বন্ধুরা তিন বছর কঠোর পরিশ্রমের পর আবুধাবিতে ইঞ্জিনিয়ারস আর আর্কিটেকরা এমন এক বিল্ডিং এর স্ট্রাকচার বানিয়ে ফেলেছিলো যেটা কোনোভাবে বানানো সম্ভব ছিল না এটা ছিল আবুধাবি ক্যাপিটাল গেটের স্ট্রাকচার যেটা আবুধাবির খালিফা বিন জায়েদ আল নাহিন এর ইচ্ছেতে বানানো হয়েছিল বিল্ডিংটির একদিকে কয়েক লক্ষ টন ভর থাকায় ইঞ্জিনিয়ার্সের ভয় ছিল যদি বিল্ডিংয়ের ওজনের হিসাবে একটুও এদিক ওদিক হয় তবে পুরো বিল্ডিং এক নিমেষে ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে. এই বিল্ডিং তৈরি করতে তাদের যতটা চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হয়েছে ততটা চ্যালেঞ্জ বুটসফা তৈরি করতেও হয়নি. কারণ ক্যাপিটাল গেটের ডিজাইন, এমন এক ডিজাইন ছিল যেটা ফিজিক্সের সব লব ভেঙ্গে দেওয়ার কাছাকাছি ছিল.
বিল্ডিংটা সম্পূর্ণ তৈরি হওয়ার পর যখন সেটা ওপেন হওয়ার সময় চলে এসেছিল. তখন আবুধাবির খলিফার তরফ থেকে বিল্ডিংএর কন্সট্রাকশান টিমের কাছে একটি বার্তা যায়. যেটায় তিনি বলেন যে সেই বিল্ডিংয়ের একদম টপ ফ্লোরে তার একটা হেলিপ্যাডও চাই. এই বার্তাটি কন্সট্রাকশান টিমের কাছে একটি বিশাল বড় হেডেক হয়ে দাঁড়ায়. কারণ বিল্ডিং এর ওজন আগে থেকেই অনেক বেশি ছিল. কিন্তু যেইভাবেই হোক তাদেরকে এটা সম্ভব করতেই হত. আজকে অদ্ভুত দশের এই ভিডিওটিতে আমরা এটাই জানতে চলেছি কিভাবে? এই অসাধ্য সাধন হয়েছিল.
তো চলুন শুরু করা যাক.
আবুধাবিতে থাকা ক্যাপিটাল গেট পুরো পৃথিবীর মধ্যে এমন একটি বিল্ডিং যেটা বেশি উঁচু নয় কিন্তু এটা আর্কিটেক্টদের রুলসকে একদম ভেঙে দিয়েছে পাঁচশো চব্বিশ ফিট উঁচু এই বিল্ডিংয়ের অর্ধেকের বেশি ওজন একদিকে ঝুঁকে রয়েছে কিন্তু এটা কোনো ভুলের কারণে হয় নি বরং এটাই এই বিল্ডিং এর ডিজাইন যেহেতু ক্যাপিটাল গেট ইটালির লেলিন টাওয়ার অফ পিশারের থেকেও পাঁচ গুণ ঝুকে ছিল সেই কারণে এই গেটটি গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নামদাকি করে ফেলে কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কি কারণে আবুধাবির শেখ এত ঝুঁকিপূর্ণ বিল্ডিং বানাতে চেয়েছিল আসলে পৃথিবী জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক আধুনিক স্ট্রাকচার বানানোর জন্য রেস লেগে রয়েছে এটাই জিতবে সেই যে সবার থেকে আলাদা এবং সব থেকে কঠিন স্ট্রাকচার বানাতে পারবে এই রেস্ট্রিতে জেতার জন্য এবং পৃথিবী জুড়ে বিভিন্ন ট্রাভেলার্স কে আকর্ষণ করবার জন্য দুহাজার সাতে আবুধাবির খালিফা দিন জায়েদ এই রেসে নেমে পড়ে তার লক্ষ্য উঁচু বিল্ডিং বানানোর দিকে ছিল না.
বরং তার লক্ষ্য এমন এক বিল্ডিং বানানোর দিকে ছিল. যেটার ডিজাইন দেখার জন্য যেন বিভিন্ন দেশ থেকে লোক সেখানে আসে. এই লক্ষ্য পূরণ করবার জন্য খালিফা বিন জায়েদ. তাঁর এক ভাই শেখ সুলতানকে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট করে. এই কাজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শেখ সুলতান. লন্ডনের সব থেকে নামি আর্কিটেক আরএম জেএমএর সঙ্গে যোগাযোগ করে. এবং তাদের সঙ্গে সব ডিএ ফাইনাল করে. আর এই কোম্পানিও প্রথম এইরকম কোন বিল্ডিং তৈরি করতে যান ছিল.
কিন্তু কিভাবে ইঞ্জিনিয়াররা এই অসাধ্য সাধনকে সফল করলো? কিভাবে এই বিল্ডিংকে আঠেরো ডিগ্রিতে টিলট করা হয়েছিল? আর কিভাবেই বা এই লক্ষ লক্ষ টনের ওজন একদিকে ঝুঁকে থাকা সত্ত্বেও সেটাকে দাঁড় করিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিল. চলুন সেটা জেনে নেওয়া যাক. চ্যালেঞ্জ নাম্বার ওয়ান. লন্ডনের আর্কিটেকদের যখন এই কাজটিকে দেওয়া হয় তখন এই কাজটি তাদের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল. তাদেরকে এমন ডিজাইন বানাতে হতো যেটা তাদেরই. বানানো আ রুলের বিপরীত হবে.
প্রথম দিকে এই আর্কিটেকদের বহু ডিজাইন রিজেক্ট করে দেওয়া হয়েছিল. কিন্তু পরে এই ডিজাইনকে বানানোর জন্য ওনারা আবুধাবির মরুভূমিতে থাকা বালি টিলা এবং সমুদ্রের ঢেউয়ের থেকে ইন্সপিরেশন নেয়. আর এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে তাঁরা বিল্ডিং বানানোর ডিজাইন তৈরি করে ফেলে. কনসেপ্ট আর্কিটেক্ট নীল ভেনদের ভীম তিনরাত এক করে এমন ডিজাইন তৈরি করে. আর তার ডিজাইনে বিল্ডিংটিকে সমুদ্রের ঢেউয়ের রূপ দেওয়া হয়েছিল. আর বিল্ল নিচটা বালি টিলার মতন রূপ দেওয়া হয়েছিল.
চ্যালেঞ্জ নাম্বার টু এই ডিজাইনটা শেখ সুলতানের পছন্দ তো হয়ই. কিন্তু এতে একটি অসুবিধা ছিল. কারণ এই ক্যাপিটাল গেটটিকে রিয়ালিটিতে বানানোর জন্য এক্সট্রা অডিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেম প্রয়োজন ছিল. কারণ ডিজাইন অনুযায়ী বিল্ডিং এর উপরের অংশ. মাটি থেকে পুরো একশো ফিট সোরে ঝুঁকে ছিল. আর এই কারণেই অতিরিক্ত ফোর্স তৈরি হয়ে বিল্ডিংএর ফাউন্ডেশনকে মাটির তলা থেকে উপরে ফেলে দেবে. তো এবার construction টিম এর কাছে এটা চ্যালেঞ্জ ছিল যে তাদেরকে এমন একটি ফাউন্ডেশন তৈরি করতে হবে যেটা বিল্ডিং এর ঝুঁকে থাকা সাইড কে মানে কয়েক লক্ষ টন ওজনকে খুব সহজে সামলে নিতে পারবে এই চ্যালেঞ্জটিকে সফল করবার জন্য প্রোজেক্ট আর্কিটেক কর্নি আর্কি ওয়ার্ল্ড বিল্ডিং এর ফাউন্ডেশন বানানোর কাজ শুরু করে দেয় ক্যাপিটাল গেটের ফাউন্ডেশনে চারশো কংক্রিট পাইলস ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মানে এই বিল্ডিং এর সম্পূর্ণ লোড লোহার মোটা মোটা পাইপ আর তার ভেতরে থাকা উপর রাখা হবে.
কিন্তু এটা কোন সাধারণ ফাউন্ডেশন ছিল না. যেই সাইডে বিল্ডিংটি ঝুঁকবে সেটা নিচের ফাউন্ডেশনে দুশো পাইলস লাগানো হয়েছিল. কিন্তু তাঁর বিপরীত দিকে পাইলসের লেন্থ বেশি রাখা হয়েছিল.
ইঞ্জিনিয়াররা মনে করে এইরকম ভাবে ফাইলসগুলো সাজালে বিল্ডিং এর লোড. চারিদিকে সঠিকভাবে ডিস্ট্রিবিউট হয়ে যাবে. চ্যালেঞ্জ নাম্বার থ্রি. ক্যাপিটাল গেটের ডিজাইন তৈরি ছিল. এবার ইঞ্জিনিয়াররা ওই বিল্ডিংয়ের লোড ডিস্ট্রিবিউট করবার জন্য একটি এক্সট্রা অডিনারি, ফাউন্ডেশনের প্ল্যানও তৈরি করে ফেলেছিল. এই ফাউন্ডেশনের জন্য অধিক মাত্রায় খননের প্রয়োজন ছিল. প্রায় ন হাজার ছশো টন মাটি খোদাই করে তুলতে হতো সেখান থেকে. আর এই এত বড় কাজকে সম্পূর্ণ করবার জন্য আট মাসের সময় দেওয়া হয়েছিল.
কিন্তু ঠিক সেই সময় আরেকটি অসুবিধা দেখা দিল. সেই সময় শেখ সুলতান এই বিল্ডিং এর ডেডলাইন ঘোষণা করে দেয়. কারণ কি দুবছর পরেই আবুধাবিতে ফিউচার এনার্জি সামিট প্রোগ্রাম হতো. এই কারণেই চেয়েছিল এই এনার্জি সাবমিটের আগেই বিল্ডিং এর কাজ যেন সম্পূর্ণ হয়ে যায় মানে এখন ইঞ্জিনিয়ার্সদের কাছে কেবল চব্বিশ মাস সময় ছিল যার মধ্যে তাদের মাটিতে ফাউন্ডেশন ঢালতে হতো তারপর বিল্ডিংটিকে দাঁড় করাতে হতো এবং ভেতরের এন্টায়ার কাজ কমপ্লিট করতে হতো এই চ্যালেঞ্জ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কনস্ট্রাকশনের পুরো টিম আরো তাড়াতাড়ি কিভাবে কাজ কমপ্লিট করা সম্ভব সেটা নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করে দেয় মানে ফাউন্ডেশন তৈরি করবার জন্য যেখানে আট মাসের সমাধি সেটাকে দিনরাত কাজ করে কেবল তিন মাসে কমপ্লিট করা হয়.
কারণ এটা ছাড়া তাদের কাছে অন্য কোন পথ ছিল না. চ্যালেঞ্জ নাম্বার ফোর. ফাউন্ডেশন যখন ভালোভাবে শুকিয়ে গেল তখন কনস্ট্রাকশন টিম আবার মাঠে নেমে পড়ে. এবার তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল. ওই টাওয়ার কনস্ট্রাকশন শুরু করা. কিন্তু এখানেও তাদের আরো একটি চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হয়. সাধারণত স্কাই স্ক্রেপার. সলিড কোডের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে. যেটা সম্পূর্ণ সোজা উপরের দিকে উঠে যায়. কিন্তু ক্যাপিটাল গেটের ক্ষেত্রে সেটা হতো না. যে কারণে ইঞ্জি আনার সিদ্ধান্ত নেয় ক্যাপিটাল গেটের কোড সোজা নয় বরং কার্ট বানানো হবে এবার তাড়াতাড়ি এই কার্ভ কোর বানানোর জন্য কাজ শুরু করতে হতো নয়তো ডেডলাইনের আগে কাজ শেষ করা যেত না চ্যালেঞ্জ নাম্বার ফাইভ এই বিশেষ ধরনের কোরকে বানানোর জন্য কম করে দুই কোটি পনেরো লক্ষ কেজি স্টিল এবং তিন কোটি ষাট লক্ষ কেজি সিমেন্ট কংক্রিট ব্যবহার করা হতো কিন্তু আবার এখানে আরেকটি অসুবিধা দেখা দিলো এই অসুবিধাটা ছিল প্রচন্ড গরমের কারণে দিনের বেলায় তাপমাত্রা প্রায় পঞ্চাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেত.
আর এই গরমের মধ্যে যদি সিমেন্ট ঢালা হয় তবে সময়ের আগে শুখে যাওয়ার কারণে করে ক্র্যাক আসার ভয় ছিল. এবার কনস্ট্রাকশন টিমকে এমন একটি সলিউশন বের করতে হতো. যাতে কংক্রিট ঢালার সঙ্গে সঙ্গে সেটা শুকিয়ে না যায়. শেষমেষ এটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে কংক্রিট বানানোর সময়. যে জল ব্যবহার করা হয় তার বদলে ঠান্ডা জল ব্যবহার করা হবে. আর দিনের সময় কংক্রিট ঢালা হবে না. বরং রাতের সময় ঢালা হবে আর রাতে সেখানে টেম্পারেচার ত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়.
এই কাজটা করবার জন্য বরফের ফ্যাক্টরি থেকে বরফ আনানো হতো. এবং সেটাকে গলিয়ে তার সঙ্গে সিমেন্ট আর পাথর মিশিয়ে কংক্রিট মিক্সচার তৈরি করা হতো. প্রায় একশো পঞ্চাশ রাত. মানে পাঁচ মাস. কঠোর পরিশ্রম করার পর ক্যাপিটাল গেটের কোড তৈরি করা হয়ে গিয়েছিল. চ্যালেঞ্জ নাম্বার সিক্স. আবুধাবির মাঝখানে এমন এক ওয়ার্ল্ড ক্লাস স্ট্রাকচার বানানো হচ্ছিল. যেটার অর্ধেকের বেশি কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেছিল.
কিন্তু আসল চ্যালেঞ্জ এখনো বাকি ছিল. কনস্ট্রাকশন টিম তো কোরকে কিছুটা কার্ভ সেফ দিয়েছিল. কিন্তু এবার বাকি ছিল আসল ঝুঁকিপূর্ণ কাজের. যেটার জন্য ডায়গরীক টেকনোলজি ব্যবহার করা হচ্ছিল. এই টেকনোলজির সাহায্যে লোহার তৈরি ফ্রেম. ছোট ছোট ভাগে কোরের সাইটে লাগিয়ে বিল্ডিংকে ঢোকানো হচ্ছিল. টোটাল সাতশো কুড়িটি বড় বড় লোহার ফ্রেমের প্রয়োজন ছিল এই বিল্ডিংটি তৈরি করতে. কিন্তু বিল্ডিংএ শেপের কারণে প্রতিটা ফ্রেমকে আলাদা আলাদা করে ডিজাইন করা হয়েছে.
এবং টোটাল সাতশো কুড়িটা লোহার তৈরি ফ্রেম যেগুলোর প্রতিটা ওজন ছিল ষোলো হাজার কেজি এবং প্রতিটা ফ্রেমের শেপ একে ওপরের থেকে আলাদা ছিল. এই কাজটি সম্পূর্ণ করবার জন্য একটি বিশাল বড় স্টিল কোম্পানিকে এই কাজটি দেওয়া হয়েছিল. আর যেহেতু প্রতিটা ফ্রেমের শেপ একে অপরের থেকে আলাদা ছিল. তাই এই ফ্রেম বানানোর কাজ সম্পূর্ণ করতে এদের পাঁচ মাস সময় লেগে গিয়েছিল. চ্যালেঞ্জ নাম্বার সেভেন. শেষমেশ ওয়ার্কার্সদের কঠোর পরিশ্রমের কারণে ক্যাপিটাল গেটের কমপ্লিট হয়ে গিয়েছিল এবং তার সঙ্গে উইন্ডো প্যানেল লাগানোর কাজও চালু হয়ে গিয়েছিল. এবার কেবল বিল্ডিংয়ের ছোটখাটো কাজ বাকি ছিল.
যেটা শেখ সুলতানের দেওয়া ডেডলাইনের আগে কমপ্লিট হয়ে যেত.
বিল্ডিং হ্যান্ডওভার করে দেওয়ার দিন খুব কাছেই ছিল. ঠিক সেই সময় আবুধাবির খালিফার. অফিস থেকে একটি ম্যাসেজ আসে. যেটায় তিনি বলেন ক্যাপিটাল গেটের একদম টপ ফ্লোরে একটি হেলিপ্যাড চাই. এই মেসেজ কনস্ট্রাকশন টিমকে একটি বিশাল বড় সমস্যার মুখে ফেলে দেয়.
কারণ ফাউন্ডেশন থেকে শুরু করে পর্যন্ত সবকিছু কমপ্লিট হয়ে গিয়েছিল. এবং ক্যাপিটাল গেটের সম্পূর্ণ লোড আগে থেকে ক্যালকুলেট করা হয়ে গিয়েছিল. মানে ডিজাইন করবার সময় হেলিপ্যাডের ওজন তো ধরাই হয়নি. এই চ্যালেঞ্জটা ক্যাপিটাল গেট তৈরি হওয়ার সময়. অন্যান্য চ্যালেঞ্জগুলোর তুলনায় সবথেকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল. ফাউন্ডেশনের কাজ বন্ধ রেখে আবার পুনরায় সব স্ট্রাকচারকে ক্যালকুলেশান করা হয়. ক্যালকুলেশান করার পর জানা যায় যে এই ট্রাকচারটি. হেলিপ্যাডের ওজন সামলে তো নেবে কিন্তু এত উচ্চতায় হেলিপ্যাড থাকার কারণে বৃষ্টির সময় হেলিকপ্টার বিল্ডিং এর সঙ্গে ক্রাশ করতে পারে কিন্তু যেভাবেই হোক না কেন এই হেলিপ্যাড বানাতেই হতো কারণ এটি শেখের আদেশ এই কারণের জন্যই লন্ডনে ক্যাপিটাল গেটের মডেলকে উইন্ডো টানেল টেস্ট করা হয় এবং যেখান থেকে প্রমান হয় যে দ্রুত হাওয়া বাতাসের সময় ওই হেলিপ্যাডের ওপর হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং করা বিপদজনকের থেকে কম কিছু নয় উইন্ডো ইঞ্জিনিয়ার লাইট অন আরবিউলিয়াস বলেন যে হেলিপ্যাডের ডিজাইন যদি একটু পরিবর্তন করা যায় এবং হেলিপ্যাডের উচ্চতা যদি একটু কম করা যায় তবে এই বিপদের আশঙ্কা অনেক কমে যাবে.
তার কথা অনুসারে হেলিপ্যাডের মডেলটির ডিজাইন চেঞ্জ করা হয়. এবং তার কথাটাই সঠিক প্রমাণিত হয়. এই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কনস্ট্রাকশন টিম হেলিপ্যাড তৈরির কাজ শুরু করে দেয়. আর বিল্ডিংটিকে সময়ের আগেই তৈরি করা সম্ভব হয়. আজকের ভিডিওটি এইটুকুই আশা করি ভালো লেগেছে. যদি ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করবেন. পাশাপাশি অদ্ভুত চ্যানেলে নতুন লাল সাবস্ক্রাইব বাটনে ক্লিক করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন. এরকমই ইন্টারেস্টিং ভিডিও সবার আগে দেখতে.
সর্বশেষে থাঙ্কস ফর ওয়াচিং, স্টে হ্যাপি, স্টে কুল
