত আমাদের করার কিছুই থাকবে না| কিন্তু এমন ক্ষেত্রে মানুষের কি কি করার থাকতে পারে? তা স্টাডি করার জন্য নাসার সম্প্রতি পরীক্ষামূলক টাট মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে| ডার্ক মিশন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখতে পারেন| ভিডিও ভালো লাগলে বিজ্ঞান পাইসি পরিবারের যুক্ত হয়ে সাথে থাকতে পারেন|


নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال